মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৭ আশ্বিন ১৪২৪, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

হিমায়িত মৎস্য রফতানিতে আয় ৩৩ কোটি ডলার

প্রকাশিত : ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে হিমায়িত খাদ্য ও মৎস্য রফতানিতে আয় হয়েছে ৩৩ কোটি ১৮ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৭৯ শতাংশ বেশি। তবে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে একই সময়ের চেয়ে ১৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ কমেছে এ খাতের রফতানি আয়।

বাংলাদেশ রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে আরও জানানো হয়েছে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে হিমায়িত খাদ্য এবং মৎস্য জাতীয় পণ্য রফতানি করে আয় হয়েছিল ৫৬ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরে এ খাতে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৭ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে ৩২ কোটি ৫৯ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলারের হিমায়িত খাদ্য এবং মৎস্য জাতীয় পণ্য রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আলোচ্য সময়ে এ খাতে আয় হয়েছে ৩৩ কোটি ১৮ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৭৯ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সময়ে হিমায়িত খাদ্য এবং মৎস্য জাতীয় পণ্য রফতানিতে আয় হয়েছিল ৩৯ কোটি ৭৬ লাখ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ গত অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে এ খাতে পণ্য রফতানি ১৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ কমেছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে ২৯ কোটি ৪ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলারের চিংড়ি রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এ খাতে আয় হয়েছে ২৯ কোটি ১১ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শূন্য দশমিক ২৪ শতাংশ বেশি। লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলেও গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ কম আয় হয়েছে চিংড়ি রফতানিতে। গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে এই খাতে আয় হয়েছিল ৩৫ কোটি ৯৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে জীবিত মাছ রফতানিতে আয় হয়েছে ৪৮ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৮৪ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। আলোচ্য সময়ে এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৬ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে জীবিত মাছ রফতানিতে আয় হয়েছিল ১৮ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার।

সমুদ্র সম্পদ আহরণে অধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ সমুদ্র সম্পদ সঠিকভাবে আহরণ করা গেলে পোশাক খাতের চেয়ে অধিক মুদ্রা অর্জন করা যাবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ। উপাচার্য বলেন, গভীর সাগরে মৎস্য আহরণের কৌশল শিখতে হবে। গভীর সমুদ্রের সম্পদ সঠিকভাবে আহরণ করতে পারলে পোশাক শিল্প খাতের চেয়েও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় কনফারেন্স রুমে দুদিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করা হয়। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শ্রেণীর সিলেবাস উন্নয়ন বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ আয়োজন করে।

প্রকাশিত : ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

১১/০২/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: