মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২৩ আগস্ট ২০১৭, ৮ ভাদ্র ১৪২৪, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

ভারত থেকে আসা যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা হচ্ছে বেনাপোলে

প্রকাশিত : ৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৬
  • জিকা ভাইরাস

স্টাফ রিপোর্টার, বেনাপোল ॥ জিকা ভাইরাস প্রতিরোধে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস ভবনে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মীদের তৎপর থাকতে দেখা গেছে। জিকা ভাইরাস আক্রান্ত বিদেশী কোন যাত্রী আসছেন কি না সে ব্যাপারে নজর রাখছেন তারা। স্বাস্থ্যকর্মীরা ভারত থেকে আসা যাত্রীদের থার্মাল স্ক্যানিং মেশিনে শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করছেন।

জানা যায়, দক্ষিণ আমেরিকা থেকে ছড়িয়ে পড়া জিকা ভাইরাসের ঝুঁকিতে রয়েছে ভারতের পশ্চিমাঞ্চল। ভারত থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন দেশের প্রায় চারশ’ বিদেশী যাত্রী বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে আসেন। তাদের কেউ যদি এ ভাইরাস আক্রান্ত হন, তার মাধ্যমে এদেশে জিকা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে- এ আশঙ্কা থেকে সতর্কতা অবলম্বন করেছে স্থলবন্দরের স্বাস্থ্য বিভাগ।

ইমিগ্রেশন অফিস সূত্রে জানা যায়, ১-৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারত থেকে বিভিন্ন দেশের ৮৬৫ নাগরিক বাংলাদেশে এসেছেন। এর মধ্যে ভারতের ৮১৯, অস্ট্রেলিয়ার চার, শ্রীলঙ্কা, ইতালি ও ব্রিটেনের একজন করে, বেলারুশের দুই, মালয়েশিয়ার ১০, আমেরিকার ৮, কানাডার ৯ ও ইন্দোনেশিয়ার ১০ নাগরিক রয়েছেন।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, বিদেশীরা ইমিগ্রেশনে আসার পরপরই তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য স্বাস্থ্য কর্মীদের কাছে পাঠানো হচ্ছে।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে কর্মরত উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার প্রণয় কুমার জানান, এর আগে ইবোলা ও সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস প্রতিরোধে কাজ করেছে ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য কেন্দ্র। নতুন করে জিকা ভাইরাস প্রতিরোধে নির্দেশনা পাওয়ায় এ বিষয়ে নজরদারি বাড়িয়েছেন তারা। ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, ভারত থেকে আসা বিভিন্ন দেশের যাত্রীদের তালিকা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীদের জানিয়ে দিচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা তালিকা অনুযায়ী যাত্রীদের থার্মাল স্ক্যানিং মেশিনে শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করছেন। তিনি আরও জানান, জিকা ভাইরাস আক্রান্ত দেশে সাধারণত প্রসূতি মা এবং শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এই ভাইরাস বাংলাদেশে ছড়ানো সম্ভাবনা নেই। কারণ, ছোট শিশু এবং প্রসূতি মায়েরা বাড়ি থেকে বেরই হয় না। আর ওই দেশের কোন লোককে সীমান্ত অতিক্রম করতে দেয়া হচ্ছে না। জানা যায়, দক্ষিণ আমেরিকা জুড়ে এডিস এজিপ্টি নামে এক প্রজাতির স্ত্রী মশার মাধ্যমে বাহিত জিকা ভাইরাসের কারণে মায়ের পেট থেকেই নানা সমস্যা নিয়ে জন্ম নেয় শিশু।

প্রকাশিত : ৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

০৫/০২/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



শীর্ষ সংবাদ: