২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

নিখোঁজ স্বর্ণ ব্যবসায়ী অমল গুপ্তের সন্ধান মিলেছে, হাসপাতালে ভর্তি


স্টাফ রিপোর্টার ॥ অবশেষে দশ দিনের মাথায় হদিস মিলল রাজধানী থেকে নিখোঁজ হওয়া স্বর্ণ ব্যবসায়ী অমল গুপ্তের। মঙ্গলবার ভোরে অজ্ঞাত দুই মহিলা তাকে মারাত্মক অসুস্থ অবস্থায় ব্রাক্ষণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ফেলে চলে যায়। চিকিৎসকরা গুরুতর অসুস্থ অমল গুপ্তকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেন। এরপর সকালে অমল গুপ্তের সঙ্গে তার পরিবারের যোগাযোগ হয়। পরে তাকে ঢাকার হলিফ্যামিলি হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ভর্তি করা হয়। গুরুতর অসুস্থ থাকায় তিনি কথা বলতে পারছেন না। সুস্থ হওয়ার পর তার নিখোঁজ রহস্যের কিনারা হতে পারে।

অমল গুপ্তের পরিবার জানায়, ভোরে অজ্ঞাত দুই মহিলা গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় অমল গুপ্তকে ব্রাক্ষণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ফেলে কৌশলে পালিয়ে যায়। পরে হাসপাতালের লোকজন গুরুতর অসুস্থ দেখে অমল গুপ্তকে চিকিৎসা করেন। সকালে শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়। এরপর অমল গুপ্ত স্ত্রীর মোবাইল নম্বর পাশের বেডের একজনকে বলতে সক্ষম হন। তারই সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। বর্তমানে তাকে হলিফ্যামিলি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তিনি পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় তার নিখোঁজ রহস্যের কিনারা হয়নি।

প্রসঙ্গত, গত ৩১ জানুয়ারি বেলা পৌনে বারোটার দিকে অমল গুপ্ত রাজধানীর কাকরাইলের ১০৪ নম্বর আইরিশ নূরজাহান বিল্ডিংয়ের ফ্ল্যাট থেকে বের হয়ে পুরনো ঢাকার তাঁতিবাজারে অবস্থিত নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আল্পনা বুলিয়ান নামের স্বর্ণের দোকানে যাচ্ছিলেন। দুপুর একটার দিকে তিনি স্ত্রীকে মোবাইল ফোনে ঝামেলায় আছেন বলে জানান। এরপর থেকেই তার আর কোন হদিস ছিল না।

এ ব্যাপারে অমল গুপ্তের স্ত্রী আল্পনা গুপ্ত রমনা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে তাঁর স্বামীকে অনৈতিক উদ্দেশ্যে বা লেনদেন সংক্রান্ত কোন বিষয়াদির জের ধরে অপহরণ করে মুক্তিপণের জন্য অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখা হতে পারে বলে আশঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয়। এর সঙ্গে তার স্বামীর ব্যবসায়িক পার্টনার মহসীন, হাশেম, হাশেমের বড় ভাই তোরাব, সামাদ ও নিজাম জড়িত থাকতে পারেন বলে তিনি সন্দেহ পোষণ করেন।

রমনা মডেল থানার ওসি মশিউর রহমান জনকণ্ঠকে বলেন, অভিযুক্তদের মধ্যে হাশেমকে রাজশাহী থেকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: