১৬ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

পেট্রোল বোমায় নিহত ৩ পরিবার এক বছরেও পায়নি ক্ষতিপূরণ


এইচএম এরশাদ, কক্সবাজার ॥ গত বছর তিন মাসের বেশি সময় ধরে খালেদা জিয়ার নিষ্ফল আন্দোলনে পেট্রোল বোমা হামলায় নিহত চকরিয়ার তিনটি পরিবারে স্বাভাবিক জীবনযাপনে দৈন্যদশা সৃষ্টি হয়েছে। অভাব অনটনের সংসারে একটু সচ্ছলতা ফেরাতে ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি স্বপ্নের কাতার যাচ্ছিলেন কক্সবাজারের চকরিয়া বরইতলীর গোবিন্দপুর গ্রামের মোহাম্মদ ইউছুপ, রাশেদুল ইসলাম বাদশা ও হারবাং গাইনাকাটার আবু তাহের। পরদিন সকালে ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে তাদের কাতার যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যাত্রাপথে ৩ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের জগমোহন এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে দুর্বৃত্তদের নিক্ষেপ করা পেট্রোল বোমার আগুনে পুড়ে অন্যদের সঙ্গে ইউছুপ ও আবু তাহের ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান। পরে ঢাকা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রাশেদুল ইসলাম বাদশা। সেই সময় ভিসার টাকা জোগাড় করতে তিনজনের পরিবার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন ভিটেবাড়ি বন্ধক ও বিভিন্ন জনের কাছ থেকে ঋণ নেয়। কিন্তু পেট্রোলবোমা হামলায় তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় এখন তাদের পরিবারে নেমে এসেছে চরম দুর্বিষহ অবস্থা। অভাব অনটনে তিনটি পরিবার মাসের বেশির ভাগ সময় অভুক্ত থাকছে বলে জানা গেছে। তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিহত ও আহতদের আর্থিকভাবে সহায়তা দেন। কিন্তু ঘটনার পর গত একবছরেও পরিবার তিনটি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির টাকা পায়নি। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির ওই টাকা পেতে জটিলতা কোথায়? তা জানে না নিহত তিনজনের বিধবা স্ত্রী-সন্তানরা।

বরইতলী ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা এটিএম জিয়াউদ্দিন চৌধুরী জিয়া বলেন, দুর্ঘটনার পর নিহত তিনজনের পরিবারের মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, উপজেলা চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে কিছু পরিমাণ সাহায্য দেয়া হয়েছে। সেই সময় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া প্রতিশ্রুতি মোতাবেক তিনটি পরিবার যাতে আর্থিক সহায়তা পায়, এ জন্য বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ইতোমধ্যে জানানোও হয়েছে। ইতোমধ্যে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যোগাযোগ করেছেন।

মোটরসাইকেলসহ আটক পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ নীলফামারীতে চোরাই মোটকসাইকেলসহ আটক গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) জাবেদ আলীকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে নীলফামারী সদর থানার ওসি শাহজাহান পাশা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন এএসআই জাবেদ আলীকে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজুর প্রস্তুতি চলছে। তাকে নীলফামারী থেকে গাইবান্ধা পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে। ওই পুলিশ সদস্য পঞ্চগড় জেলা সদরের পানিমাছপুকুরী মাহানপাড়া গ্রামের মৃত আজগর আলীর ছেলে।

অভিযোগে জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের নীলফামারী শাখার কর্মকর্তা তরিকুল ইসলামের জেলা শহরের কলেজ পাড়ার বাড়ি থেকে দুটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। ওই ঘটনায় শনিবার থানায় অভিযোগ করেন ব্যাংকের ওই কর্মকর্তা। এ অবস্থায় রবিবার ওই পুলিশ কর্মকর্তা চুরি যাওয়া একটি মোটরসাইকেল চালিয়ে নীলফামারী শহরের উপর দিয়ে তার কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন যা দেখে মোটরসাইকেলের মালিক ও এলাকাবাসী জাবেদ আলীকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেন।