২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৪, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

আগামীতে শাহজিবাজারের মুনাফা বাড়বে

প্রকাশিত : ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬, ১২:৪৩ এ. এম.

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (এসপিসিএল) মুনাফায় গত দেড় বছরে বড় ধরনের ওঠা-নামা হয়েছে। কোম্পানিটির আয়ে মূল প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে তার সহযোগী প্রতিষ্ঠান পেট্রোম্যাক্স রিফাইনারি লিমিটেড। পেট্রোম্যাক্সের ব্যবসার ভালমন্দের সঙ্গে শাহজিবাজার পাওয়ারের মুনাফাও ব্যাপকভাবে ওঠা-নামা করছে বলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে। এখন বিদেশ থেকে কনডেনসেট আমদানি শুরু করায় আগামী দুই প্রান্তিকেই মুনাফা বাড়বে আশাবাদী তারা।

সোমবার কোম্পানির ৮ম বার্ষিক সাধারণ সভায় শাহজিবাজার পাওয়ারের চেয়ারম্যান রেজাকুল হায়দার এসব কথা বলেন। খামারবাড়ির কেআইবি কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় বিনিয়োগকারীদের প্রশ্নের জবাবে এমনটিই জানিয়েছেন কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, বিদেশ থেকে কাঁচামাল আমদানির পরিবর্তে দেশীয় উৎস থেকে সংগ্রহ করায় গত মাসে পেট্রোম্যাক্সের মুনাফা ব্যাপকভাবে কমেছে। এর প্রভাবে শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস কমেছে শাহজিবাজার পাওয়ারের। কারণ দেশের বাজারে কনডেনসেট (প্রাকৃতিক গ্যাসের উপজাত) নামের এই কাঁচামালের দাম বিদেশের বাজারের চেয়ে অনেক বেশি। তবে তারা আবার বিদেশ থেকে কনডেনসেট আমদানি শুরু করেছে। তাই চলতি হিসাব বছরের বাকি দুই প্রান্তিকে পেট্রোম্যাক্সের মুনাফা বাড়বে। তাতে শাহজিবাজার পাওয়ারেরও মুনাফা এবং ইপিএস বাড়বে।

উল্লেখ্য, দেশে বেসরকারী খাতে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বড় পরিশোধনাগার পেট্রোম্যাক্স রিফাইনারির ৪৯ ভাগ শেয়ারের মালিক শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। পেট্রোম্যাক্স মূলত আমদানি করা কনডেনসেট পরিশোধন করে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল উৎপাদন করে থাকে। আমদানির অনুমতির মেয়াদ শেষ হওয়ায় কয়েক মাস কোম্পানিটি স্থানীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে সংগৃহীত কনডেনসেট দিয়ে তাদের উৎপাদন চালু রাখে।

এজিএমে রেজাকুল হায়দার বলেন, দুই কারণে পেট্রোম্যাক্সের আয় কমেছে। প্রথমত সরকার গত বছরের শুরুর দিকে দেশীয় রিফাইনারিগুলোর কাছ থেকে কেনা তেলের দাম কমিয়েছে। কিন্তু সে অনুপাতে কনডেনসেটের দাম কমানো হয়নি। এখন বিশ্ববাজারে কনডেনসেটের দাম অনেক কম। আমরা বিদেশ থেকে এ কাঁচামাল আমদানি করে থাকি। মাঝ খানে ৬ মাস আমাদের কাঁচামাল আমদানি বন্ধ ছিল। বন্ধ থাকার কারণে আমরা স্থানীয়ভাবে কাঁচামাল সংগ্রহ করতাম। তবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও কমে যায়। আবার স্থানীয়ভাবে বেশি দরে কাঁচামাল কিনতে হয়েছে বলে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। তিনি বলেন, আমরা আবার কাঁচামাল আমদানি করার অনুমতি পেয়েছি। এখন আবার কোম্পানির আয় বেড়ে যাবে।

প্রকাশিত : ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬, ১২:৪৩ এ. এম.

০৯/০২/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

ব্যবসা বানিজ্য



শীর্ষ সংবাদ:
ঢাকাসহ ২২ জেলায় নতুন ডিসি || নিম্ন আদালতের নথি এলে খালেদার জামিন আদেশ || ঢাকাসহ সব মহানগরীর শিল্প প্রতিষ্ঠান গুলোকে অর্থনৈতিক জোনে যেতে হবে ॥ নৌমন্ত্রী || এসএসসির একটি পরীক্ষা বাতিলের সুপারিশ || কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে শাহবাগে বিক্ষোভ || প্রতিটি বিভাগে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে ॥ প্রধানমন্ত্রী || পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শ্রদ্ধা || রাজশাহীতে অস্ত্র ও বিষ্ফোরকসহ জেএমবির তিন সদস্য গ্রেফতার || জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা সোমবার পর্যন্ত মুলতবি || বাউফলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাস্থলে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ॥ আহত-১০ ||