২৩ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

নিজের পায়ে বাংলাদেশ ॥ দক্ষ ব্যবস্থাপনায় অর্থনীতির শক্ত ভিত


কাওসার রহমান ॥ নিজের পায়ে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের জাতীয় বাজেটের আকার ক্রমেই বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাজেটে অভ্যন্তরীণ সম্পদের যোগানও বেড়ে চলেছে। গত সাত বছরে দেশে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ দ্বিগুণ বাড়ালেও বাজেটের আকার বেড়েছে প্রায় তিন গুণ। আর এই বাজেটের ৯১ শতাংশ অর্থই এখন অভ্যন্তরীণ খাত থেকে যোগান দেয়া হচ্ছে। দক্ষ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার কারণেই এটা সম্ভব হচ্ছে বলে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম বলেন, ‘বর্তমানে দেশের মোট বাজেটের ৯১ শতাংশ অর্থই অভ্যন্তরীণ খাত থেকে যোগান দেয়া হচ্ছে। বাজেটে বৈদেশিক অর্থ সহায়তা মাত্র নয় শতাংশ। এতেই প্রমাণিত হয়, দেশের অর্থনীতি নিজের পায়ে দাঁড়াচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক একটি বক্তব্য থেকেও এর প্রমাণ পাওয়া যায়। তিনি বলেছেন, ‘সরকারের নানামুখী অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকা-ের কারণে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। বর্তমান উন্নয়ন কর্মসূচীর ৯০ ভাগই নিজস্ব অর্থায়নে হচ্ছে।’

আশির দশকে শুধু উন্নয়ন বাজেটই নয়, সরকারের রাজস্ব বাজেটের একটি বড় অংশও বৈদেশিক সাহায্যের অর্থে মেটানো হতো। অধ্যাপক রেহমান সোবহানের ‘দ্য ক্রাইসিস অব এক্সটারনাল ডিপেনডেন্স’ বইয়ের ৯ নম্বর পৃষ্ঠার সারণি থেকে দেখা যায়, ১৯৮১-৮২ অর্থবছর বৈদেশিক সাহায্য জিডিপির অনুপাত হিসেবে ১৩ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছিল। ওই পর্যায়ে দেশের মোট রফতানি আয় আমদানি বিলের মাত্র ৩১ শতাংশ মেটাতে পারত। বাকি ৬৯ শতাংশ মেটাতে হতো বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান দিয়ে। এরশাদ আমলের বেশ কয়েক বছর সরকারের রাজস্ব ব্যয়ের একটা উল্লেখযোগ্য অংশও মেটাতে হয়েছিল বৈদেশিক সাহায্যের অর্থে। অর্থাৎ ওই বছরগুলোয় সরকারের উন্নয়ন বাজেট পুরোটাই বৈদেশিক ঋণ বা অনুদাননির্ভর ছিল। গত ৩০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির অসহায় অবস্থা প্রায় কেটে গেছে। বিশেষ করে গত সাত বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে দ্রুত উন্নয়ন ঘটেছে। এ সময়ে বাজেট, রাজস্ব আদায়, রফতানি আয়, রেমিটেন্স, রিজার্ভ, খাদ্য উৎপাদন প্রভৃতি সূচকগুলোর উল্লম্ফন ঘটে। ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত শক্তিশালী অবস্থানে এসে দাঁড়ায়। সম্প্রতি নিউইয়র্কভিত্তিক আর্থিক তথ্য প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ব্লুমবার্গের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০১৬ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির দেশ। বছর শেষে বাংলাদেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ।

সর্বশেষ, গত অর্থবছরে (২০১৪-১৫) প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ৬.৫ শতাংশ। এর আগের ৫ বছরেও বাংলাদেশের অর্থনীততে গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.২ শতাংশ।

বিশ্ব অর্থনীতিতে অধিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের দিক থেকে পঞ্চম স্থানে বাংলাদেশ। বিশ্বের খুব কম দেশই একটানা এত দীর্ঘ সময় ধরে ৬ শতাংশের ওপর প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পেরেছে। অর্থমন্ত্রী আশা করছেন, অচিরেই এই প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে।

বৃহস্পতিবার এ প্রসঙ্গে তিনি উন্নয়ন সহযোগীদের পূর্বাভাসকে নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, ‘বাজেটে আমরা ৭ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির যে লক্ষ্যমাত্রা ধরেছি তা শতভাগ অর্জন করব।’

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি শুধু শক্তিশালী-ই হচ্ছে না, নিজের পায়েও দাঁড়াচ্ছে। এ কারণেই এখন বড় প্রকল্প নিজের টাকায় বাস্তবায়নের সাহস দেখাতে পারছে দেশ। ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ এর বড় উদাহরণ। ইতোমধ্যে পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পে শুরু থেকে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৯ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা ব্যয় হয়ে গেছে।

নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করতে গিয়ে সরকার যে শুধু অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রমাণ দিচ্ছে তাই নয়, বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে নিজেদের সক্ষমতাও যে বেড়েছে তার প্রমাণ দিচ্ছে। আর তার স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট কৌশিক বসু সম্প্রতি ঢাকায় এসে এ স্বীকৃতি দিয়ে গেছেন। তিনি বলেছেন, নিজস্ব অর্থায়নে বাংলাদেশ সরকার পদ্মা সেতু নির্মাণ করে তাদের সক্ষমতা দেখিয়েছে। এটা বাংলাদেশের জন্য সুখবর। বাংলাদেশকে ‘নিউ এশিয়ান টাইগার অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ আখ্যায়িত করে তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে। অর্থনীতির সূচকগুলো তাই বলছে।’

এ প্রসঙ্গে ড. শামসুল আলম বলেন, ‘দেশের সার্বিক অর্থনীতি শক্তিশালী হচ্ছে। আয় বাড়ছে মানুষের। বাড়ছে সক্ষমতা। সরকারী ও বেসরকারী উভয় খাতই দিন দিন শক্তিশালী হচ্ছে। ফলে বৈদেশিক সহায়তা করে যাবে এটাই স্বাভাবিক।’

তিনি বলেন, ‘উন্নয়ন বাজেটের ৬৫ শতাংশ এখন অভ্যন্তরীণ সম্পদ থেকে যোগান দেয়া হচ্ছে। আর ৩৫ শতাংশ অর্থ আসছে বিদেশী সাহায্য থেকে। এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে ২০২১ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ তার উন্নয়ন বাজেটের পুরো অর্থই অভ্যন্তরীণ খাত থেকে যোগান দিতে পারবে। পরবর্তীতে বাংলাদেশও বরং স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে ঋণ দিতে পারবে।’

আশির দশকে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ১৪ শতাংশ বৈদেশিক সাহায্য গ্রহণ করা হলেও সম্প্রতি তা ২ শতাংশেরও নিচে নেমে গেছে। বরং যে বৈদেশিক সাহায্য নেয়া হচ্ছে তার ৯৮ শতাংশই প্রকল্প ঋণ। বাংলাদেশকে এখন আর পণ্যঋণ নিতে হয় না। আর প্রকল্প ঋণ যেসব প্রকল্পের জন্য নেয়া হচ্ছে, তার দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি নেয়া হচ্ছে অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাফল্য খাদ্যশস্য উৎপাদনে। ইতোমধেই খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে দেশ। এখন আর বাংলাদেশকে পৃথিবীর কোন রাষ্ট্রের কাছে খাদ্যের জন্য ধর্ণা দিতে হয় না। বাংলাদেশের ঝুড়ি এখন অপার সম্ভাবনা দিয়ে পূর্ণ। এদেশের সাংস্কৃতিক ঐক্য ও সমরূপতা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ বাংলাদেশে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ সম্ভাবনা নিয়ে এসেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্থহীন হয়ে ওঠে যদি তা সমাজে কোন একটি কমিউনিটিকে হিসেবে না নেয়া হয়। এ জন্যই বর্তমান সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীতে এদেশের সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর আওতায় আওয়ামী লীগ সরকার বর্তমানে ৯২টি কর্মসূচী চালিয়ে যাচ্ছে।

স্বাধীনতাপূর্ব ও পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল অনেক কম। তখন এদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের প্রায় ৬০ শতাংশ খাদ্য উৎপাদিত হতো এখানে। বাকিটা আমদানি করতে হতো বিদেশ থেকে। বর্তমানে দেশে ১৬ কোটি মানুষের সম্পূর্ণ খাদ্য চাহিদা মেটানো হচ্ছে দেশের উৎপাদন থেকেই। এর মাধ্যমে সুস্পষ্ট হয়ে যায়, বাংলাদেশে কৃষিখাতে কতটা ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়েছে। এটা কোন জাদুর বলে সংঘটিত হয়নি। এই অভাবনীয় উত্তরণের পেছনে ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের সঠিক পরিকল্পনা এবং এদেশের কৃষকদের বিপুল শ্রম।

ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার পূর্বশর্ত খাদ্যে স্বনির্ভরতা অর্জন আর আওয়ামী লীগ সরকার তার দুই মেয়াদেই এই দুরূহ কাজটি করে দেখিয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করে যে খালি পেটে উন্নয়ন সম্ভব নয়। আর তাই দুই মেয়াদেই উৎপাদন বাড়িয়ে কৃৃষি খাতে অনেকটা নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার।

সর্বশেষ, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশে ৩ কোটি ৮৪ লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য উৎপাদিত হয়েছে। মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে ৪৫ লাখ মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে। মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে চতুর্থ। নিজের চাহিদা মিটিয়ে বাংলাদেশ এখন চাল রফতানি শুরু করেছে।

অর্থনীতির সূচকগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, বাংলাদেশের রফতানি আয় ৩২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। আমদানি ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩৭ বিলিয়ন ডলারে। মাত্র ৫ বিলিয়ন ডলার বাণিজ্য ঘাটতি সহজেই মেটাতে পারছে প্রবাসীদের রেমিটেন্সের সহায়তায় আর ঘাটতি মেটানোর পরও লেনদেনের ভারসাম্যে কয়েক বিলিয়ন ডলার উদ্বৃত্ত থাকছে, যার ফলে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৭ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে।

দেশের প্রায় এক কোটি অভিবাসী বৈধ-অবৈধ পথে প্রতিবছর ২০ থেকে ২২ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠালেও তার ৫ থেকে ৭ বিলিয়ন ডলার হুন্ডি-পদ্ধতিতে বিদেশে রয়ে যাচ্ছে কিংবা পাচার হয়ে যাচ্ছে। দেশে আসছে ১৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি প্রবাসী আয়।

গত সাত বছরে বাজেটের আকার আড়াই গুণ বেড়ে চলতি ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা। মাথাপিছু আয় এখন বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৩১৪ মার্কিন ডলার। ৫ কোটি মানুষ নিম্ন-আয়ের স্তর থেকে মধ্যম আয়ের স্তরে উন্নীত হয়েছে। দারিদ্র্যের হার ৪১.৫ শতাংশ থেকে কমে ২২.৪ শতাংশে চলে এসেছে। ২০০৬ সালে অতিদারিদ্র্যের হার ছিল ২৪.২ শতাংশ। তা এখন ৭.৯ শতাংশে নেমে এসেছে। বেড়েছে মানুষের আয় ও কর্মসংস্থান। সরকারী ও বেসরকারীভাবে দেড় কোটি মানুষর চাকরি পেয়েছে।

বিদ্যুত উৎপাদন সক্ষমতা এখন বৃদ্ধি পেয়ে ১৪ হাজার ৭৭ মেগাওয়াটে দাঁড়িয়েছে। উৎপাদন হচ্ছে ১২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত। ৪৪ লাখ সোলার প্যানেল দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোকে আলোকিত করছে। দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ বিদ্যুত সুবিধা পাচ্ছে।

যোগাযোগ খাতেও উন্নয়ন দৃশ্যমান হচ্ছে। ঢাকায় হাতিরঝিল প্রকল্প, কুড়িল-বিশ্বরোড বহুমুখী উড়াল সেতু, মিরপুর-বিমানবন্দর জিল্লুর রহমান উড়াল সেতু, বনানী ওভারপাস, মেয়র হানিফ উড়াল সেতু, টঙ্গীতে আহসানউল্লাহ মাস্টার উড়াল সেতু এবং চট্টগ্রামে বহদ্দারহাট উড়াল সেতু ইতোমধ্যে উদ্বোধন করা হয়েছে। মগবাজার-মালিবাগ উড়াল সেতুর নির্মাণকাজ এগিয়ে চলছে। ঢাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং মেট্রোরেল নির্মাণের কাজ চলছে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে, বিশ্বব্যাংকের মাপকাঠিতেই বাংলাদেশ এখন বিশ্বের নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এসব তথ্যই সাক্ষ্য দিচ্ছে : বাংলাদেশ ফকির নয় এবং নিজের পায়ে দাঁড়াতে সক্ষম। বিশ্বের বিখ্যাত অর্থনীতিবিদরা বাংলাদেশকে আখ্যায়িত করেছেন ‘উন্নয়নের বিস্ময়’ বলে। মানব ও সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদের অগ্রগতি ও গৃহীত পদক্ষেপ উদাহরণ হিসেব অনুসৃত হচ্ছে বিশ্বের বহু দেশে।

এই অর্জনের পুরো কৃতিত্ব যে আওয়ামী লীগ সরকারের তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। মূলত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্বেই বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন শক্তিশালী অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘বিগত সাত অর্থবছরের অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতে সামষ্টিক অর্থনীতির প্রধান বিষয় মোট দেশজ আয়ে প্রবৃদ্ধি, রফতানি আয়, কর্মসংস্থান, রেমিটেন্স বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি হ্রাস এবং সামাজিক খাতের দারিদ্র্য নিরসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারী ও শিশু নিরাপত্তায় অগ্রগতি এবং খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে আমাদের সাফল্য অভূতপূর্ব।’

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: