২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

রুয়েটের অপহৃত ছাত্রলীগ নেতাকে চট্টগ্রামে উদ্ধার


স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ অপহরণের ১৪ দিন পরে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ছাত্রলীগ নেতা সাইফুজ্জামান সোহাগকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার গভীর রাতে চট্টগ্রাম মিরসরাই এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সোহাগের শ্বশুর শেখ আব্দুর রহমান দুলাল বুধবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তাকে মাইক্রোবাসে রাজশাহীতে নিয়ে আসা হচ্ছে। শেখ আব্দুর রহমান দুলাল বলেন, কয়েকদিন আগে রাজশাহী ও নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতারকৃত দুইজনের কাছ থেকে পুলিশ তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের মিরসরাই এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোহাগকে উদ্ধার করে।

এর আগে সোহাগকে অপহরণের ঘটনায় ২০ ডিসেম্বর রাজপাড়া থানা পুলিশ ওই দুইজনকে গ্রেফতার করে তিন দিনের রিমান্ড নেয়। এরা হলো ঢাকা দক্ষিণখান থানার ফাইজবাদ এলাকার আব্দুল আউয়াল খানের ছেলে ও রুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ইঞ্জিনিয়ার ফারজাদুল ইসলাম মিরন (২৮) এবং রাজশাহী নগরীর নওদাপাড়া এলাকার শওকত আলীর ছেলে ও রুয়েটের সিভিল বিভাগের দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্র ইসফাক ইয়াসিফ ইপু (২১)।

গ্রেফতারকৃত দুইজনকে তিনদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। সোমবার দুপুরে পুলিশ তাদের রাজশাহী অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। বিকেলে শুনানি শেষে বিচারক জুলফিকার উল্লাহ আসামিদের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী সোহাগকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজপাড়া থানার সহকারী কমিশনার (এসি) এটিএম শাহীন আহম্মেদ।

উল্লেখ্য, গত ৯ ডিসেম্বর রাত তিনটায় র‌্যাবের পোশাকধারী ৬ থেকে ৭ ব্যক্তি রাজশাহী মহানগরীর তেরখাদিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় সোহাগের বাড়িতে যায়। র‌্যাবের পোশাক পরা দেখে বাড়ির লোকজন দরজা খুলে দিলে তারা সোহাগের ঘরে প্রবেশ করে ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোনের মেমোরি কার্ডসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস চায়। সেগুলো নেয়ার পরই তারা সোহাগকে একটি মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নিয়ে চলে যায়।

এরপর সোহাগের বাবা ও শ্বশুর র‌্যাব-৫, রাজশাহীর সদর দফতর, বোয়ালিয়া থানা, ডিবি পুলিশ ও মতিহার থানায় খোঁজ নিলেও কোথাও তার সন্ধান পাননি। পরে রাজপাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন সোহাগের বাবা।

এ ঘটনায় ১৩ ডিসেম্বর (রবিবার) রাতে রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানায় সোহাগের বাবা আক্কাসউজ্জামান বাদী হয়ে মামলাটি করে। মামলায় অজ্ঞাত র‌্যাব ও ডিবি পুলিশ সদস্য এবং সোহাগের সহপাঠী নাবিলাকে আসামি করা হয়।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: