১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

দুর্বল হয়ে পড়েছে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম


স্টাফ রিপোর্টার ॥ দেশে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম দুর্বল হয়ে পড়েছে। গত তিন বছরে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারের হার মাত্র ১ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে প্রজনন হার প্রায় একই আছে। বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার শতকরা ৫৫ দশমিক ৮ ভাগে উন্নীত হয়েছে। বর্তমানে প্রজননক্ষম সকল দম্পতি পরিবার পরিকল্পনার কোনো না কোনো পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত রয়েছেন। স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদী পদ্ধতি গ্রহণের হারও তুলনামুলকভাবে অনেক কম। শতকরা ৫ দশমিক ৭ ভাগ স্থায়ী এবং ৮ দশমিক ৬ ভাগ দীর্ঘমেয়াদী পদ্ধতি গ্রহণ করছেন। মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের পদ্ধতি গ্রহণের হার এখনও অনেক কম। শতকরা ৫ দশমিক ২ ভাগ পুরুষ স্থায়ী এবং অস্থায়ী পদ্ধতি গ্রহণ করছেন।

বাংলাদেশে জননীতি ও স্বাস্থ্য জরিপের (বিডিএইচএস) একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে বিডিএইচএস-২০১৪ এর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে সরকারের জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট। স্বাস্থ্যসচিব সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালিক।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত দুই দশকে বাংলাদেশে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যুরর হার ৬৫ শতাংশ কমেছে। অল্প বয়সে বিয়ে ও সন্তানধারণকারী কিশোরীর সংখ্যা কিছুতেই কমিয়ে আনা যাচ্ছে না। এতে কিশোরী বয়সে যারা মা হচ্ছে, তাদের মধ্যে মাতৃমৃত্যু হার জাতীয় গড়ের প্রায় দ্বিগুণ। আর শিশুমৃত্যুর হার জাতীয় গড়ের প্রায় শতকরা ত্রিশ ভাগ বেশি। বিশ্বের যেসকল দেশে কিশোরীদের মধ্যে গর্ভধারণের হার বেশি, বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম। এদেশের মহিলাদের প্রায় অর্ধেকের বয়স বিয়ের সময়ে ১৮ বছরের কম থাকে। আর শতকরা ৫৮ ভাগ ২০ বছর বয়সের আগেই প্রথম সন্তানের জন্ম দেয়। এ বয়সের জন্য যথাযথ যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য তথ্য ও সেবাপ্রাপ্তির সুযোগ অপর্যাপ্ত।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: