২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

এক সেতুর অভাবে কাজে আসছে না দুই বাইপাস


স্টাফ রিপোর্টার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ॥ একটি মাত্র সেতু বা বেলি ব্রীজের অভাবে চালু হচ্ছেনা চাঁপাইনবাবগঞ্জ বাইপাস সড়কটি। দীর্ঘ চার যুগ ধরে আটকে রয়েছে প্রকল্পটি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার শেষ প্রান্তে নয়াগোলায় মহানন্দার উপরে সেতুটি নির্মান হলে বাইপাস সড়ক চালু করা সম্ভব। পঁচাত্তর পরবর্তী প্রতিটি সরকারের আমলে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ ও সড়ক জনপথ বাইপাসটি চালুর জন্য একাধিক বার প্রকৌশলগত দিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করলেও বরাদ্দের অভাবে সেতুটি নির্মান সম্ভব হয়নি। বাইপাসটি চালু হলে শহরের উপর যানবাহনের চাপ কমে আসবে। কমবে দুর্ঘটনা। এমনকি বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত কমবে দূরত্ব। সোনামসজিদ স্থল বন্দর, কানসাট ও শিবগঞ্জ উপজেলা সদর হতে আসা যানবাহন চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর সহ রাজশাহী নাটোর এড়িয়ে সরাসরি বরেন্দ্র অঞ্চলের আমনুরা, পার্বতীপুর আড্ডা, পোরশা সাপাহার পত্মীতলা, নওগা হয়ে বগুড়া সড়ক ধরে দ্রুত পৌছে যেত বঙ্গবন্ধু সেতুতে। বিশেষ করে আম মৌসুমে কাচামাল নিয়ে যে সব ট্রাক ছেড়ে যাচ্ছে তারা এই পথ ব্যবহার করতে পারতো। নয়াগোলা সেতু পার হওয়া মাত্র আতাহার শিল্প নগরী হয়ে সরাসরি নওগাঁ হয়ে বঙ্গবন্ধু সেতুতে যেতে পারত। এদিকে সোনামসজিদ-বারঘরিয়া সড়কটি ব্যবহার করে শহরমুখী শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর সেতুতে না উঠে সরাসরি মরিচার দাড়ার উপর দিয়ে পৌছে যেত নয়াগোলা সেতুতে। নয়াগোলার উভয় পাড়ের সড়ক এখন নিয়ন্ত্রণ করছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এমনকি বারঘরিয়া থেকে নয়াগোলা পর্যন্ত সাত কিলোমিটার বাধ সড়কটি এতদিন পানি উন্নয়ন বোর্ড নিয়ন্ত্রণ করলেও তা এখন হস্তান্তর হয়ে চলে গেছে সড়ক জনপথ বিভাগের কাছে। তারাই এবার সড়কটি সংস্কারে টেন্ডার আহব্বান করেছিল। এ ছাড়াও নয়াগোলার সেতু নির্মান হলে আরও একটি বাইপাস সড়ক তৈরীর প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়ে আছে। যা নয়াগোলা-মহাডাঙ্গা ধরে রুহুল বাধ স্পর্শ করে উপর রাজারামপুরের কাছাকাছি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী সড়ককে গিয়ে উঠতো। ভোলাহাট-রহনপুর, গোমস্তাপুর ও নাচোল থেকে আসা যানবাহন চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে না প্রবেশ করে মহাডাঙ্গা রুহুল বাধ হয়ে রাজশাহীমুখী সড়কে উঠতে পারতো। এতে করে জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে আসা যানবাহন চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে প্রবেশ না করে রাজশাহী, ঢাকা সহ দেশের প্রতিটি জেলা শহরে যেতে পারতো।

লক্ষ্মীপুরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর ফাঁসি

নিজস্ব সংবাদদাতা, লক্ষ্মীপুর, ২২ মার্চ ॥ লক্ষ্মীপুরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী মোঃ শাহজাহান ব্যাপারী প্রকাশ খোকন নামে ঘাতক স্বামীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যু দন্ডাদেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আসামীর পাঁচ লাখ টাকার জরিমানা আদায়ের আদেশ দেয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন অতিরিক্ত ট্রাইবুনালের বিচারক মোঃ সাইদুর রহমান গাজী দীর্ঘ শুনানী শেষে সাক্ষ্য প্রমানে দোষী সাব্যস্ত করে আসামীর বিরুদ্ধে এ রায় প্রদান করেন।

জানা গেছে, ২০০০ সালের ৫ডিসেম্বর শাহজাহান ব্যাপারী প্রকাশ খোকন জেলার রায়পুর উপজেলার দিঘলদী গ্রামে নিজ বাড়ীতে যৌতুকের দাবীতে তার স্ত্রী আমেনা আক্তার ডলিকে পিটিয়ে হত্যা করে। দ-প্রাপ্ত পলাতক রয়েছে।

টাঙ্গাইল যাবজ্জীবন

নিজস্ব সংবাদদাতা, টাঙ্গাইল থেকে জানান, টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছে আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক শরীফ উদ্দিন আহমেদ এ রায় প্রদান করেন।

জানা যায়, জেলার নাগরপুর উপজেলার আটাপাড়া গ্রামের তমিজ উদ্দিনের ছেলে বুদ্দু মিয়া বাদশার সাথে ফরিদা খাতুনের বিয়ে হয়।

বিয়ের পর স্বামী বুদ্দু মিয়া ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের স্ত্রী ফরিদা খাতুনকে চাপ দেয়। ২০১৩ সালের ৮ জুলাই ভোরে অভিযুক্ত স্বামী বুদ্দু মিয়া বাদশা গলাটিপে ফরিদা খাতুনকে হত্যা করে। এ হত্যার ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আব্দুল মালেক বাদি হয়ে নাগরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করে।