মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২৩ জুলাই ২০১৭, ৮ শ্রাবণ ১৪২৪, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

স্বল্প মূলধনী কোম্পানিগুলোর আলাদা বাজার সৃষ্টির উদ্যোগ

প্রকাশিত : ৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৬, ১২:০৭ এ. এম.

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ স্বল্প মূলধনী কোম্পানির জন্য আলাদা বাজার সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আর এই জন্য স্বল্প মূলধনী কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তি এবং লেনদেরের জন্য উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে স্বল্প মূলধনী প্ল্যাটফর্ম গঠন করা হবে। তবে এই মার্কেটে লেনদেন করতে পারবে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং উচ্চ নিটসম্পদধারী ব্যক্তি যাদের বিনিয়োগসংক্রান্ত সম্যক ধারণা রয়েছে। এক্ষেত্রে এ মার্কেটে লেনদেন করা থেকে বঞ্চিত হবেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

মঙ্গলবার বিএসইসি ভবনে অনুষ্ঠিত ৫৬৫তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরবর্তীতে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোঃ সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পুঁজিবাজারে স্বল্প মূলধনী সভা প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত কমিটির দাখিলকৃত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিএসইসি ১৩টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, স্বল্প মূলধনী কোম্পানিসমূহের তালিকাভুক্তি এবং লেনদেনের জন্য উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে ‘স্মল ক্যাপিটাল প্ল্যাটফর্ম’ নামে আলাদা প্ল্যাটফর্ম গঠন করা। এ বাজারে তালিকাভুক্তির জন্য কোম্পানির ইস্যু পূর্ববর্তী ন্যূনতম ৫ কোটি টাকা এবং ইস্যু-পরবর্তী ন্যূনতম ১০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন থাকতে হবে। ইস্যু পরবর্তী সর্বোচ্চ মূলধন হবে ৩০ কোটি টাকার নিম্নে। শুধু কোয়ালিফাইড ইনভেস্টটর অফারের (কিউআইও) মাধ্যমে পুঁজি উত্তোলনপূর্বক স্বল্প মূলধনী কোম্পানিসমূহ এই বাজারে তালিকাভুক্ত হবে পারবে। কোয়ালিফাইড ইনভেস্টটরস বলতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং উচ্চ নিটসম্পদধারী ব্যক্তি যাদের বিনিয়োগসংক্রান্ত সম্যক ধারণা রয়েছে তাদের বোঝাবে।

এই বাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে কোন কোম্পানি তালিকাভুক্ত হতে পারবে না। বিদ্যমান শেয়ারধারকদের শেয়ার একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য লকইন থাকবে। এই বাজারে শুধু যোগ্য বিনিয়োগকারীরা লেনদেন করতে পারবেন। এই বাজার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত নয়।

বাজারে লেনদেন এর তারল্য বজায় রাখার জন্য ইস্যুয়ার কোম্পানি ন্যূনতম ৩ বছরের জন্য মার্কেট মেকার নিয়োগ করবে। সিকিউরিটিজসমূহ ডিমেটেরিয়ালাইজড ফর্ম হবে এবং ইলেকট্রনিক ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মে লেনদেন হবে। ক্লিয়ারি, সেটেলমেন্ট এবং ট্রেড সাইকেল হবে এক্সচেঞ্জের মূল বাজারের অনুরূপ। বিদ্যমান স্টক ব্রোকারদের মাধ্যমে লেনদেন পরিচালিত হবে। যোগ্য বিনিয়োগকারী চিহ্নিতকরণের জন্য সিডিবিএলে ভিন্ন ধরনের বিও হিসাব প্রণয়ন করবে। এক্সচেঞ্জসমূহ কোম্পানি এবং বিনিয়োগকারীদের সচেতনতামূলক কর্মসূচী গ্রহণ করবে। বিএসইসির গৃহীত এই সিদ্ধান্তগুলোর আলোকে কমিটি বিধিমালা প্রণয়ন করে জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রকাশের ব্যবস্থা করবে। এছাড়াও মার্কেট মেকার বিধিমালা সংশোধনের জন্য গঠিত কমিটিও কার্যক্রম সম্পন্ন করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

প্রকাশিত : ৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৬, ১২:০৭ এ. এম.

০৩/০২/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

ব্যবসা বানিজ্য



শীর্ষ সংবাদ: