২৪ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি


গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাইবান্ধা ॥ সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়নের বেলতৈল গ্রামে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা মহির উদ্দিনের বাড়িতে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর লুটপাট ও তার পরিবারকে উচ্ছেদ করেছে। এব্যাপারে সাঘাটা থানায় মামলা দায়ের করে কোন প্রতিকার পাচ্ছে না এই অসহায় পরিবারটি। এরই প্রতিবাদে বুধবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে আসামীদের অবিলম্বে গ্রেফতার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ প্রতিকার দাবিতে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে ফরিদা বেগম কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ফুলছড়ি উপজেলার টেংরাকান্দি পারুলের চর গ্রামের নদী ভাঙ্গনে বসতবাড়ি হারিয়ে সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়নের বেলতৈল গ্রামে আড়াই শতক জমি কিনে বসতবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস শুরু করে ছিন্নমুল পরিবারটি। ওই জমিতে ২ কক্ষ বিশিষ্ট বারান্দাসহ হাফ বিল্ডিং এবং বাড়ির উঠানে গোলাঘর হিসেবে একটি ১৮ হাত টিনসেড ঘরও নির্মাণ করে।

ওই জমি কেনা থেকে শুরু করে বসতবাড়ি নির্মাণের সময় পর্যন্ত মিথ্যা মামলা দায়ের, চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়া, গাছ কেটে নেয়াসহ নানাভাবে হয়রানী ও হুমকি প্রদান করে আসছিল জামায়াত-শিবিরের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। ওই সন্ত্রাসী চক্রের হোতা একই এলাকার আনিছুর রহমান, জয়নাল মন্ডল, আব্দুর রাজ্জাক, আতিকুর রহমান সরকার, মনির সরকার, রাসেল সরকার, ওদুদ সরকার, ইউনুছ সরকার, গফুর মুন্সি, শফিকুল ইসলাম, পলাশ মিয়াসহ তাদের সন্ত্রাসী সহযোগিরা উক্ত বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার জন্য একাধিকবার হামলা চালায় এবং মহির উদ্দিন ও তার স্ত্রী ফরিদা বেগমকে মারপিট করে এবং উল্টো তাদেরকে আসামি করে হয়রানীমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করে।

এই সন্ত্রাসী তৎপরতার জের ধরে গত ৪ ফেব্র“য়ারি কয়েক দফায় দেশীয় অস্ত্রসহ বাড়িঘর ভাংচুর, বারান্দার গ্রীল কেটে ধান, চাল, টিভি, শোকেস, ৩ ভরি স্বর্ণালংকারসহ আসবাবপত্র লুটপাট করে প্রায় ১৩ লাখ টাকার ক্ষতি করে। ওই বাড়ির সামনে চলাচলের রাস্তার দু’পাশে ১শ’টি উন্নত জাতের আমগাছ এবং বাড়ির মাটি কেটে রাস্তার ক্ষতিসাধন করে। এই ঘটনায় ফরিদা বেগম বাদি হয়ে ৪ ফেব্র“য়ারি সাঘাটা থানায় উক্ত সন্ত্রাসীদের নামে মামলা দায়ের করা হয়। কিন্তু পুলিশ অজ্ঞাত কারণে এখন পর্যন্ত আসামীদের গ্রেফতার করছে না।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: