২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে


নিজস্ব সংবাদদাতা, পার্বতীপুর, ৮ ফেব্রুয়ারি ॥ ৫৪ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৭৫ শিক্ষক-শিক্ষিকা শনিবার স্কুল বন্ধ রেখে পিকনিকে যাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে সোমবার জেলা শিক্ষা অফিসার স্বাক্ষরিত চিঠিতে লিখিতভাবে তাদের সর্তক করা হয়েছে। শনিবার সকালে দুই ভাগে বিভিক্ত হয়ে পার্বতীপুর উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়ন ক্লাস্টারের ২৭ ও পলাশবাড়ী ইউনিয়ন ক্লাস্টারের ২৭ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা একদিনের সংরক্ষিত ছুটি নিয়ে যথাক্রমে রংপুরের ভিন্নজগত ও নবাবগঞ্জের স্বপ্নপুরী পিকনিক স্পটে যান ৮টি বাসে করে। তাদের সঙ্গে অতিথি হিসেবে ছিলেন দুই সহকারী শিক্ষা অফিসার কামরুজ্জামান ও আজিজুল হক। ৭-৮ হাজার শিশু-কিশোর ছাত্রছাত্রীর লেখাপড়া বিঘœ ঘটিয়ে একযোগে এতগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করায় চারিদিকে হৈচৈ পড়ে যায়। কথা উঠেছে শিক্ষকদের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত শিক্ষকরা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করতে সুকৌশলে কাজটি করেছে। এদের খুঁজে বের করা দরকার। পার্বতীপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতা মোফাজ্জল হোসেন বাবু, মোকাররম হোসেন, মতিয়ার রহমান ও সমরেশ বলেছেন, তারা পাওনা সংরক্ষিত ছুটি নিয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে পিকনিকে গেছেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আখতারুল ইসলাম বলেছেন, সংরক্ষিত ছুটি প্রধান শিক্ষকের হাতে থাকে। তবে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে ছুটি ভোগ করার নিয়ম। তবে এ কাজ করে তারা বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। ইউএনও তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেছেন, শিক্ষকরা কাজটি মোটেও ভাল করেননি। ছুটির দিনে পিকনিকে গেলে সমস্যা কী ছিল। জেলা শিক্ষা অফিসার সোমবার দুপুর ১২টায় জানান, এ ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাদের প্রাপ্য সংরক্ষিত ছুটি তারা ভোগ করতেই পারে। তবে এভাবে নয়। শিক্ষকদের জোটবদ্ধ হয়ে এভাবে ছুটি ভোগের চাতুর্যের কারণ খুঁজে বের করা হবে। প্রথমে তাদের সতর্ক করা হয়েছে। এরপর জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় এনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মুক্তিযোদ্ধাকে মামলায় ফাঁসানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিজস্ব সংবাদদাতা, মাদারীপুর, ৮ ফেব্রুয়ারি ॥ মুক্তিযোদ্ধাকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে মানববন্ধন করেছে তার স্বজন ও এলাকাবাসী। সোমবার মাদারীপুর প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেয়।

মুক্তিযোদ্ধা সাহেদ আলী মাতুব্বর ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, ২০১৩ সালের ১ ডিসেম্বর রাতে রাজৈর উপজেলার পশ্চিম হাসানকান্দি গ্রামের খলিল মুন্সীর ছেলে রফিক ও রাকিব তার চাচা পুনাই মুন্সীকে ইট দিয়ে পিটিয়ে মাথা থেঁতলে দেয়। তাকে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হামলার সময় বাবা পুনাই মুন্সীকে রক্ষা করতে গেলে ছেলে মোশারফকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। ঘটনার দিন মুক্তিযোদ্ধা সাহেদ আলী মাতুব্বর নিজ বাড়িতে ছিলেন এবং তিনি এ ঘটনা সম্পর্কে অবগত নয়।