২৫ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

কোন্ কম্পিউটার থেকে কমান্ড দেয়া হয়েছিল খুঁজছেন গোয়েন্দারা ॥ রিজার্ভের ৮শ’ কোটি টাকা স্থানান্তর


কোন্ কম্পিউটার থেকে কমান্ড দেয়া হয়েছিল খুঁজছেন গোয়েন্দারা ॥ রিজার্ভের ৮শ’ কোটি টাকা স্থানান্তর

রহিম শেখ ॥ বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ এ্যাকাউন্ট থেকে ৮শ’ কোটি টাকা স্থানান্তরের জন্য প্রধান কার্যালয়ের কোন্ কম্পিউটার থেকে কমান্ড দেয়া হয়েছিল তা খুঁজছেন গোয়েন্দারা। রবিবার বিকেলে সুইফট সার্ভারের সঙ্গে সম্পৃক্ত কম্পিউটারের ডাটা ইমেজিং পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। কম্পিউটার সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত ১৪ আইটি কর্মকর্তাসহ ৩২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তারা। এ সময় তাদের জবানবন্দীও রেকর্ড করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে রিজার্ভ জালিয়াতি ঘটনার আগে ও পরে চার আইটি কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ১২ কর্মকর্তাকে দায়িত্বে অবহেলার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। ওসব কর্মকর্তার শনাক্ত করার কাজ চলছে বলে গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে। এর আগে সকালে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের কাছে দুই বিষয়ে সহযোগিতা চেয়েছে সিআইডি। ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য এফবিআইয়ের সহযোগিতার পাশাপাশি প্রয়োজনে ইন্টারপোলেরও সহযোগিতা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। এদিকে নতুন গবর্নর বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, চুরি হওয়া অর্থ উদ্ধারে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবেন তিনি। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা লোপাটের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির কাজ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ও কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক গবর্নর ড. ফরাসউদ্দিন।

জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারির শুরুতে ‘সুইফট মেসেজ হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ১০১ মিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৮০০ কোটি টাকা অর্থ লোপাটের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ফিলিপিন্সে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার এবং বাকি অর্থ শ্রীলঙ্কায় পাচার হয়। অবশ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, শ্রীলঙ্কায় পাচার করা অর্থ তারা ফেরত আনতে সক্ষম হয়েছেন। অর্থ লোপাটের ওই ঘটনাটি বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম দিকে গোপন রাখলেও পরে গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। এই ঘটনায় শুধু বাংলাদেশ নয়, ফিলিপিন্সে কয়েকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। দেশটির সর্বোচ্চ আইন প্রণয়ন সংস্থা সংসদের উচ্চ কক্ষ সিনেট কমিটি ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব কর্তৃপক্ষকে ডেকে শুনানি করে। দেশটির মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ কর্তৃপক্ষ, জাতীয় তদন্ত ব্যুরো ও সিনেট ঘটনাটির রহস্যোন্মোচনে তদন্ত করছে। এ ঘটনায় গত ১৫ মার্চ রাজধানীর মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। মামলার এজাহারে কাউকে অভিযুক্ত করা হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব ও বাজেট বিভাগের যুগ্ম পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলাটি দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পরই মামলাটির তদন্তভার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডিতে স্থানান্তর করা হয়। সিআইডির পাশাপাশি র‌্যাব, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগ ও পুলিশের বিশেষ শাখাসহ (এসবি) অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করছে। এসব তদন্ত সংস্থার পাশাপাশি সোসাইটি ফর ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারব্যাংক ফাইন্যান্সিয়াল টেলিকমিউনিকেশনও (সুইফট) তদন্ত শুরু করেছে।

রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র শুভংকর সাহা জানান, অধিকতর তদন্তের স্বার্থে রবিবারও বাংলাদেশ ব্যাংকে সিআইডি কর্মকর্তারা এসেছেন। তারা ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা সুইফট সার্ভারের সঙ্গে সম্পৃক্ত কম্পিউটারের ডাটা ইমেজিং পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। তদন্তের স্বার্থে এর চেয়ে বেশিকিছু বলা যাবে না বলে তিনি জানান। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, রবিবার বিকেলে সুইফট সার্ভারের সঙ্গে সম্পৃক্ত কম্পিউটারের ডাটা ইমেজিং পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। কম্পিউটার সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত ১৪ আইটি বিশেষজ্ঞসহ ৩২ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তারা। এ সময় তাদের জবানবন্দীও রেকর্ড করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে রিজার্ভ জালিয়াতি ঘটনার আগে ও পরে চারজন আইটি কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ১২ কর্মকর্তার দায়িত্বে অবহেলার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। ওইসব কর্মকর্তাকে শনাক্ত করার কাজ চলছে বলে গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার সিআইডি কর্মকর্তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত ৪০টি কম্পিউটারের হাজার হাজার ফুটেজ সংগ্রহ করেন। সেই সঙ্গে সংগ্রহ করা হয়েছে অসংখ্য সিসি ক্যামেরা ফুটেজ। কম্পিউটার সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত ২২ আইটি বিশেষজ্ঞসহ মোট ৫০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ লুটের ঘটনা তদন্তে পুলিশের বিশেষ শাখা সিআইডিকে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। সিআইডির কার্যালয়ে এফবিআইয়ের একজন প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকের পর রবিবার এ কথা জানিয়েছেন সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি শাহ আলম। শাহ আলম বলেন, এ ঘটনা তদন্তে সিআইডি ও এফবিআইয়ের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা চাইলে তারা সব ধরনের সহযোগিতা করবে বলেও জানিয়েছে। এখন পর্যন্ত সবই প্রাথমিক পর্যায়ে আছে, এফবিআইয়ের যে কর্মকর্তা এসেছিলেন তিনি শুধু আলোচনার জন্য এসেছিলেন। তিনি বলেন, অর্থচুরির ঘটনায় আমরা প্রধানত দুটি বিষয়কে প্রাধান্য দিচ্ছি। এক. টাকা স্থানান্তরের জন্য কোন্ কম্পিউটার থেকে কমান্ড দেয়া হয়েছিল, কোন্ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। দুই. টাকাগুলো কোথায় গেছে, এ অর্থের সুবিধাভোগী কারা। এ ছাড়া, ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য এফবিআইয়ের সহযোগিতা নেয়া হবে বলে জানান তিনি। শাহ আলম বলেন, তদন্তের স্বার্থে সুইফটসহ যারা এ বিষয়ে কনসার্ন আছেন তাদের সবার সঙ্গেই নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে ইন্টারপোলেরও সহযোগিতা নেয়া হবে। বৈঠক শেষে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (অর্গানাইজড ক্রাইম) মীর্জা আবদুল্লাহেল বাকী বলেন, এটা এফবিআইয়ের সঙ্গে বিশেষ কোন বৈঠক না, নিয়মিত বৈঠকেরই অংশ। বিশ্বব্যাপী যে অর্গানাইজড ক্রাইমগুলো হয়, সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে এফবিআই কিভাবে কাজ করবে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এসব ওয়ার্ল্ডওয়াইড অর্গানাইজড ক্রাইমের ক্ষেত্রে তদন্তে আমরা যত সহযোগিতা চাইব, তারা সহযোগিতা করবে। তিনি আরও বলেন, ব্যাংকের অর্থ জালিয়াতির ঘটনায় আমরা একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে আছি। দেশের বাইরে যোগাযোগের ক্ষেত্রে কোন সমস্যা হলে এফবিআইকে জানালে তারা সহযোগিতা করবে। যখনই প্রবলেম ফেস করব সহায়তা চাইব।

আগে অর্থ উদ্ধারে নজর দেবেন নয়া গবর্নর ॥ যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি হওয়া অর্থ উদ্ধারে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবেন নতুন গবর্নর ফজলে কবির। পাশাপাশি এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে আইটি নিরাপত্তা জোরদার করা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের আস্থা ফেরানো এবং যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে তাদের সুপারিশ অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানান তিনি। রবিবার দায়িত্ব গ্রহণের পর গবর্নর কার্যালয়ে এক সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে দুপুর বারোটার দিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পৌঁছে যোগদানপত্রে স্বাক্ষর করেন ফজলে কবির। ফজলে কবির বলেন, আমাদের সিস্টেম থেকে বা বাইরের ব্যাংকে রাখা আমাদের এ্যাকাউন্ট থেকে যে ৮১ মিলিয়ন ডলার বের হয়ে গেছে, এটা ফিলিপিন্সে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। সেটা রিকভারি করাই আমার প্রথম প্রায়োরিটি হবে। এক নম্বর প্রায়োরিটি। এই টাকা উদ্ধারে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নেয়ার কথাও জানান তিনি। ফজলে কবির বলেন, ভবিষ্যতে আর যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য আমরা সচেষ্ট থাকব। এর নন রেকারেন্সের জন্য যেসব ব্যবস্থা নেয়া দরকার সেটি করা হবে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আইটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের বিষয়টিকে আমরা বেশি প্রায়োরিটি দিচ্ছি। অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ঘটনা তদন্তে সাবেক গবর্নর মোঃ ফরাসউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাদের প্রস্তাব ও সুপারিশ অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের আস্থা ফেরাতে কাজ করবেন জানিয়ে নতুন গবর্নর বলেন, রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরির ঘটনার পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মধ্যে কনফিডেন্সের অভাব দেখা দিতে পারে। এটা যেন না আসে এবং ব্যাংকের কর্মকর্তারা যেন নির্ভয়ে আগের মতো কাজ করতে পারেন সেজন্য কোয়ালিটি এবং কোয়ানটিটি নিশ্চিত করা হবে। বিদায়ী গবর্নর ড. আতিউর রহমানের চলমান উদ্যোগ চালু রাখার কথাও জানান ফজলে কবির। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আতিউর রহমানের ইনক্লুসিভ ব্যাংকিং, মানবিক ব্যাংকিংÑ এগুলো যেভাবে চলছে, সেভাবেই চলবে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্য যেসব প্রোগ্রাম বা কর্মসূচী আছে সেগুলো যথারীতি চলবে। এর আগে সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে আগের কর্মস্থল সোনালী ব্যাংকে যান ফজলে কবির। মূলত সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদ ছাড়তেই তিনি সেখানে যান। এক ঘণ্টারও বেশি সময় তিনি সোনালী ব্যাংকে ছিলেন। সোনালী ব্যাংকে তাকে স্বাগত জানান ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা।

তদন্ত চ্যালেঞ্জিংÑ ফরাসউদ্দিন ॥ বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা চুরির ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির কাজ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ও কঠিন। রবিবার বিকেলে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত শেষে তদন্ত কমিটির প্রধান বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাক্তন গবর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। এর আগে ড. ফরাসউদ্দিনের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা রাজধানীর হেয়ার রোডে অর্থমন্ত্রীর বাসভবনে যান এবং মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। ড. ফরাসউদ্দিন বলেন, যে টার্মস অব কন্ডিশন দেয়া হয়েছে সেগুলোর বিষয়ে আমরা সম্মত হয়েছি। আমরা তদন্ত করব। তিনি বলেন, প্রায় ২০ মিনিট আমরা অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। তবে এই মুহূর্তে তদন্তের স্বার্থে আমরা এ বিষয়ে কোন কথা বলতে পারব না। তদন্ত কমিটির অফিস কোথায় এ প্রশ্নে ফরাসউদ্দিন বলেন, অফিস নির্দিষ্ট হয়নি। যখন যেখানে দরকার সেখানেই আমরা বসব।

অর্থ জালিয়াতির কেন্দ্রস্থল ফিলিপিন্স ॥ বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরির প্রেক্ষাপটে ফিলিপিন্সকে বিশ্বের অন্যতম অর্থ জালিয়াতির কেন্দ্রস্থল হিসেবে চিহ্নিত করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর। রবিবার ফিলিপিন্সের সিনেট কমিটির সদস্য সের্গেই ওসমেনা এ কথা বলেন। একে লজ্জাজনক উল্লেখ করে ওসমেনা আরও বলেন, রিজার্ভের অর্থ চুরি এশিয়া মহাদেশের ১ নম্বর ব্যাংকিং কেলেঙ্কারির ঘটনা। অর্থ চুরি ও অর্থনীতিসংক্রান্ত অপরাধমূলক কাজের জন্য চলতি মাসের শুরুর দিকে প্রকাশিত মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে আসে। আর এ প্রতিবেদন দেশটির পরবর্তী প্রশাসনের জন্য ‘ব্যাংকিং গোপনীয় আইন’ শিথিল করতে একটি চাপ হতে পারে বলে মনে করেন সিনেটর। সম্প্রতি বাংলাদেশের রিজার্ভের ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরি করে ফিলিপিন্সে পাচার করে হ্যাকাররা। ধারণা করা হচ্ছে, ওই অর্থ ক্যাসিনো হয়ে দেশের বাইরে চলে গেছে।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: