১৮ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

ইউপি প্রার্থী তালিকা দিতে তৃর্ণমূলকে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নির্দেশ


অনলাইন রিপোর্টার ॥ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের জন্য দলের পূর্ব সিদ্ধান্ত মোতাবেক তৃর্ণমূল থেকে প্রার্থী তালিকা কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছে আওয়ামী লীগ। আজ সোমবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের এক যৌথসভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা প্রত্যেকটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দকে দ্রুত বৈঠকের মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই করে তালিকা দলের প্যাডে পাঠানোর জন্য আমরা অনুরোধ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ি ইউপি মোতাবেক জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা দিবেন।

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে যেসব উপজেলা সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গত পৌরসভা নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচন বা বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন তারা বাছাই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবে না।

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যারা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হবেন কিংবা দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকান্ড করবেন, তাদেরকেও গঠনতন্ত্র অনুযায়ি সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হবে।

বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের এই নেতা, পৌর নির্বাচনে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী ছিল তাদের দল থেকে প্রাথমিকভাবে বহিস্কার করা হয়েছে। তাদের চূড়ান্ত বহিষ্কার কেনো করা হবে নাÑ এ জন্য কারণ দর্শানোর নোটিস দেয়া হয়েছে। বিদ্রোহী প্রার্থীদের পক্ষে দলের যে সমস্ত নেতা অবস্থান নিয়েছিল তাদের তালিকা করতে সাংগঠনিক সম্পাদকদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সে তালিকা কেন্দ্রে জমা দেবে। দলের আগামী কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

সম্প্রতি ডেইলী স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামের বক্তব্য সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ঘটনার আট বছর পর একটি দৈনিকের সম্পাদক এ বিষয়টি স্বীকার করলেন, ‘তারা এটা ভুল করেছেন’। কিন্তু এ ভুলের জন্য দেশবাসীর যে ক্ষতি হয়েছে, শেখ হাসিনাকে কারা বাস করতে হয়েছিল। সারা বিশ্বের কাছে শেখ হাসিনার সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছিল ও অপমানিত হতে হয়েছিল। তার দায়ভার কে নিবে? এর দায়ভার এড়ানোর সুযোগ নেই।

হানিফ বলেন, এ স্বীকারোক্তির মধ্যদিয়ে জাতির কাছে পরিস্কার হয়েছে ১/১১ প্রেক্ষাপটে যে শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার জন্য ষড়যন্ত্র ছিল। সে কারণে বিভিন্ন পত্রিকায় ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছিল। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। মিথ্যা কাল্পনিক অভিযোগে তিনি ১১ মাস কারগারে ছিলেন। যার বিরুদ্ধে সারা দেশের মানুষ প্রতিবাদ জানিয়েছিল।

এর আগে যৌথসভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি ও এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবীর নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন ও কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ড. আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: