মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৭ আশ্বিন ১৪২৪, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

কর্ণফুলী টানেলের কাজ পেল চীনা কোম্পানি সিসিসিসি

প্রকাশিত : ২৩ ডিসেম্বর ২০১৫, ০৯:২৯ পি. এম.

অনলাইন রিপোর্টার ॥ বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ সুড়ঙ্গ নির্মাণ করে কর্ণফুলী নদীর দুই তীরকে যুক্ত করার কাজের ঠিকাদার নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার।

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্প বাস্তবায়নে চীন সরকার মনোনীত প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশনস কন্সট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডকে (সিসিসিসি) এই কাজ দেওয়া হয়েছে।

এই টানেল নির্মাণকে ‘স্বপ্নের প্রকল্প’ অভিহিত করে সরকারের প্রকল্প প্রস্তাবে বলা হয়েছে, এর মধ্য দিয়ে সরকার চট্টগ্রামকে চীনের সাংহাইয়ের আদলে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।

বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান চূড়ান্ত হয় বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ৫ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে এ টানেল নির্মাণ হবে। ভ্যাটসহ খরচ দাঁড়াবে ৬ হাজার ৪৭৮ কোটি টাকা।

টানেলের মাধ্যমে কর্ণফুলী নদীর দুই তীরকে যুক্ত করতে গত ২৪ নভেম্বর সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করেছিল একনেক।

মোট ব্যয়ের প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার জোগান দেবে চীনের এক্সিম ব্যাংক। বাকি সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা সরকারের জোগাবে।

সেতু কর্তৃপক্ষ ২০২০ সালের মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

এ টানেল একদিকে চট্টগ্রাম শহরকে বন্দর এলাকা ও অন্যদিকে আনোয়ারা উপজেলাকে সংযুক্ত করবে। টানেল চালু হলে পর্যটন নগরী কক্সবাজারসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ হবে। কর্ণফুলীর দুই সেতুর ওপর যানবাহনের চাপ কমবে।

এ টানেল নির্মাণের জন্য গত বছর ১০ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বেইজিংয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

এরপর বাংলাদেশ সেতু র্কতৃপক্ষ, চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (সিসিসিসি) ও অভি অরুপ অ্যান্ড পার্টনার্স হংকং লিমিটেড যৌথভাবে টানেলের কারিগরি ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা করে। গত ৩০ জুন সেতু কর্তৃপক্ষ ও সিসিসিসির মধ্যে হয় বাণিজ্যিক চুক্তি।

প্রকাশিত : ২৩ ডিসেম্বর ২০১৫, ০৯:২৯ পি. এম.

২৩/১২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

জাতীয়



শীর্ষ সংবাদ: