মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২২ আগস্ট ২০১৭, ৭ ভাদ্র ১৪২৪, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

গোডাউনের অভাবে খোলা মাঠে ইউরিয়া

প্রকাশিত : ৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাইবান্ধা, ৪ ফেব্রুয়ারি ॥ গাইবান্ধায় বিসিআইসির সারের বাফার স্টকে প্রয়োজনীয় গোডাউনের অভাবে খোলা আকাশের নিচে ইউরিয়া সার মজুদ করে রাখা হয়েছে। ফলে ইউরিয়াসহ অন্যান্য সারের গুণগত মান হ্রাস পাচ্ছে।

জানা গেছে, চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে গাইবান্ধায় সারের সরবরাহ আগের চাইতে কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেলেও সেই অনুপাতে বাফার স্টকে সার সংরক্ষণের জন্য নতুন কোন গোডাউন নির্মাণ করা হয়নি। ফলে গুদামে জায়গা না থাকায় গুদামের সামনেই অতিরিক্ত সার খোলা আকাশের নিচে মজুদ করে রাখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ২০১৩-২০১৪ বছরের অতিরিক্ত প্রায় ১ হাজার টন সার এভাবে সংরক্ষণের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জমাট বেঁধে গেছে অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সার সংরক্ষণের জন্য নতুন গোডাউন নির্মাণ বা ভাড়া নেয়ার কোন ব্যবস্থাই গ্রহণ করছে না। কোন কোন ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত পুরনো সার ডিলারদের সরবরাহ করায় এসব সার নিয়ে ডিলার এবং কৃষকরাও নানা বিপাকে পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, বিসিআইসির সারের বাফার স্টকের গোডাউনে ধারণক্ষমতা ২ হাজার মে.টন। বর্তমানে জেলায় প্রতিমাসে সারের চাহিদা ৭ থেকে ১৩ হাজার মে.টন। ফলে সঙ্গত কারণেই অধিক পরিমাণ সার গোডাউনের বাইরেই মজুদ করে রাখা হচ্ছে।

বাফার গোডাউন ইনচার্জ হায়দার আলী বলেন, জেলার মোট চাহিদার শতকরা ৪০ শতাংশ গাইবান্ধার বাফার গোডাউন থেকে উত্তোলন করেন এবং বাকি ৬০ শতাংশ যমুনা সার কারখানা থেকে সরাসরি উত্তোলন করে থাকেন ডিলাররা। কিন্তু চলতি জানুয়ারি মাসে যমুনা সার কারখানা থেকে সার সরবরাহ বন্ধ থাকায় মোট চাহিদার পুরোটাই বাফার গোডাউন থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বাফারের এই গোডাউনটি যখন করা হয়েছিল সে সময়ের চাহিদা অনুযায়ী করা হয়েছিল। বর্তমানে সারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী সার সংরক্ষণ করার জন্য এখন এই গোডাউন পর্যাপ্ত নয়।

অভয়নগরে মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ অভয়নগর উপজেলার গুয়াখোলা গ্রামে বসতবাড়ি দখল করে বাড়ি ঘর ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগের ঘটনায় আদালতে মামলা করায় বাদীকে মামলা তুলে নিতে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বিবাদীরা। জানা গেছে, গুয়াখোলা মৌজায় জাকির হোসেন বাড়ি নির্মাণ করে ৩০ বছর যাবত বসবাস করেছিলেন। তিন বছর আগে প্রতিপক্ষরা ওই জমি অবৈধভাবে দখল করে বাড়িঘর ভাংচুর করে ও আগুন দেয়। এ ঘটনার পর জাকির হোসেন অভয়নগর থানায় অভিযোগ করেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ প্রভাবশালী হওয়ায় থানায় মামলা নেয়নি। পরে তিনি জেলা আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন। জাকির হোসেন বাস্তহারা হয়ে ওই এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছেন। আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য অভয়নগর থানায় নির্দেশ দেন। তৎকালীন থানায় কর্মরত এস আই ফিরোজ উদ্দিন তদন্ত পূর্বক ঘটনার সত্যতা উল্লেখ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এ মামলা তুলে নিতে বিবাদীরা অব্যাহত প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে যাচ্ছে। এ ঘটনায় গত ১৬ জানুয়ারি জাকির হোসেন জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে চার জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন।

প্রকাশিত : ৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

০৫/০২/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



শীর্ষ সংবাদ: