২৪ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণের চেষ্টা করায় উত্তম মধ্যম


স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ টঙ্গীবাড়ি উপজেলার নয়ানন্দ গ্রামে এক প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণের চেষ্টার সময় দুর্বৃৃত্তকে হাতেনাতে আটক করে উত্তম মধ্যম দিয়ে মাথা ন্যাড়া করে দিয়েছে এলাকাবাসী। এ ঘটনায় ধর্ষকের শ্বশুর উপজেলার পলাশপুর গ্রামের হানিফ বেপারী ধর্ষকের উপযুক্ত সামাজিক বিচারের আশ্বাস দিয়ে ধর্ষককে নিয়ে গিয়ে উল্টো ওই যুবতীর আত্মীয়স্বজনের বিরুদ্ধে ধর্ষককে মেরে লাশ গুম করা হয়েছে বলে টঙ্গীবাড়ী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় বিরাট চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, টঙ্গীবাড়ি উপজেলার নয়ানন্দ গ্রামের প্রতিবন্ধী যুবতী রবিবার সকাল ১১টার দিকে বাড়ির পাশের জমিতে দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় পার্শ্ববর্তী লৌহজং উপজেলার পালগাঁও গ্রামের মৃত মরন সেখের ছেলে ধর্ষক আক্তার হোসেন (৩০) ওই প্রতিবন্ধী যুবতীকে কোমল পানীয় আরসি খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে পাশের একটি ডোবার মধ্যে নিয়ে গিয়ে পায়জামা ও সেলোয়ার খুলে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় ওই ডোবা থেকে কিছু দূরে জমিতে কাজ করতে থাকা নয়ানন্দ গ্রামের বাসিন্দা আবু ও গুলজার ওই যুবতিকে ডোবায় নিয়ে যেতে দেখে সন্দেহ হলে দ্রুত এসে উভয়কে উলঙ্গ অবস্থায় আটক করে এলাকাবাসীকে খবর দেয়। পরে নয়ানন্দ গ্রামের এলাকাবাসী ধর্ষককে উত্তম মধ্যম দিয়ে মাথা ন্যাড়া করে এলাকায় ঘোরায়। এ সময় ধর্ষকের শ্বশুর হানিফ বেপারী খবর পেয়ে এসে সামাজিক বিচারের কথা বলে ধর্ষককে নিয়ে আসে। পরে ধর্ষককে মেরে লাশ গুম করা হয়েছে বলে টঙ্গীবাড়ি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। ধর্ষিতার মা জানান, আমার সহজ সরল মেয়েটি বাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। তাকে আরসি খাওয়ানোর কথা বলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে ওই লম্পট। এ ব্যাপারে টঙ্গীবাড়ি থানা এসআই শাহালম জানান, ওই এলাকায় এক যুবককে মারধর করে তার লাশ গুম করা হয়েছে বলে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: