২৩ জানুয়ারী ২০১৮,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৪ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল কেরানীগঞ্জ


নিজস্ব সংবাদদাতা, কেরানীগঞ্জ, ৩ ফেব্রুয়ারি ॥ স্কুলছাত্র আব্দুল্লাহর হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল কেরানীগঞ্জ। প্রতিবেশী দাদার বাড়ির ড্রাম থেকে লাশ উদ্ধারের পরপরই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এলাকাবাসী। মঙ্গলবার বিকেল থেকে দফায় দফায় হামলা চালিয়ে ঘাতকের বাড়ি ও মার্কেটে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর চালিয়েছে স্থানীয়রা। ঘাতক দাদা মোতাহারকে অবিলম্বে গ্রেফতার ও আটক ব্যক্তিদের বিচারের দাবিতে বুধবার সকাল থেকে উত্তেজিত জনতা বিক্ষোভ করতে থাকে। আব্দুল্লাহ হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার চার আসামির মধ্যে মেহেদী হোসেনের সাত দিন এবং খোরশেদ আলম, আল আমিন ও মিতু আক্তারের পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শফিকুল আলম আসামিদের বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত আসামিদের সাত ও পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে স্কুলছাত্র আব্দুল্লাহর হত্যার খবর পেয়ে বুধবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিন আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল বাশার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান, জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খানসহ পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাগণ। এ সময় মন্ত্রী দ্রুত সময়ের মধ্যে আব্দুল্লাহর হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের আশ্বাস দেন।

গত শুক্রবার বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় আব্দুল্লাহ। ওই দিন সন্ধ্যায় মোবাইলে এসএমএস দিয়ে অপহরণের কথা জানিয়ে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। অপহরণকারীদের দাবি অনুযায়ী দুই লাখ টাকা বিকাশের মাধ্যমে দেয়া হলেও তাকে জীবিত উদ্ধার করা যায়নি। এ ঘটনায় সোমবার প্রতিবেশী মোতাহার হোসেনের ছেলে মেহেদীকে আটক করে পুলিশ। পরে তার দেয়া স্বীকারোক্তিতে বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে এ্যাসিডে ঝলসানো আব্দুল্লাহর মৃতদেহ ড্রাম থেকে উদ্ধার করা হয়।

অপহরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ঘাতক মোতাহার হোসেনের ছেলে মেহেদীসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তবে কী কারণে নির্মম এ হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটেছে তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফেরদাউস হোসেন বলেন, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে মোতাহারকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পিতা কুয়েত প্রবাসী বাদল মিয়া বাদী হয়ে অভিযোগ করেছেন।