২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ২ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

বাগযুদ্ধে জড়ালেন হিলারি-স্যান্ডার্স


বাগযুদ্ধে জড়ালেন হিলারি-স্যান্ডার্স

অনলাইন ডেস্ক ॥ প্রথম রাউন্ডে হাড্ডাহাড্ডি। ভোটের দ্বিতীয় রাউন্ডেও জমি ছা়ড়তে চাইছেন না কেউ। টিভিতে মুখোমুখি হয়েই তাই বাগ্যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড়ে থাকা ডেমোক্র্যাট শিবিরের দুই প্রধান মুখ হিলারি ক্লিন্টন ও বার্নি স্যান্ডার্স।

হিলারির তোপ, ভোট টানতেই অন্যায় ভাবে নিজেকে প্রগতিশীল প্রমাণ করতে চাইছেন স্যান্ডার্স। পাল্টা খোঁচা দিতে ছাড়েননি ভেরমন্টের সেনেটরও। তার কথায়, ‘‘উনি (হিলারি) তো প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি! সাধারণ মানুষের হয়ে দাঁড়িয়েছি শুধু আমি।’’

আইওয়া ককাসের ভোট কার্যত টাই-এ শেষ করেছিলেন হিলারি-স্যান্ডার্স। আগামী সপ্তাহের শুরুতে হ্যাম্পশায়ার, আর পরে সাউথ ক্যারোলাইনার ভোট। বিশেষ সূত্রের খবর, আইওয়া থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের দু’টি ভোটে প্রচারের খরচ দ্বিগুণ বাড়িয়েছেন স্যান্ডার্স। রাজনীতিকরা তাই আরও জোর লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছেন। টিভির বিতর্কে সেই জল্পনাই আরও উস্কে দিলেন দুই হেভিওয়েট। প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে দলের তরফে মনোনয়ন পাওয়ার দৌড় শুরু হওয়ার পরে ডেমোক্র্যাট শিবিরের এই প্রথম দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। নিউ হ্যাম্পশায়ারের এই বৈঠকে কোনো তৃতীয় পক্ষ ছিলেন না। অনুষ্ঠানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত হিলারি-স্যান্ডার্স নিজেরাই পরস্পরকে দুষেছেন। যা দেখে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একাংশ বলছে- একই দলের সদস্য হয়েও নীতিগত ভাবে দু’জন যে ভিন্ মেরুর, সেটাই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে টিভিতে।

বাগ্যুদ্ধের শুরুটা অবশ্য করেন হিলারিই। ক্যামেরা চালু অবস্থাতেই স্যান্ডার্সকে ‘আদর্শবাদী’ বলে কটাক্ষ করেন প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বলেন, ‘‘খুব সম্ভবত সেই কারণে বাস্তব প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে কোনো কাজই তিনি শেষ করতে পারেন না।’’ সবার জন্য স্বাস্থ্য পরিষেবা সুনিশ্চিত করতে সম্প্রতি একটি প্রস্তাব পেশ করেন স্যান্ডার্স। গত কালের বিতর্কে সেটিকেই ‘কার্যত অসম্ভব’ এবং ‘অত্যন্ত ব্যয়বহুল’ বলে বেঁধেন হিলারি। ভোটের আগে ভুয়া প্রতিশ্রুতি দেওয়া ডেমোক্র্যাটদের সাজে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

কিন্তু এর উত্তরে ভেরমন্টের সেনেটর যে ‘ওয়াল স্ট্রিট’ থেকে তার অর্থপ্রাপ্তির প্রসঙ্গ তুলবেন, আঁচ করতে পারেননি হিলারি। নির্বাচনী বিশ্লেষকরা বলছেন, বস্তুত এর পরেই মেজাজ হারাতে শুরু করেন হিলারি। স্যান্ডার্স এ দিন ইরাক যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলেও একহাত নেন প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে। তার অভিযোগ, ইরাক যুদ্ধের পক্ষে ভোট এবং চীনের সঙ্গে বাণিজ্যে সমর্থন দিয়ে হিলারি কার্যত দেশের সার্বিক কর্মসংস্থানের উপরই আঘাত করেছেন।

হিলারি এর সরাসরি জবাব দেননি। তবে দেশের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে তিনি যে দাঁত চেপে লড়াই চালাবেন, তা স্পষ্ট করে দিতেই অনুষ্ঠানের শেষ অংশে এসে বলেন, ‘‘আমি প্রগতিশীল। আর আমি সে ভাবেই কাজ করতে চাই।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: