১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

মাহফুজ আনামের ভুল স্বীকার করা প্রসঙ্গে


ডেইলি স্টার এবং প্রথম আলো এই দুটি পত্রিকার আমি দীর্ঘকালের সমালোচক। কোন ব্যক্তিগত কারণে নয়, দীর্ঘকাল আগেই আমার মনে হয়েছে, পত্রিকা দুটি সাংবাদিকতার সুষ্ঠু নীতিমালা অনুসরণ করছে না, নিরপেক্ষ সংবাদপত্র তো তারা নয়ই। বিগ বিজনেস, এক শ্রেণীর বিগ এনজিও এবং দেশের কায়েমী স্বার্থের পক্ষে তারা নিরপেক্ষতার নামে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার এমন বিরোধিতার নীতি গ্রহণ করেছিল, যা অনেক সময় দেশের স্বাধীনতাবিরোধী চক্র ও স্বৈরাচারী মহলগুলোতেও শক্তি যুগিয়েছে।

আমার এ ধারণা যে অসত্য বা পক্ষপাতমূলক ছিল না এবং এখনও নয় তা এতদিন পরে হলেও প্রমাণিত হয়েছে সম্প্রতি ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনামের একটি ভুল স্বীকারের ফলে। ইংরেজী দৈনিকটির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এটিএন টেলিভিশনের এক অনুষ্ঠানে প্রশ্নের মুখে সম্পাদক মাহফুজ আনাম স্বীকার করেন যে, সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের সরবরাহ করা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুর্নীতির খবরের সত্যতা যাচাই না করেই প্রকাশ করে তার সাংবাদিকতা জীবনের সব চাইতে বড় ভুল তিনি করেছেন। তিনি বলেছেন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অসত্য খবরটি ছাপানো তার সাংবাদিকতার জীবনে সম্পাদক হিসেবে একটা বিরাট ভুল। এটা তিনি স্বীকার করে নিচ্ছেন।

প্রথমে তিনি সম্পাদক হিসেবে নিজের এই ভুল স্বীকার করতে চাননি। পরে এক সাংবাদিক যখন ডেইলি স্টার থেকেই এই ধরনের অসত্য খবর প্রচারের উদাহরণ তুলে ধরেন, তখন মাহফুজ আনাম ভুল স্বীকার করেন। ডেইলি স্টারের খবরে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ তোলা হয়েছিল। খবরটি সরবরাহ করেছিল সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা। এই খবরের কোন সত্যতা ছিল না। কিন্তু তা যাচাই না করেই পত্রিকাটিতে ঢালাওভাবে প্রকাশ করা হয়।

তখনই অভিযোগ উঠেছিল ডেইলি স্টার এবং প্রথম আলো পত্রিকা দুটি দেশে নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের শাসনের অবসান ঘটিয়ে অসাংবিধানিক ও অনির্বাচিত সরকার দ্বারা দেশ পরিচালনার লক্ষ্যে ক্যাম্পেনের অংশ হিসেবে হাসিনাবিরোধী প্রচারণা শুরু করেছিল এবং সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও তাদের মাইনাস টু ফর্মুলাতেও সমর্থন জানিয়েছিল। অনেক পর্যবেক্ষকের অভিযোগ, পত্রিকা দুটির এই ভূমিকা দেশে গণতান্ত্রিক শাসনের সম্ভাবনা দূর করে সেনাশাসন দীর্ঘায়িত করার কাজে সাহায্য যোগাতে চেয়েছে।

এটা শুধু সাংবাদিকতার নীতিমালা ভঙ্গ করা নয়, একটা অপরাধও। রাজনীতিকদের ঢালাওভাবে দুর্নীতিবাজ সাজিয়ে দেশের বিগ বিজনেস ও বিদেশী অর্থ পুষ্ট বিগ এনজিওর সমর্থিত কিছু এলিট ক্লাসের মানুষকে গুড গভর্নেন্সের ধারক বাহক হিসেবে তুলে ধরে অনির্বাচিত ও অগণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার এই চেষ্টা আর যাই হোক দেশপ্রেমের পরিচায়ক নয়।

মাহফুজ আনাম অবশ্য এই অভিযোগটি অস্বীকার করতে চেয়েছেন। তিনি ২০০৭ সালে ডেইলি স্টারে প্রকাশিত তার একটি সম্পাদকীয় গত সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) আবার প্রকাশ করে প্রমাণ করতে চেয়েছেন, তার বিরুদ্ধে হাসিনা-বিরোধিতার অভিযোগটি সত্য নয়, আমার ধারণা, মাহফুজ আনাম তার অতীতের ভুল স্বীকার করেছেন এটাই বড় কথা। কোন পত্রিকার দু’-একটি সম্পাদকীয় দ্বারা পত্রিকাটির পাতার সম্পাদকের নীতির বিচার করা যায় না। বিচার করা যায়, পত্রিকাটির দীর্ঘকালের অনুসৃত নীতির ধারাবাহিকতা দ্বারা। ডেইলি স্টারের সাংবাদিকতার এই ধারাবাহিকতা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, জন্মের পর থেকে না হলেও এই পত্রিকাটি দীর্ঘকাল ধরে নিরপেক্ষতার আবরণে আওয়ামী লীগ সরকার ও শেখ হাসিনার যে সমালোচনা করে আসছে, তাতে হাসিনা-বিদ্বেষ ও আওয়ামী লীগ-বিরোধিতার ছাপটি লুকানো যায়নি।

প্রয়াত সাংবাদিক এসএম আলী কর্তৃক ডেইলি স্টার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর পত্রিকাটি নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার নীতি অনেকটাই অনুসরণ করে চলেছে। এমনকি মাহফুজ আনাম সম্পাদনার দায়িত্ব গ্রহণের পরও ডেইলি স্টারের নিরপেক্ষ চরিত্র সম্পর্কে খুব বড় রকমের প্রশ্ন ওঠেনি। কিন্তু ভোরের কাগজ ছেড়ে আসা সম্পাদক মতিউর রহমানের সঙ্গে মিলে স্টারের সহোদর বাংলা দৈনিক প্রথম আলো প্রকাশের পর স্টার এবং আলো মিলে নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার সাইনবোর্ড টাঙিয়ে যা শুরু করেন তা মোটেও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা নয়।

ভাব দেখানো হয়েছে তারা আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে একই পাল্লায় রেখে সমালোচনা করছেন, কিন্তু প্রকারান্তরে হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে বেশি হেয় করার চেষ্টাটা তাতে ঢাকা থাকেনি। মাঝে মাঝে তাকে হাসিনা-ফোবিয়া বলেও মনে হয়েছে। এই ফোবিয়াটা মাহফুজ আনামের মধ্যে আগে ততটা ছিল না। কিন্তু মতিউর রহমানের সঙ্গে মিলে সাংবাদিকতা শুরু করার পর আওয়ামী লীগ ও হাসিনা-বিরোধিতার (এমনকি তারই স্বীকৃতি অনুযায়ী হাসিনা সম্পর্কে অসত্য খবর প্রকাশও) প্রবণতা তার মধ্যে বেড়ে যেতে দেখা যায়। অনেকে বলেন, এই অশুভ প্রবণতাটি মাহফুজ আনাম সম্ভবত মতিউর রহমানের কাছ থেকেই গ্রহণ করেছিলেন। অর্থাৎ তার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন। আমি ঢাকা থেকে বহুদূরে থাকি, তাই মাহফুজ আনাম ও মতিউর রহমান সাংবাদিকতায় কে কার অলঙ্কার হয়েছিলেন তা সঠিকভাবে বলতে পারব না।

ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোর উদগ্র আওয়ামী লীগ ও হাসিনা-বিদ্বেষ প্রকাশ পেয়েছে ২০০১ সালের নির্বাচনের সময়। তখনকার রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা লতিফুর রহমানকে প্রভাবিত করার কাজে তখন যেসব রাজনীতিক (যেমন ড. কামাল হোসেন, ডাঃ বদরুদ্দোজা চৌধুরী, তথাকথিত সুশীল সমাজের কয়েকজন) ও সাংবাদিকের নামে অভিযোগ শোনা গিয়েছিল তাদের মধ্যে মাহফুজ আনাম ও মতিউর রহমানের নামও ছিল।

এই অভিযোগ কতটা সঠিক ছিল তা আমার জানা নেই। কিন্তু ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোর প্রচার ও প্রচারণার ধারা দেখে একজন বালকেরও বুঝতে বাকি থাকেনি, তারা কোন্্দিকের পালে হাওয়া দিচ্ছেন। এটা বলতে আমার দ্বিধা নেই, ২০০১ সালে দেশের ভাগ্য নির্ধারণকারী সেই নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোটকে জেতানোর কাজে ছিল স্টার ও আলোর বিরাট অবদান। আওয়ামী লীগের যত দোষ-ত্রুটি থাক এই দলটির একটি গণতান্ত্রিক ভিত্তি এখনও আছে। তাকে রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে হটিয়ে একটি সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদী গোষ্ঠীকে গণতন্ত্রের নামে ক্ষমতায় বসতে দেয়ার কাজে প্রচ্ছন্ন সাহায্যও একটি নিরপেক্ষ মিডিয়া গোষ্ঠীর ভূমিকা হতে পারে না।

২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনেও স্টার-আলো মিডিয়া গোষ্ঠীর একই ভূমিকা ছিল। তবে আরও একটু প্রচ্ছন্নভাবে। ২০০১ সালের নির্বাচনের সময়ে তাদের ভূমিকাটি দেশের মানুষের কাছে ধরা পড়ে গিয়েছিল। ফলে তারা সতর্ক হয়েছেন। তাছাড়া সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষমতায় থাকার কাজে প্রচ্ছন্ন সমর্থন দান এবং সেই সরকারের মাইনাস টু ফর্মুলায় নীরব সম্মতিদানের ভূমিকা ধরা পড়ে যাওয়ায় ২০০৮ সালের নির্বাচনের সময় দুটি পত্রিকাকেই সতর্ক হতে হয়েছিল। কিন্তু গোঁফ দেখে যেমন শিকারি বিড়াল চেনা যায়, তেমনি ২০০৮ সালের নির্বাচনের সময়েও ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোর প্রচারণার ধারা দেখে অনেকেরই বুঝতে বাকি থাকেনি, এই মিডিয়া গ্রুপের আসল লক্ষ্যটা কি?

এই লক্ষ্যটা ছিল দুর্নীতি, অযোগ্যতা, গুড গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠায় অক্ষমতাÑ ইত্যাদি অভিযোগ রাজনীতিক ও রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে তুলে (সামরিক শাসকেরা রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগটি ক্ষমতা দখলের জন্য ব্যবহার করেন) দেশে নব্য ধনী ও বিগ বিজনেসের (পেছনে বিশ্বধনবাদের পৃষ্ঠপোষকতা) অনুগ্রহপুষ্ট একটি অনির্বাচিত অরাজনৈতিক সরকার প্রতিষ্ঠা। এই সরকার প্রতিষ্ঠার কাজে বিএনপির চাইতেও আওয়ামী লীগ ও হাসিনা নেতৃত্ব বড় বাধা। কারণ, আওয়ামী লীগের একটি গণতান্ত্রিক চরিত্র এবং হাসিনা নেতৃত্বের একটা গণসমর্থনের শক্ত ভিত্তি রয়েছে। তাই কায়েমী স্বার্থের প্রতিনিধি হিসেবে ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোর মুখ্য ভূমিকা ছিল (এবং এখনও আছে) নিরপেক্ষতার আড়ালে প্রচ্ছন্ন প্রচার অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার জনসমর্থনের ভিত্তিটাকে ধ্বংস করে ফেলা।

ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো যে বিগ বিজনেস এবং বিগ এনজিওর স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে তার প্রমাণ খোঁজার জন্য বেশি দূরে যাওয়ার দরকার নেই। মাহফুজ আনামের ভুল স্বীকার সংক্রান্ত খবরেই বলা হয়েছে এই মিডিয়া গ্রুপের পরিচালক ট্রান্সকম গ্রুপের লতিফুর রহমান একজন বড় শিল্পপতি (আবার বিএনপির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন)। সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেই (২০০৭) দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিদের তালিকায় তার নাম দেখা গিয়েছিল।

ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো পত্রিকায় হাসিনা ফোবিয়া সকল সীমা অতিক্রম করে যখন তারা গ্রামীণ ব্যাংককে অব্যবস্থাপনা দূর করার জন্য সরকারী উদ্যোগের বিরুদ্ধে ড. ইউনূসের দেশের স্বার্থবিরোধী ভূমিকাকে অন্ধ সমর্থন দিতে শুরু করে। বিদেশী হস্তক্ষেপ ডেকে এনে ড. ইউনূস তার নোবেল প্রাপ্তির প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে যেভাবে হাসিনা সরকারকে ক্ষমতা থেকে হটানোর জন্য উঠে পড়ে লেগেছিলেন, তা জানা থাকা সত্ত্বেও এই পত্রিকা দুটি ড. ইউনূসের প্রতি যে পক্ষপাত দেখায় এবং প্রকারান্তরে ইউনূস সেন্টারের মুখপত্রে পরিণত হয় তা সৎ সাংবাদিকতার কোন নীতিমালা দ্বারা ব্যাখ্যা করা যাবে না।

মাহফুজ আনাম ২০০৭ সালে (শেখ হাসিনা গ্রেফতার হওয়ার কিছু পর) তার লেখা একটি সম্পাদকীয়ের পুনর্মুদ্রণ দ্বারা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন তিনি হাসিনা বিরোধী অথবা বিদ্বেষী নন। কিন্তু আমি তার দশটা সম্পাদকীয় তুলে ধরে দেখাতে পারি, তার সাংবাদিকতা কতটা পক্ষপাতদুষ্ট এবং আওয়ামী লীগ ও হাসিনা বিরোধিতার মানসিকতা দ্বারা প্রভাবিত। তা না হলে তার মতো আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অভিজ্ঞ এক সাংবাদিকের পক্ষে পর পর দুই বছর জিয়াউর রহমানের মতো এক ক্ষমতালোভী জেনারেলের মৃত্যুবার্ষিকীতে দীর্ঘ সম্পাদকীয় লিখে এ কথা প্রমাণ করার চেষ্টা করা সম্ভব হতো না যে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে গণতন্ত্র ধ্বংস করেছেন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করেছেন। তারপর জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে দ্বিদলীয় গণতন্ত্র পুনর্প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছেন। ১৭শ’ মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসার ও জওয়ান (কর্নেল তাহেরসহ) হত্যাকারী জিয়াউর রহমানকে তিনি এই বলে প্রশংসা করেছেন যে, জিয়াউর রহমান আর্মিতে ভেঙ্গে পড়া চেইন অব কমান্ড পুনর্প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

তবু দীর্ঘকাল পরে হলেও মাহফুজ আনাম তার সাংবাদিকতা সম্পর্কে যে ভুল স্বীকার করেছেন, সে জন্য তাকে অভিনন্দন জানাই। তার এই ভুল স্বীকারের মধ্যেও একটা সাংবাদিক সততা ও বিবেক বুদ্ধির আভাস আমি পেয়েছি। যে ভুল তিনি করেছেন তা তার একার ভুল নয়। দেশে বিগ বিজনেস ও একশ্রেণীর বিগ এনজিও গুড গভর্নেন্সের নামে অগণতান্ত্রিক ও অরাজনৈতিক সরকার প্রতিষ্ঠার যে চক্রান্ত শুরু করেছিল এবং যে চক্রান্তের সহায়ক শক্তি হিসেবে খাড়া হয়েছিল একটি তথাকথিত সুশীল সমাজ এবং একটি তথাকথিত নিরপেক্ষ মিডিয়া গ্রুপও, তারই চক্রে বাধা পড়েছিলেন তিনি। দশ চক্রে ভগবান ভূত হয়েছেন। মাহফুজ আনাম তার ভুল স্বীকার করার মতো সাহস দেখিয়ে যদি এই দশ চক্র থেকে নিজেকে মুক্ত করতেও সাহস দেখান তাহলে তাকে শাবাশ দেব। বলব, তিনি যেন বাংলাদেশে বস্তুনিষ্ঠ ও সৎ সাংবাদিকতার জয় পতাকা তুলে ধরার কাজে সকলকে পথ দেখান।

[লন্ডন, ৯ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার, ২০১৬]