মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৯ আশ্বিন ১৪২৪, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

এক বছরে গ্রামীণফোনের আয় বেড়েছে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত : ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন ২০১৫ সালে ১০ হাজার ৪শ’ ৮০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে, যা গত বছরের তুলনায় দুই শতাংশ বেশি। একই বছর নতুন ৫২ লাখ গ্রাহক যোগ হয়ে গ্রাহকসংখ্যা উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ কোটি ৬৭ লাখে। সোমবার দুপুরে গুলশানের লেকশোর হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রাজীব শেঠি ও সিএফও দিলীপ পাল।

রাজীব শেঠি জানান, নতুন গ্রাহক ও সেবা থেকে অর্জিত রাজস্ব বেড়েছে ২ দশমিক ৪ শতাংশ। একইসঙ্গে গ্রাহকদের ব্যবহার্য ডিভাইস ও অন্য রাজস্ব বেড়েছে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। ডাটা রাজস্বের ৬৬ শতাংশ ও মূল্য সংযোজিত সেবার রাজস্ব ৩১ শতাংশ বাড়ায় এ প্রবৃদ্ধি এসেছে বলে জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গ্রাহক বাড়ায় সিম মার্কেট শেয়ার দাঁড়িয়েছে ৪৩ দশমিক ৪ শতাংশ। ডাটা গ্রাহকের সংখ্যা ৪৫ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৫৭ হয়েছে। ডাটা ব্যবহারের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় বেড়েছে প্রায় তিন গুণ। রাজীব শেঠি বলেন, বছরের শুরুটা কঠিন হলেও গ্রামীণফোন ব্যবসায়িক সাফল্য অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছে। ডাটা ছিল প্রবৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি, অন্যদিকে ভয়েস প্রতিযোগিতামূলক অফারের কারণে ছিল চাপে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আয়কর দেয়ার পর ২০১৫ সালে মুনাফা হয়েছে ১৯শ’ ৭০ কোটি টাকা, যা ২০১৪ সালে ছিল ১৯শ’ ৮০ কোটি টাকা। গ্রামীণফোনের সিএফও দিলীপ পাল বলেন, গ্রামীণফোন ২০১৫ সালে থ্রিজি নেটওয়ার্ক, টুজি নেটওয়ার্কের মান উন্নয়ন ও আইটি অবকাঠামোর দক্ষতা বাড়াতে ১৯শ’ ৩০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। ২০১৫ সালে গ্রামীণফোন সরকারী কোষাগারে ভ্যাট, শুল্ক ও লাইসেন্স ফি হিসেবে ৫ হাজার ১শ’ ১০ কোটি টাকা দিয়েছে, যা কোম্পানির মোট রাজস্ব আয়ের ৪৮ দশমিক ৮ শতাংশ।

এয়ার এশিয়া ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর

এয়ার এশিয়া এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের মধ্যে এক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে ওই ব্যাংকের সব যাত্রী এয়ার এশিয়ায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে শতকরা দশ ভাগ ডিসকাউন্ট পাবেন। এয়ার এশিয়ার পক্ষে পরিচালক মোর্শেদুল আলম চাকলাদার এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের পক্ষে হেড অব মার্কেটিং মোহাম্মদ মাহিউল ইসলাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। প্রসঙ্গত, মালয়েশিয়ার এই এয়ারলাইন্সটি কয়েক মাস আগে ঢাকা থেকে তাদের ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে। ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরসহ পৃথিবীর ১২৩টি গন্তব্যে এয়ারলাইন্সটি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। সাশ্রয়ীমূল্যে টিকেট এবং ভাল যাত্রী পরিষেবা দিয়ে ইতোমধ্যেই তারা জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। চুক্তি স্বাক্ষর প্রসঙ্গে এয়ারলাইন্সের পরিচালক মোর্শেদুল আলম চাকলাদার বলেন, পর্যায়ক্রমে আমরা আরও কিছু প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এ ধরনের চুক্তি করব। আমরা শুধু সস্তায় টিকেটই দিচ্ছি না যাত্রীসেবার দিকেও খেয়াল রাখছি। শুধু তাই নয়, ফ্লাইট সিডিউলের ক্ষেত্রেও আমরা যথেষ্ট সজাগ রয়েছি। সহসাই আমরা দিনে একাধিক ফ্লাইট পরিচালনা করতে সক্ষম হব। -বিজ্ঞপ্তি

প্রকাশিত : ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

০৯/০২/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: