মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৫ আশ্বিন ১৪২৪, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

বরিশালে উদ্বোধনের আগেই ইউপি ভবনে ফাটল

প্রকাশিত : ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬, ১২:৫১ এ. এম.

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে নির্মাণাধীন উজিরপুর উপজেলার বামরাইল ইউনিয়ন পরিষদ ভবন উদ্বোধনের আগেই ফাটল দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৮৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০১৩ সালে সানুহার এলাকায় বামরাইল ইউনিয়ন পরিষদের দ্বিতল নতুন ভবন নির্মাণের জন্য টেন্ডারের মাধ্যমে কার্যাদেশ পায় মের্সাস তালুকদার এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ইউপি সদস্য সেলিম হাওলাদার, সংরক্ষিত ইউপি সদস্য জাহানারা বেগমসহ স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, শুরু থেকেই ঠিকাদার নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে কাজ শুরু করেন। একাধিকবার ঠিকাদারের লোকজনকে এ জন্য বাধা দেয়া হয়েছে। সকল বাধা উপেক্ষা করে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়েই সম্প্রতি ইউপি ভবনের নির্মাণকাজ শেষ করা হয়। চলতি মাসের মধ্যেই নবনির্মিত ইউপি ভবন উদ্বোধনের কথা রয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকদিন আগে নবনির্মিত ভবনের কয়েকটি অংশে ফাটল দেখা দেয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, শুধু নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়েই ভবন নির্মাণ করা হয়নি। পাশাপাশি ঠিকাদার ভবনের জন্য বরাদ্দকৃত আসবাবপত্রগুলোও অত্যন্ত নিম্নমানের সরবরাহ করেছে। এ বিষয়ে বামরাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ইউসুব হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি একাধিকবার এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলীকে জানানো সত্ত্বেও তিনি প্রয়োজনীয় কোন ব্যবস্থাই গ্রহণ করেননি।

কলাপাড়ার ফতেহপুর আবাসনে গরু-ছাগল

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া, ৮ ফেব্রুয়ারি ॥ কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ফতেহপুর আবাসনটির জীর্ণদশা। চাল নেই। বেড়া নেই। অনেক ঘরের শুধু খুঁটি দাঁড়িয়ে আছে। একমাত্র টিউবওয়েলটি খারাপ হয়ে গেছে। প্রায় সাড়ে চার একর জমির উপর এ আবাসনটি নির্মাণ হয় সিডরের আগে। দশটি ব্যারাকে এক শ’ ঘর নির্মাণ করা হয়। সিডর বিধ্বস্ত হয়ে আবাসনটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে গেছে। ফলে অর্ধেক ঘর খালি পড়ে আছে। রাখা হচ্ছে গবাদিপশু। জোড়াতালি দিয়ে মাত্র ২৬টি পরিবার কোনভাবে বসবাস করছে। এরাও কেউ কেউ আবাসন ছেড়ে অন্যত্র যাওয়ার চিন্তা করছে। সকল ধরনের সুবিধাবঞ্চিত আবাসনটি যে উদ্দেশে নির্মাণ করা হয়েছিল, তা ভেস্তে গেছে। আবাসনের বাসিন্দা মাসিদা বেগম বলেন, ‘খাঁয়গো বাড়ির লোকদের অত্যাচারে এখানকার অনেক পরিবার চইল্যা গ্যাছে। তাগো মতের বাইরে কিছু করতে গেলে অত্যাচার করে।’ বৃদ্ধা মালেকা খাতুন জানান, বাইরের লোকজন আবাসনের ঘরগুলোকে গরুর ঘর বানিয়েছে। কিছু বললে আমাদের গাছপালা গরু দিয়ে নষ্ট করে দেয়। খাদিজা বেগম জানান, পানির কল নষ্ট হওয়ায় খাঁয়গো বাড়ির কল দিয়া পানি আনতে হয়। এজন্য কল মেরামতের জন্য ঘরপ্রতি বছরে ৫০ থেকে ১০০ টাকা করে দিতে হয়। ফতেহপুর আবাসনের সভাপতি ইমাম হোসেন জানান, কাজের সন্ধানে আবাসন থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে পাখিমারা বাজারে যেতে হয়।

প্রকাশিত : ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬, ১২:৫১ এ. এম.

০৯/০২/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



শীর্ষ সংবাদ: