২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ২ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

কলাপাড়ায় খাল দখল করে স্থাপনা


নিজস্ব সংবাদদতা, কলাপাড়া, ৪ ফেব্রুয়ারি ॥ কলাপাড়া পৌরশহরের মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া একমাত্র খালটি এখন দখলের কারণে হারিয়ে যেতে বসেছে। খালটি যেন আছে শুধু নামেই। খালটির দুই দিক দখল করে ফ্রি-স্টাইলে বাসাবাড়িসহ তোলা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা। খালটি রক্ষায় পৌরসভা কর্তৃপক্ষ দুই দফা নামকাওয়াস্তে খননও করেছেন। কিন্তু খালটির সীমানা চিহ্নিত না করেই খনন কাজ করায় খালটি এখন অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়েছে। অথচ গোটা পৌরশহরের প্রাণ এ খালটি।

পৌর এলাকার পানি অপসারণসহ সকল বর্জ্য এখাল দিয়ে অপসারিত হয়ে আসছে। খালটি বেদখল কিংবা ভরাট হয়ে পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। ফলে বড় ধরনের বিপর্যয়ের কবলে পতিত হবেন পৌরবাসী। অন্তত দশ কিলোমিটার দীর্ঘ এ খালটির কয়েকটি শাখা প্রশাখা রয়েছে। এসব এখন এক শ্রেণীর দখলদারদের টার্গেটে পরিণত হয়েছে। খালটি দিয়ে জোয়ার-ভাটার পানি অপসারণে এক প্রান্তের স্লুইসটি এখনও সচল রয়েছে। অপরদিকে নাচনাপাড়া চৌরাস্তা এলাকার এক ভেন্টের স্লুইসটি দখল করে মাটি ভরাট করে বহু আগেই অচল করে রাখা হয়েছে। এটি সচল করতে পাউবো কিংবা পৌরসভা কেউ উদ্যোগ নেয়নি।

ফলে ক্রমশ সরু হয়ে আসছে রহমতপুর এলাকার খালটির শেষ প্রান্ত। একই দশা চিঙ্গরিয়া এলাকায় কবি নজরুল ইসলাম সড়ক এলাকার। ওই খালটি পশ্চিম উত্তর দিকে দখল করে বাঁধ দিয়ে তোলা হয়েছে অসংখ্য স্থাপনা। মোটকথা খালটি যেন দখলদারদের পেটে চলে যাচ্ছে। সচেতন পৌরবাসী খালটি উদ্ধার করে শহরবাসীর বসবাস উপযোগিতা রক্ষার দাবি জানিয়েছেন। কলাপাড়া পৌরকর্তৃপক্ষসহ উপজেলা ভূমি প্রশাসন যৌথভাবে খালটি রক্ষায় উদ্যোগ নিবেন বলে জানা গেছে।

সিলেটে ৭ দিনেও উদ্ধার হয়নি অপহৃত ছাত্রী

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট অফিস ॥ ৭ দিনে নগরীর আম্বরখানা গালর্স স্কুল এ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী অপহৃত ফাহমিদা তাবাসুম সাদিয়াকে (১৭) উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। সাদিয়া নগরীর চৌকিদেখী রংধনু ২০২/৬ লিয়াকত আলীর কন্যা।

গত ২৮ জানুয়ারি মজুমদারি এলাকা থেকে দুর্বৃত্তরা সাদিয়াকে অপহরণ করে।

এ ঘটনায় সাদিয়ার মা সাহানারা বেগম বাদী হয়ে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থানার জাকছড়া গ্রামের আব্দুল কাশেমের পুত্র বখাটে কাউছার আহমদ (২২), তার পিতা আব্দুল কাশেম (৪৫), তার মা মুন্নি বেগম (৪০), ইসরাইল মেম্বার (৪৫), মারুফ (২৬) ও নিয়াজীকে (৪০) আসামি করে এয়ারপোর্ট থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

পাচারকারীদের আটক দাবিতে বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট ॥ কচুয়া উপজেলা সদরের জিরো পয়েন্টে বৃহস্পতিবার দুপুরে মানব পাচারকারীদের গ্রেফতকার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী ও প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বক্তারা বলেন, বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা থেকে মোটা অঙ্কের অর্থের প্রলোভন দিয়ে সনদপত্র জালিয়াতী করে ১৬ জন যুবককে মালয়েশিয়া পাঠায়। কিন্তু ভুয়া কাগজপত্রের কারণে ইতোমধ্যে ১২ জন যুবক জেল খেটে ফিরে আসে। এই প্রতারক চক্রের কাছে অর্থ ফেরত চাইলে উল্টো তাদের হয়রানি শিকার হতে হয়। অবিলম্বে মানব পাচারকারী ও প্রতারক চক্রের হোতা হান্নান বিশ্বাস এবং ইউনুস বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ক্ষতিগ্রস্তদের অর্থ ফেরতের জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে দাবি জানান। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, বিদেশ ফেরত শহিদুল ইসলাম ব্যাপারী, এনামুল শিকদার ও তরিকুল ইসলাম উজ্জ্বল।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: