২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ২ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

গরিব রোগীদের কথা চিন্তা করে ক্যান্সার চিকিৎসা ব্যয় কমানো উচিত ॥ স্বাস্থ্যমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্টার ॥ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, গরিব রোগীদের কথা চিন্তা করে ক্যান্সার চিকিৎসা ব্যয় তাদের কমানো উচিত। সরকারী হাসপাতালগুলোতে ক্যান্সার রোগীদের অনেক চাপ থাকে। বাধ্য হয়ে অনেক নিম্ন ও মধ্যবৃত্ত শ্রেণীর মানুষ বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান। কেউ কেউ টাকার অভাবে অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। চিকিৎসা করাতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে যান।

বুধবার প্রথম আলো কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশে ক্যান্সার চিকিৎসা : সামর্থ্য ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। প্রথম আলো ও বীকন ফার্মাসিউটিক্যালস যৌথভাবে এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে। ডায়াগনস্টিক খরচও কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারী হাসপাতালে যে পরীক্ষা করতে ১০ টাকা লাগে, সেটা কেন বেসরকারী হাসপাতালে ১শ’ টাকা লাগবে। এক্ষেত্রে ২০-২৫ টাকা হওয়াই যৌক্তিক। পর্যায়ক্রমে সব জেলা সদর হাসপাতালে ক্যান্সার ইউনিট ও আইসিইউ স্থাপনের ঘোষণা দেন মন্ত্রী।

গোলটেবিল বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান, বীকন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ এবাদুল করিম, এ্যাপোলো হাসপাতালের অধ্যাপক মোঃ হাফিজুর রহমান আনসারী, বিএসএমএমইউ’র অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান সারোয়ার আলম, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ এ্যান্ড হাসপাতালের ক্যান্সার বিভাগের অধ্যাপক মোখলেস উদ্দিন, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট এ্যান্ড হাসপাতালের অধ্যাপক কামরুজ্জামান চৌধুরী, অধ্যাপক পারভিন শাহিদা আখতার ও এনাম মেডিক্যাল কলেজ এ্যান্ড হাসপাতালের অনকোলজি বিভাগের অধ্যাপক এ এম এম শরিফুল আলম।

মেডিক্যাল শিক্ষার মানে কোন আপোস হবে না ॥ পরে মন্ত্রণালয়ে মেডিক্যাল শিক্ষার মান বৃদ্ধি সংক্রান্ত এক সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সভাপতিত্ব করেন। তিনি এ সময় দেশে বেসরকারী মেডিক্যাল শিক্ষার মান বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বরোপ করে বলেন, বেসরকারী চিকিৎসা শিক্ষার মানের ক্ষেত্রে কোন ধরনের আপোস হবে না। এক্ষেত্রে বেসরকারী মেডিক্যাল কলেজ পরিচালনা কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অনুসরণ করার জন্য তিনি নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তিনি আগামীতে বেসরকারী মেডিক্যাল কলেজ খোলার অনুমোদনের ক্ষেত্রে সমস্ত নীতিমালা ও মান অনুসরণ করা হচ্ছে কিনা তা শতভাগ নিশ্চিত করার জন্যও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।