১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ঝলক


ড্রোন শিকারি ঈগল!

ঈগল দিয়ে ধরা হবে ড্রোন। কি ভাবছেন! হ্যাঁ, এটি একদম সত্যিকারের ঈগলই। শুনতে অবাক শোনালেও, এমন একটি প্রকল্পই হাতে নিয়েছে ডাচ্ পুলিশ। ঈগলকে প্রশিক্ষণ দেবে তারা, প্রশিক্ষিত ঈগল আকাশ থেকে ধরে আনবে অবৈধ ড্রোন।

নতুন এই ধারণা নিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছে ডাচ্ ন্যাশনাল পুলিশ। তাদের পোস্ট করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, উড়ন্ত এক ড্রোনের দিকে ছুটে যায় একটি ঈগল। থাবা দিয়ে ড্রোনটি ধরে উড়ে চলে যায় সে। জনগণের ব্যবহার করা ড্রোনের সংখ্যা বাড়তে থাকায়, তা থামাতেই এমন চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে তারা। ঈগলগুলোকে প্রশিক্ষণ দিতে ‘গার্ড ফ্রম এ্যাবোভ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছে পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘পাখিটি ড্রোনকে একটি শিকার হিসেবে দেখবে এবং এটি ধরে একটি নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাবে।’

যমজদের গ্রাম!

ইউক্রেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি গ্রাম। যেখানে রয়েছে ১২২ জন যমজ শিশু। এ জন্য গ্রামটিকে ‘ল্যান্ড অব টুইন্স’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। ভেলিকায়া নামের ওই গ্রামটিতে চার হাজার লোকের বাস। এর মধ্যে ৬১ জোড়া যমজ সন্তান রয়েছে। ইতোমধ্যে গ্রামটি ইউক্রেনের রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে নিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গিনেস বুকেও গ্রামটির নাম উঠবে। স্থানীয়দের বিশ্বাস, গ্রামটিতে বিশেষ এক ধরনের পানি রয়েছে, যা পান করলে যমজ সন্তান হয়। শুধু তাই নয়, এই পানি পান করলে গবাদিপশুরও যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাদের দাবি, এই পানি শরীরকে এক ধরনের বৈশিষ্ট্য দান করে।

ডিজিটাল গোলমাল!

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দিনের পর দিন ঝগড়া চলছিল। একপর্যায়ে দুজনেই আলাদা হয়ে যান। কথা হয় কেউ কারও জীবনে নাক গলাবে না। এরপর দুজনেই নতুন প্রেমের খোঁজে ফেসবুকে ডুব দেন। কিন্তু নতুন প্রেমও তাদের পরস্পরকে এক বিন্দুতে নিয়ে আসবে, তা কে জানত! ফের শুরু হলো অশান্তি। সামলাতে হলো পুলিশকে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের বারেলিতে।

বিচ্ছেদের পর দুজনই ফেসবুকে নতুন বন্ধুর খোঁজ শুরু করেন। তবে নাম ও প্রোফাইল ছবি বদলে। দুজনে পেয়েও যান নতুন প্রেম। ফেসবুকেই ঠিক হয় দেখা করার দিনক্ষণ। ফুরফুরে মেজাজে দুজনেই আসেন রেস্তরাঁয়। বিধিবাম! রেস্তরাঁয় গিয়ে দুজন দুজনকে দেখে হতবাক! এতদিন স্বামী-স্ত্রীই নতুন ভেবে একে অপরের সঙ্গে চ্যাট করেছে। দেখার পর ফের ঝগড়া শুরু করে দেন দুজনে। তুমুল হাতাহাতি। আবারও পুলিশ ডাকতে হয়। দুজনকেই আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। অবশ্য পুলিশ বলছে, বিষয়টি ডিজিটাল গোলমাল!

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: