মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২১ আগস্ট ২০১৭, ৬ ভাদ্র ১৪২৪, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

ব্রাসেলস বোমা হামলার নেপথ্যে দুই ভাই

প্রকাশিত : ২৪ মার্চ ২০১৬
  • এক সন্দেহভাজনকে খুঁজছে পুলিশ

ব্রাসেলসে মঙ্গলবারের হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে খালিদ ও ব্রাহিম আল-বাকরাউয়ি নামের দুই ভাইয়ের নাম প্রকাশ করেছে বেলজিয়ামের গণমাধ্যম। সংবাদ মাধ্যম আরটিবিএফ বলছে, এই দুজন সম্পর্কে পুলিশ আগে থেকেই জানত। ধারণা করা হচ্ছে, জাভেনতেম বিমানবন্দরের সিসিটিভি ফুটেজে যে তিনজন সন্দেহভাজনকে দেখা গেছে, তাদের মধ্যে এই দুই ভাইয়ের অন্তত একজন ছিলেন। খবর বিবিসির ।

আরটিবিএফ বলছে, খালিদ ও আল-বাকরাউয়ি মিথ্যা পরিচয়ে ব্রাসেলসের ফরেস্ট এলাকায় একটি ফ্ল্যাট ভাড়া করে বসবাস করে আসছিলেন। গত সপ্তাহেই ওই এলাকায় পুলিশের গুলিতে একজন বন্দুকধারী নিহত হয়। ওই অভিযানের সময়ই পুলিশ গত ১৩ নবেম্বরের প্যারিস হামলার মূল সন্দেহভাজন সালাহ আবদে সালামের আঙ্গুলের ছাপ খুঁজে পায়। খালিদ ও আল-বারকাউয়িকে গত শুক্রবারের অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং শুক্রবার একটি আদালতে তার হাজির হওয়ার কথা ছিল। মঙ্গলবার ব্রাসেলসের বিমানবন্দরে জোড়া বিস্ফোরণ এবং একটি মেট্রো স্টেশনে অপর একটি বিস্ফোরণে অন্তত ৩৫ জন নিহত এবং ২৫০ জন আহত হয়েছেন। বেলজিয়ামে এখন তিনদিনের জাতীয় শোক পালন করা হচ্ছে। ইসলামিক স্টেট দাবি করেছে তারা এসব হামলার নেপথ্যে রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও হামলা চালানো হবে।

বেলজিয়ামে হামলার পর সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে ধরতে ব্যাপক অভিযান চলছে। ব্রাসেলস বিমানবন্দরের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজ দেখে সন্দেহভাজন সেই ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করেছে পুলিশ।

জাভেনতেম বিমানবন্দরে জোড়া বিস্ফোরণের আগে বিমানবন্দরের ভেতরে আরও দুই সন্দেহভাজনের সঙ্গে ওই ব্যক্তিকে হেঁটে যেতে দেখা গেছে। বাকি দুজন আত্মঘাতী বিস্ফোরণে নিহত হয়েছে। দেশটির ফেডারেল প্রসিকিউটর ফ্রেডরিক ফন লিউই বলছেন, এখন সন্দেহভাজন সেই ব্যক্তিকে ধরতে বেলজিয়ামজুড়ে অভিযান চলছে।

ঘটনার পর ব্রাসেলসে জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতা। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত সৈন্য। ব্রাসেলসের প্রধান বিমানবন্দর ও মেট্রো রেলে বিস্ফোরণের পর পুরো শহর এখনও থমকে আছে। কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে শহরের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। এ ঘটনায় তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করছে বেলজিয়াম। নিহতদের স্মরণে বুধবার স্থানীয় সময় দুপুরে এক মিনিটের নীরবতা পালন করা হয়। বেলজিয়ামের রাজা ফিলিপ এ হামলাকে একটি কাপুরুষোচিত এবং ঘৃণ্য হামলা বলে বর্ণনা করেছেন। হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শত শত মানুষ মোমবাতি জ্বেলে হাতে ফুল নিয়ে ব্রাসেলসের প্রাচীন প্রাণকেন্দ্র প্লেস ডে লা বৌর্জ মোড়ে এসে জড়ো হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা বলেছেন, এই বোমা হামলা হলো মুক্ত ও গণতান্ত্রিক সমাজের ওপরে হামলা। অপরাধীকে ধরতে সকল রকম সহযোগিতার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

প্রকাশিত : ২৪ মার্চ ২০১৬

২৪/০৩/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: