২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ত্রিশ লাখ শহীদের কথাই বলতেন খালেদা জিয়া


সংসদ রিপোর্টার ॥ বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া পাকিস্তানী প্রভুদের শেখানো বুলি তোতা পাখি বা ময়না পাখির মতো আওড়াচ্ছেন। ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী থাকার সময়ে প্রতিবছর স্বাধীনতা এবং বিজয় দিবসে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে ত্রিশ লাখ শহীদের কথা উল্লেখ করতেন। কয়েক যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি কার্যকরের পরই তিনি ত্রিশ লাখ শহীদের সত্য অস্বীকার করছেন। অচিরেই মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে বিতর্কিত কথা বলার জন্য বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে যে আইন আছে বাংলাদেশেও এই আইন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রবিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি আরও জানান, মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতার বিরোধিতা করা ও পাকবাহিনীর সহায়ক হিসেবে কাজ করা রাজাকারদের নামসহ তালিকা প্রণয়নের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এ ধরনের তালিকা সরকারীভাবে আগে কখনও করা হয়নি।

সরকারদলীয় সংসদ সদস্য এ কে এম শাহজাহান কামালের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া এককালের প্রধানমন্ত্রী। তিনি যেভাবেই হোক দশ বছর দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। সাকা চৌধুরী এবং মুজাহিদের ফাঁসি হওয়ার পর পাকিস্তানের পার্লামেন্টে অনেক কথা বলা হয়েছে, নিন্দা করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধে এত লোক মারা যায়নি তা অস্বীকার করা হয়েছে। তারা যা যা বলেছে দুইদিন পরে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী তিনিও একই কথা উচ্চারণ করেছেন। যা করার পর বাংলাদেশে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু খালেদা জিয়ার এই কথা মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তিরা মেনে নিতে পারেনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমি মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী হিসেবে বেগম জিয়ার ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে প্রতিবছর স্বাধীনতা এবং বিজয় দিবসে জাতির উদ্দেশে দেয়া বাণী ও ক্রোড়পত্র সংগ্রহ করে দেখেছি সেখানে তিনি প্রতিবারেই ত্রিশ লাখ শহীদ ও দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা বলেছেন। কিন্তু আজকে তিনি পাকিস্তানী প্রভুদের শেখানো বুলি তোতা পাখি বা ময়না পাখির মতো আওড়াচ্ছেন। তার এই বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসী সপক্ষ শক্তির মানুষরা খুব বেশি উদ্বিগ্ন। তারা সংবিধান ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে স্বীকৃত বিষয়গুলো নিয়ে আইন করার দাবি করছে। অচিরেই মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে বিতর্কিত কথা বলার জন্য বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে যে আইন আছে বাংলাদেশেও এই আইন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চলতি বছরের শীতকালীন সময়সূচী থেকে ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট ॥ চলতি বছরের শীতকালীন সময়সূচী থেকে নিউইয়র্কে বিমানের ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

সরকারী দলের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ফেডারেল এভিয়েশন এ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) ইউএসএ-এর সেফটি অডিট অনুযায়ী বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএবি) বর্তমানে ক্যাটাগরি-টু এর আওতাভুক্ত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এ মুহূর্তে বিমানের ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: