২৪ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৪ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

ধামইরহাটে নির্বাচনী প্রচারণায় অর্থ বিতরণ


নিজস্ব সংবাদদাতা, নওগাঁ ॥ দ্বিতীয় দফার ইউপ নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, নওগাঁর পত্নীতলা ও ধাইরহাট উপজেলার ১৯টি ইউনিয়নে প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকদের মাঝে উত্তেজনার পাশাপাশি আচরনবিধি লঙ্ঘনসহ সহিংস আচরনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। শনিবার দিনগত রাত ৮টার দিকে ধামইরহাট উপজেলার ১নং ধামইরহাট ইউনিয়নের বিএনপি দলীয় প্রার্থী ওয়াজেদ আলী দেওয়ান (কবির) তার ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ওই ইউয়িনের ৭নং ওয়ার্ডের রুপনারায়নপুর (নদীরঘাট) গ্রামে নির্বাচনী প্রচারণা করছিলেন তার কর্মী-সমর্থকরা। এসময় বিএনপি প্রার্থীর কর্মী রফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম মিষ্টার, মামুন রেজাসহ মোট ৫/৭ জন কর্মীরা ভোটারদের মাঝে ভোট কেনার জন্য নগদ টাকা, বিড়ি-সিগারেট বিতরণকালে স্থানীয়রা তা হাতে নাতে ধরে ফেলে। বিক্ষিপ্ত জনতার রোষানল থেকে বাঁচতে অর্থ বিতরণকারীরা মোটরসাইকেল, পোস্টার ও নগদ টাকার ব্যাগ ফেলে রেখে চম্পট দেয়। পরে স্থানীয়রা মোটরসাইকেল, পোস্টার ও নগদ ৫ হাজার ৮শ’ ৫০ টাকা উদ্ধার করে থানায় জমা দেয়।

এ বিষয়ে ওই ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের আওয়ামীলীগ দলীয় প্রার্থী কামরুজ্জামান বাদী হয়ে ৭ জনকে অভিযুক্ত করে রবিবার সকালে রিটার্ণিং অফিসার বরাবর ১টি লিখিত অভিযোগ করেন। রিটার্ণিং অফিসার জেবুন্নেছা শাম্মী অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় প্রকাশ্য অর্থ বিতরণ আচরণ বিধি লঙ্ঘনের শামিল। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বরাবর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রেরণ করা হবে। অপরদিকে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নির্মইল ইউনিয়নের বিএনপির সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আতাউর রহমানের নির্বাচনী ক্যাম্প পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই আগুনে দুটি বাড়িও ভস্মীভূত হয়েছে। শনিবার দিনগত রাত ২ টার দিকে ওই ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের বড়বিদিরপুর গ্রামে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। চেয়ারম্যান প্রার্থী আতাউর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বড়বিদিরপুর গ্রামের তারিকুল ইসলামের বাড়ির বারান্দায় তাঁর নির্বাচনী পোষ্টারসহ গত কয়েকদিন আগে একটি নির্বাচনী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল। ওই ক্যাম্পে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বসে নির্বাচনী প্রচারনা চালাতো। শনিবার দিনগত রাত আনুমানিক ২টার সময় কে বা কারা ওই ক্যাম্পে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহুর্তেই ওই আগুন তারিকুল ইসলামে বাড়ি ও পার্শ্বের আরেকটি বাড়িতে লেগে যায়। ওই আগুনে দুটি বাড়ির বারান্দার টিন, খড়ের চালসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র ভস্মীভূত হয়। রাতেই এলকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রন করেন। বাড়ির মালিক তারিকুল ইসলাম বলেন, অগ্নিকান্ডে দুটি বাড়ির প্রায় লক্ষাধীক টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: