২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

স্মিথের মাথায় বর্ষসেরার মুকুট


স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ব্যাট হাতে দুর্দান্ত মৌসুম কাটানোর পুরস্কার পেলেন স্টিভেন স্মিথ। ২০১৫ সালে ‘ক্রিকেটের অস্কার’ খ্যাত আইসিসির বর্ষসেরা নির্বাচিত হলেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক। যেটি মূলত ‘স্যার গ্যারিফিল্ড সোবার্স আইসিসি বর্ষসেরা ট্রফি’ নামে পরিচিত। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা কর্তৃক বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটারে পুরস্কারও বগলদাবা করেছেন তরুণ এই অসি উইলোবাজ। বুধবার আইসিসি তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করে। এ বছর ওয়ানডের বর্ষসেরা হয়েছেন মারকাটারি দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্স। ‘স্পিরিট অব ক্রিকেট এ্যাওয়ার্ড’ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন মাত্রই একদিন আগে অবসরের আগাম ঘোষণা দেয়া নিউজিল্যান্ড তারকা ব্রেন্ডন ম্যাককুলাম। সেরা উদীয়মান জশ হ্যাজলউড।

এক সময় বিশ্বকাপের পাশাপাশি আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানকে পৈত্রিক সম্পত্তি বানিয়ে ফেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। বর্ষসেরা পুরস্কারেও কি সেই পথে হাঁটছেন দেশটির ক্রিকেটাররা? গত বছর পেয়েছিলেন মিচেল জনসন, তার আগেরবার মাইকেল ক্লার্ক। দু-জনই অবসর নিয়েছেন, তবে তাদের ঐতিহ্যটা ধরে রাখলেন প্রতিভাবান স্মিথ। টানা তৃতীয়বারের মতো ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান গ্রেট সোবার্সের নামের ট্রফিটা অস্ট্রেলিয়াতেই রেখে দিলেন তিনি। পুরস্কার প্রবর্তিত হওয়ার পর চতুর্থ অস্ট্রেলিয়ান ও বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে আইসিসির বর্ষসেরা খেলোয়াড় হলেন ২৬ বছর বয়সী এই অসি ব্যাটসম্যান, তুলে নিলেন সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার সোবার্সের নামের ট্রফি। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫Ñ এই এক বছরের পারফর্মেন্স বিবেচনায় নিয়ে ২০১৫ সালের বর্ষসেরা ক্রিকেটার বেছে নেয়া হয়। যে সময়ে টেস্টে সবচেয়ে বেশি রান স্মিথের। ২৩ টেস্টের ২৫ ইনিংসে তার মোট রান ১৭৩৪। গড় ৮২.৫৭! একই সঙ্গে সর্বোপরি আইসিসির বর্ষসেরা এবং টেস্টেরও সেরা সপ্তম খেলোয়াড় স্মিথ। এর আগে এভাবে একই বছর দু’দুটি পুরস্কার বগলদাবা করা ক্রিকেটাররা হলেনÑ রাহুল দ্রাবিড় (২০০৪), জ্যাক ক্যালিস (২০০৫), রিকি পন্টিং (২০০৬), কুমার সাঙ্গাকারা (২০১২), মাইকেল ক্লার্ক (২০১৩) ও মিচেল জনসন (২০১৪)। ২৬ বছর বয়সেই সাবেক সব গ্রেটদের তালিকায় নাম লেখালেন স্মিথ। ‘এক সঙ্গে দুটি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়ে গ্রেটদের পাশে নাম লেখাতে পেরে আমি অনেক গর্বিত। দলের সাফল্যই আমার প্রথম প্রেরণা, এই পুরস্কার তাতে বাড়তি মাত্রা যোগ করবে।’ তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন স্মিথ।

অসি অধিনায়ক আরও যোগ করেন, ‘সতীর্থরাও এই সাফল্যের ভাগিদার। কারণ তাদের সহযোগিতা ছাড়া আমি এটি অর্জন করতে পারতাম না। একাধিক তারকা ক্রিকেটারের অবসরের পর আমরা যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছি, তাতে খুশি। বিদেশের মাটিতে নিয়মিত সফল হতে হবে। ২০১৬ সালেও এই ধারা অব্যাহত রাখতে চাই।’ বিবেচিত সময়ের মধ্যে ২০ ইনিংসে ৭৯ গড়ে ১২৬৫ রান করে ওয়ানডেতে বর্ষসেরা হয়েছেন ডি ভিলিয়ার্স। স্ট্রাইকরেট ১২৮.৪২Ñ এটি কেবল এবির পক্ষেই সম্ভব! জোহানেসবার্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৫৬ বলে ১১৯ রানে অবিশ্বাস্য ইনিংসটির জন্য ‘টি২০ পারফর্মেন্স অব দ্য ইয়ার’ হয়েছেন ফ্যাফ ডুপ্লেসিস। সর্বোপরি বর্ষসেরা উদীয়মান অসি পেসার জশ হ্যাজলউড। মেয়েদের ক্রিকেটে আইসিসির পুরস্কার গেছে অস্ট্রেরিয়া অধিনায়ক মেগ ল্যানিংয়ের পকেটে। ওমেন্স টি২০’র সেরা হয়েছেন ক্যারিবয়ান তারকা স্টেফানি টেইলর। মাঠ ও মাঠের বাইরে ব্যাট হাতে ও নেতৃত্বে অসামন্য অবদানের জন্য ‘স্পিরিট অব ক্রিকেট’ এ ভূষিত হয়েছেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক ম্যাককুলাম। সহযোগী ও নতুন সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সেরা আরব আমিরাতের খুররম খান।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: