২৩ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৪ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

দেড় মাসেও হয়নি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা


মাকসুদ আহমদ, চট্টগ্রাম অফিস ॥ দেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নেয়ার প্রচেষ্টায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে বিভাগীয় শহরগুলো। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের নিয়ম-নির্দেশনা মানছে না সরকারী দফতরগুলো। এমন অভিযোগ সাধারণ মানুষের। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এ-টু-আই প্রোগ্রাম উপলক্ষে প্রেরিত গত ১৩ ডিসেম্বরের চিঠিতে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা ও পুরস্কার প্রদানবিষয়ক অনুষ্ঠান আয়োজনে পিছিয়ে পড়েছে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়। গত ছয় বছর ধরে এ ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা আয়োজনের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তরুণ সমাজকে তথ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে উন্নয়নের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ে মেলা আয়োজন না করে বরং সরকারী বিভিন্ন দফতরের ৫৫ জনকে আমন্ত্রিত অতিথি বানানোর চেষ্টা করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার দফতর।

জানা গেছে, গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের জনপ্রেক্ষিত বিশেষজ্ঞ নাইমুজ্জামান মুক্তার পক্ষ থেকে দেশের ৬৪টি জেলা প্রশাসকদের দফতরে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা আয়োজনের নির্দেশনা দেয়া হয়। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে বিভাগীয় পর্যায়ে এ মেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিভাগীয় কমিশনার দফতরের কর্মকর্তাদের দায়িত্বহীনতার কারণে চট্টগ্রামে নির্দিষ্ট সময়ে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়নি।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি বুধবার সকালে বিভাগীয় পর্যায়ের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এ-টু-আই প্রোগ্রামের তত্ত্বাবধানে এক প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় কমিশনার রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৩ মার্চ থেকে ৩ দিনব্যাপী এ মেলা আয়োজনের জন্য চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়ামের প্রাঙ্গণ নির্ধারণ করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের আন্দোলন পিছিয়ে যাচ্ছে সরকারী কর্মকর্তাদের কারণে। মেলা ও পুরস্কারসংক্রান্ত গাইড লাইন ই-মেইলের মাধ্যমে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে যোগাযোগের কথা থাকলেও তা হচ্ছে না অজ্ঞতা ও দায়িত্বহীনতার কারণে।

প্রশ্ন উঠেছে, সরকারি বাজেট বরাদ্দ থেকে শুরু করে সিডিউল পর্যন্ত সবকিছু নির্ধারণের পরও কেন বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে এ মেলা সঠিক সময়ে অনুষ্ঠিত হয়নি। বিভাগীয় কমিশনার দফতর সূত্রে জানা গেছে, ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সরকারী-বেসরকারী সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের ই-সেবা প্রসঙ্গে অবহিত করতে ২০১০ সালের প্রথমবারের মতো এ মেলার আয়োজন করা হয়।