১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

কাউন্সিল বাধাগ্রস্থ করতেই খালেদার বিরুদ্ধে মামলা: নোমান


স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিএনপি যাতে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হতে না পারে সেজন্য জাতীয় কাউন্সিল বাধাগ্রস্থ করতেই সরকার ষড়যন্ত্র করে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান। বুধবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টন ভাসানী ভবনে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর কৃষক দল আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধন অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।

নোমান বলেন, বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল যাতে না হয় সরকার সে চেষ্টা করছে। কিন্তু বিএনপির কাউন্সিল যথাসময়েই হবে এবং সেই কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন-পুরাতন মিলিয়ে একটি কমিটি হবে। প্রয়োজনে গঠনতন্ত্র সংশোধন হবে। এর মাধমে নতুন নেতৃত্ব গড়ে উঠবে। সেই নেতৃত্ব অগ্রবাহিনী হিসেবে আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে এ সরকারের পরাজয়কে ত্বরান্বিত করবে।

নোমান বলেন, খালেদা জিয়াকে হয়রানি করতে এবং মানসিকভাবে ব্যস্ত রাখতে রাজনৈতিক কারণে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দেয়া হয়েছে। কিন্তু তার বিরুদ্ধে দায়ের করা ষড়যন্ত্রমূলক মামলা টিকবে না। শেষ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হবে এবং জয় জনগণেরই হবে। কারণ, মিথ্যা কখনো সত্যের কাছে জয়লাভ করেনি।

আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দল যখন কোনো সত্য কথা বলে এবং সে কথা আলোচিত বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, তখন মামলা দিয়ে সরকার সে বিষয়টিকে শেষ করতে চায়। তবে এভাবে মামলা করে সরকারের শেষ রক্ষা হবে না। সরকার উন্নয়নের কথা বলে গণতন্ত্রকে নির্বাসিত করছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুন:প্রতিষ্ঠা করে অর্থনৈতিক মুক্তি পেতে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো। এর চেতনাই ছিলো গণতন্ত্র। গণতন্ত্র ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। যারা গণতন্ত্র রাখে না, তারা কখনো টিকে থাকেনি। আইয়ুব খান, এরশাদও টিকে থাকতে পারেননি।

আয়োজক সংগঠনের আহবায়ক এ্যাডভোকেট নাসির হায়দারের সভাপতিত্বে আলেঅচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান দুদু, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তকদির হোসেন জসিম প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, তত্ত্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থা না হলেও নির্বাচনকালীন সময়ে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রক্রিয়া স্থির করুন। আপনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে একটি নির্বাচন দিলে সেই নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলেও আমরা মনে করি। তাই ধানমন্ত্রী হিসাবে আপনার একটি দায়িত্ব আছে। আপনি তিনবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। আপনি আপনার মতো করেই একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনী ব্যবস্থা ঠিক করুন। ‘তাহলে বলবো শেখের বেটি আপনি’।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: