২৫ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

রাজধানীতে ডিপিডিসির অব্যবস্থাপনায় বিদ্যুত প্রতিমন্ত্রীর ক্ষোভ


স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজধানীর অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুত বিতরণকারী সংস্থা ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) অব্যবস্থাপনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিদ্যুত প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। আগামী সাত দিন সময় দিয়ে এসব অব্যবস্থাপনা দূর করার জন্য কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বিদ্যুত ভবনে বৃহস্পতিবার ডিপিডিসি’র প্রশিক্ষণ সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশ এগোচ্ছে আপনাদেরও (ডিপিডিসি) আন্তর্জাতিকমানে পৌঁছাতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্যামপুরে ডিপিডিসির সাব-স্টেশনে গিয়ে দেখি অপরিচ্ছন পরিবেশ। খাটের পাশে রান্না হচ্ছে। ময়লা আবর্জনায় ভরা। ভাবছি এ কোথায় এলাম। আপনারা জানেন না কোন ট্রান্সফরমার ভাল, কোনটা খারাপ, কি আছে, কি নেই। আমি পুরান ঢাকার ছেলে, বাড়ি যাওয়ার পথে দেখি ট্রান্সফরমার চুয়ে চুয়ে তেল পড়ছে। এভাবে চলতে পারে না।

ডিপিডিসির এমডিকে বলছি, আগামী সাত দিনের মধ্যে আমি একটি কর্মরিকল্পনা আমার টেবিলে দেখতে চাই, আপনারা কি করতে চাইছেন। লুঙ্গি পরা নিরাপত্তারক্ষী দিয়ে চলবে না, যোগ করেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিপিডিসিকে গ্রাহকের কাছে যেতে হবে। নিজেকে জনগণের কাছে তুলে ধরতে হবে। ভা-ার (মালপত্র রাখার স্থান) ব্যবস্থাপনা আধুনিক করতে হবে, ডিজিটাল হতে হবে। পেপারলেস একটি সংস্থা হিসেবে গড়ে উঠেত হবে।

আয়ের উপায়ও বাড়াতে হবে উল্লেখ করে হামিদ বলেন, শুধু সরকারের কাছে চাইলে হবে না। বিদ্যুত বিক্রির লাভ দিয়ে চলতে চাইলে হবে না। অন্যান্য উপায় খুঁজতে হবে। অর্থ কোন বিষয় না, তবে সেটা আয়ের পদ্ধতি জানতে হবে। পুঁজিবাজার থেকে অর্থ তুলতে হবে।

ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ নজরুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেনসহ কোম্পানির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সময় প্রশিক্ষণ নেয়া সেরা প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী। এছাড়াও কর্মকর্তাদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে ডিপিডিসির কর্মকর্তারা সরকারী কর্মীদের জন্য ঘোষিত অষ্টম বেতন কাঠামো অনুসারে নিজেদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর দাবি জানান। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী তাদের কাছে জানতে চান, ‘আপনাদের বর্তমান সিস্টেমলস আরও ১ শতাংশ কমালে বছরে কত লাভ হবে?’ কর্মকর্তারা জানান, ৫০ কোটি টাকা। তখন প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিস্টেমলস কমান, যা লাভ হবে তা দিয়েই আপনাদের দাবি মেটানো সম্ভব।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: