২৫ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

আলতাফ মাহমুদ নতুন প্রজন্মের কাছে অনুকরণীয়


স্টাফ রিপোর্টার ॥ গণতন্ত্রে উত্তরণ পর্বে সামরিকতন্ত্রের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম চেতনাধারী বঙ্গবন্ধুর আদর্শধারী সাংবাদিক নেতা ছিলেন আলতাফ মাহমুদ। প্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে ও সাংবাদিকদের প্রতি বৈষম্য দূরীকরণের আন্দোলনের অন্যতম পৃথিকৃৎ ছিলেন তিনি। তিনি ছিলেন নির্ভীক বস্তুনিষ্ঠ ও ভেতরে- বাইরের এক রকম সমাজ ও ইতিহাস সচেতন দায়িত্বশীল সাংবাদিক। নতুন প্রজন্মের কাছে অনুকরণীয় এ ব্যক্তি তাই দেশ বরেণ্য হতে পেরেছিলেন। রবিবার রাজধানীর প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) সেমিনার হলে সদ্য প্রয়াত সাংবাদিক আলতাফ মাহমুদ স্মরণে আয়োজিত এক স্মরণসভায় স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এমপি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) পক্ষ থেকে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ সদস্য হিসেবে আলতাফ মাহমুদের মৃত্যুতে তার পরিবারকে দ্রুত ৩ লাখ টাকা প্রদানের ঘোষণা দেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিক সমাজের বিভিন্ন সময়ে সৃষ্ট কিছু আবর্জনা দূর করে সংবাদপত্রকে বৈষম্য দূর করে ও এগিয়ে নিতে অসাসামন্য অবদান ছিল আলতাফ মাহমুদের। তিনি সংবাদপত্রে কর্মরতদের জীবনমান উন্নয়নে দিনরাত পরিশ্রম করেছেন। তিনি একাধারে সাংবাদিক, সংস্কৃতি কর্মী ও গণতন্ত্রের উন্নয়নে একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। তাছাড়া এর বাইরে একজন ভাল বাবাও ছিলেন। তাছাড়া দায়িত্বশীল ও নির্ভীক এ নেতা প্রধানমন্ত্রীর কাছেও সাংবাদিকদের দাবি তুলে ধরতে সামান্য দ্বিধা করতেন না। এমন সাহসী সাংবাদিক নেতা হওয়া খুবই কঠিন। সংবাদপত্রের উন্নয়নে তিনি প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলতেন। বিভিন্ন আলোচনার মাধ্যমে সংবাকর্মীদের সকল প্রকার সমস্যা দূর করতে আমৃত্যু কাজ করে গেছেন। সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নির্বাচিত হলেও দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। সংবাদপত্রে ভাল কাজের মান বাড়াতে ও খারাপ কাজের পরিমাণ কমাতে সাংবাদিক হিসেবে তিনি ছিলেন সফল। গণমাধ্যমর জন্য এ রকম আলতাফ মাহমুদ সৃষ্টি হওয়া অতি প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি শফিকুর রহমান স্মৃতিচারণ করে বলেন, আলতাফ মাহমুদ ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন কর্মী। পিআইবির পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারপার্সন গোলাম সারোয়ারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মমতাজ উদ্দীন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব উমর ফারুক প্রমুখ।