মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৭ আশ্বিন ১৪২৪, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

আমাকে নির্বিঘ্নে দূতাবাস ত্যাগ করতে দিন ॥ এ্যাসাঞ্জ

প্রকাশিত : ৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

লন্ডনে ইকুয়েডরের দূতাবাস অবাধে ত্যাগ করতে দিতে ব্রিটেন ও সুইডেনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান এ্যাসাঞ্জ। জাতিসংঘের একটি প্যানেল এ্যাসাঞ্জকে বিধিবহির্ভূতভাবে আটকে রাখা হয়েছে এবং এ জন্য তাকে ক্ষতিপূরণ দেয়া উচিত বলে একটি জাতিসংঘ প্যানেল সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর তিনি শুক্রবার ঐ আহ্বান জানান। খবর ইয়াহু নিউজের।

সুইডেনে ধর্ষণের তদন্ত এড়ানোর জন্য ২০১২’র জুন থেকে লন্ডনে ইকুয়েডরের দূতাবাসে আটকাবস্থায় রয়েছেন এ্যাসাঞ্জ। কম্পিউটার হ্যাকার এ্যাসাঞ্জ হাজার হাজার মার্কিন কূটনৈতিক গোপন তথ্য ফাঁস করে দিলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রোধের শিকার হন তিনি। এ্যাসাঞ্জের স্বাধীনতা খর্ব করা হচ্ছে এবং তিনি স্বেচ্ছায় দূতাবাসে অবস্থান করছেন না, এ কথা অস্বীকার করেছে ব্রিটেন ও সুইডেন। ব্রিটেন বলেছে, জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত আপত্তি জানাতে পারে লন্ডন।

অস্ট্রেলীয় নাগরিক এ্যাসাঞ্জ জাতিসংঘ প্যানেলের কাছে আবেদনে বলেছেন, তিনি একজন রাজনৈতিক শরণার্থী এবং আশ্রয় নেয়ার জন্য তাকে ইকুয়েডরে যেতে দেয়া হচ্ছে না বলে তার অধিকার খর্ব করা হয়েছে। জাতিসংঘ রুলিং দিয়েছে এ্যাসাঞ্জের পক্ষে যদিও প্যানেলের এ সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত নয়। পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট প্যানেলের ৩ জন সিদ্ধান্ত দিয়েছেন এ্যাসাঞ্জের পক্ষে। ১ জন ভিন্নমত পোষণ করেছেন ও ১ জন বিরত থেকেছেন। এ্যাসাঞ্জ প্যানেলের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য ব্রিটেনও সুইডেনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। অবশ্য, জাতিসংঘ প্যানেলের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া বাধ্যতামূলক নয়। সোনালি রঙের টাই পরিহিত এ্যাসাঞ্জ বলেন, কী চমৎকার, এটা আমার জন্য এক বিজয় যা অস্বীকার করা যায় না। তিনি বলেন, আমার সন্তানদের ও তাদের বাবাকে অস্বীকার করার কি কোন অধিকার আছে এ সরকারের বা মার্কিন সরকারে বা সুইডিশ সরকারের? হলদে, নীল ও লাল রঙের ইকুয়েডরীয় পতাকার নিচে এ প্রশ্ন রাখছিলেন তিনি। তাকে বার বার জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি এ দূতাবাসে আরও ৫ বছর অবস্থান করবেন কিনা। তিনি পরিহাসের সঙ্গে জবাব দেন, কেউ কি কাছাকাছি আসতে পারবে সে লোকটির? এ্যাসাঞ্জ সুইডেনে ২০১০-এ ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঐ অভিযোগ ষড়যন্ত্রমূলক যাতে শেষ পর্যন্ত তাকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়ে দেয়া হয় যেখানে উইকিলিকসের কর্মকা-ের ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে অপরাধবিষয়ক তদন্ত এখনও চলছে। ইকুয়েডরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিকার্ডো পাতিলো বলেছেন, এ্যাসাঞ্জকে অবশ্য তার ইচ্ছামতো চলে যেতে দিতে হবে।

প্রকাশিত : ৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

০৭/০২/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: