২২ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

দ্রুত অপরাধী শনাক্ত করতে যৌথ তথ্য ভাণ্ডার


স্টাফ রিপোর্টার ॥ অপরাধীদের দ্রুত শনাক্তকরণ ও অতীতের সব গোপন কাহিনী সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যাবে র‌্যাব ও কারাগারের যৌথ তথ্যভা-ারে। এ পদ্ধতিতে জানা যাবে যে কোন অপরাধীর ২০০ ধরনের তথ্য। অপরাধীর ১০ আঙ্গুলের বায়োমেট্রিক ছাপ এবং দুই চোখের বায়োমেট্রিক ইমেজ নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এটি। রবিবার র‌্যাব সদর দফতরে বহুল প্রতীক্ষিত এ তথ্যভা-ারের শুভ উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জিয়াউল আহসানের তত্ত্বাবধানে র‌্যাব ক্রিমিনাল ডাটাবেজের অনুকরণে এটি তৈরি করা হয়েছে। এটি পরিচালনায় থাকবে র‌্যাব ও কারাগার কর্তৃপক্ষ। র‌্যাব ও কারাগার থেকে দক্ষ অপারেটর তৈরি করা, ৬৮টি কারাগারে ওয়ার্ক স্টেশন পৌঁছানো এবং ৬৮টি কারাগারে ফাইবার অপটিকস্ ল্যান নেটওয়ার্কের ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ নিয়ে র‌্যাব-প্রিজন ইনমেট ডাটাবেজ তৈরি করা হয়। র‌্যাব-প্রিজন ইনমেট এনরোলমেন্ট ওয়ার্কস্টেশন ল্যাপটপ, ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার, আইরিশ স্ক্যানার, ডিজিটাল এসএলআর ক্যামেরা, সফটওয়্যার ও একজন দক্ষ অপারেটর নিয়ে গঠিত।

জানা যায়, প্রতিদিন প্রতিটি কারাগারে যে সংখ্যক অপরাধী প্রবেশ হয়, দিন শেষে তার পরিসংখ্যান প্রতিটি কারাগারের নামে ডাটাবেজে সংগৃহীত হয়। প্রতিদিন যে সংখ্যক অপরাধী কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হয় এবং কারাগার ট্রান্সফার হয়, তা ডাটাবেজে সংগৃহীত হয়। প্রতিদিন যে সংখ্যক অপরাধী প্রতি কারাগার থেকে কোর্ট ভিজিটে এবং সিভিল হাসপাতালে যায়, তার ডাটাবেজ সংগৃহীত হয়। যে কোন অপরাধী কারাগারে এনরোলমেন্টের সময় ফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাচিংয়ের মাধ্যমে অন্যান্য কারাগারে অথবা একই কারাগারে কতবার তিনি আটক হয়েছে তার বিস্তারিত জানা যায়। অপরাধের ধরন অনুযায়ী এ ডাটাবেজ থেকে সার্চ করে প্রতি কারাগারে অপরাধীর সংখ্যা সহজে নিরূপণ করা যায়।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: