১৭ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

কিশোরগঞ্জে সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব অধিনায়কের অপসারণ দাবি


নিজস্ব সংবাদদাতা, কিশোরগঞ্জ ॥ বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কর্তৃক সদরের যশোদলে কিশোরগঞ্জ টেক্সটাইল মিলে স্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তর সরিয়ে ফেলা নিয়ে শহরে এক ধরনের উত্তেজনা বিরাজ করছে। কিশোরগঞ্জে র‌্যাব-১৪ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোঃ রিয়াদুল ইসলাম কর্তৃক নামফলক ভেঙে ফেলার ধৃষ্টতায় মঙ্গলবার দুপুরে আনুষ্ঠানিক তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জেলার মুক্তিযোদ্ধারা ও এলাকাবাসী। জেলা যুব কমা-ের উদ্যোগে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ অডিটরিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে র‌্যাবের অধিনায়ককে অপরসারণ করাসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক জিএস এনায়েত করিম অমি। পরে সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তৃতা করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমা-ার আসাদ উল্লাহ, সাবেক কমা-ার এ.বি ছিদ্দিক, যশোদল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবুল হাজী, সাবেক যশোদল ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক ছাদির, জাহেদ মিয়া, নারীনেত্রী বিলকিস বেগম, সাবেক জিএস এনায়েম করিম অমি, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শফিকুল গণি ঢালী লিমন, শহর কৃষকলী নেতা আলমগীর হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ অন্যরা।

বক্তারা বলেন, র‌্যাব সি.পি.সি-২ কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোঃ রিয়াদুল ইসলাম কিশোরগঞ্জে যোগদানের পর থেকে প্রভাব বিস্তার করাসহ স্বেচ্ছাচারি ভূমিকা পালন করছেন। টেক্সটাইল মিলে র‌্যাব ক্যাম্প স্থাপিত হলে সেখানের জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠন ও মূল্যবানের গাছপালা বিক্রি করে দিয়েছেন। তাঁর নির্দেশের কারণে ক্যাম্পের ভেতরে মসজিদে গিয়ে স্থানীয় লোকজন নামাজ আদায় করতে পারেন না। তিনি নিজের ইচ্ছেমতো কর্মকা- পরিচালনা করে বিতর্কের সৃষ্টি করছেন। সর্বশেষ গত ৫ ফেব্রুয়ারি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কর্তৃক স্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তুর ফলকটি ভেঙে ফেলে নিজের নামে নামফলক স্থাপন করেন। যা কারোই কাম্য নয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাবেক জিএস এনায়েত করিম অমি বলেন, ১৯৭৫ সালে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ টেক্সটাইল মিলটি স্থাপন করেন। পরবর্তীতে বিএনপি সরকার নামমাত্র মূল্যে মিলটি বিক্রি করে দেয়। কিন্তু বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার থাকাকালীন র‌্যাবের অধিনায়ক মহান ব্যক্তির নামফলকটি ভেঙে ফেলার ঘটনায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ বিস্মিত, হতবাক ও ক্ষুব্ধ হয়েছে। এক দশকেরও বেশি সময় আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া মিল কারখানায় বর্তমানে র‌্যাব-১৪ এর ক্যাম্প অবস্থিত।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: