১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ঠাকুরগাঁওয়ে লিচুর বাগানে মৌ চাষ খাঁটি মধু সংগ্রহে মানুষের ভিড়


ঠাকুরগাঁওয়ে লিচুর বাগানে মৌ চাষ খাঁটি মধু সংগ্রহে মানুষের ভিড়

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঠাকুরগাঁও ॥ ঠাকুরগাঁও জেলার সুস্বাদু ও মিষ্টি লিচুর পরিচিতি দেশ জুড়ে। তাই এবার লিচু বাগানে মৌ মাছির বাক্স বসিয়ে মধু আহরন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন কয়েকজন মৌ চাষি। এর ফলে একদিকে যেমন মৌ চাষিরা মধু সংগ্রহ করে লাভবান হচ্ছেন অন্যদিকে মৌ মাছির মাধ্যমে মুকুলে মুকুলে পরাগায়ন ঘটায় লিচু গাছ মালিকরা বাম্পার ফলনের আশা করছেন। এক কথায় বাগানে মৌ চাষ করে চাষিরাও খুশি এবং মালিকরাও খুশি।

জানা যায় প্রতিটি বাক্সে একটি রানী মৌমাছি, একটি পুরুষ মৌমাছি ও অসংখ্য এপিচ মেইলিফ্রা জাতের কর্মী মৌমাছি রয়েছে। কর্মী মৌমাছিরা মৌ মৌ গন্ধে ঝাঁকে ঝাঁকে ছুটে যায় লিচুর মুকুলে। পরে মুকুল হতে মধু সংগ্রহ করে মৌমাছির দল নিজ নিজ কলোনিতে মৌচাকে এনে জমা করছে। ১০/১৫ দিন অন্তর অন্তর প্রতিটি বাক্স হতে চাষিরা ৬/৭ মণ মধু সংগ্রহ করছেন। যে লিচু গাছে মৌমাছির আগমন বেশি হয় সে গাছের মুকুলে পরাগায়ন ভাল হয়। ফলে ওই গাছে বা বাগানে লিচুর যেমন বাম্পার ফলনের সম্ভবনা থাকে, তেমনি মৌ চাষিরা বেশি মধু সংগ্রহ করে বানিজ্যিকভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারে। জেলার বিভিন্ন বাগান থেকে শতাধিক মৌ চাষী প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ মণ মধু সংগ্রহ করে বাজারজাত করছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আরশেদ আলী জানান, চলতি বছর প্রতিটি লিচু বাগানে ভালো মুকুল এসেছে। আর এ কারণে প্রচুর মৌ মাছির আগমন দেখা দিয়েছে। লিচু গাছ থেকে মৌ মাছি মধু আহরণের ফলে গাছে গাছে বেশি করে পরাগায়ন হয় এবং শতকরা ৩০-৪০ ভাগ লিচুর বেশি ফলন হয়।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: