১৪ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৪ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কের বিরুদ্ধে আইন


‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক আছে। বলা হয়, এত লাখ লোক শহীদ হয়েছে। এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে যে, আসলে কত শহীদ হয়েছে মুক্তিযুদ্ধে। শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে মুক্তিযুদ্ধ হতো না’Ñ এই বক্তব্য সেই মহিলার যিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তান সেনা ছাউনিতে স্বেচ্ছায় অবস্থান করছিলেন এবং তাঁর সাধের পাকিস্তান ভাঙ্গার জ্বালা তিনি এখনও ভুলতে পারেননি। বহু আলোচিত যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে নিজের আগের বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করে খালেদা বলেন, ‘যারা প্রকৃত রাজাকার, যারা স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সত্যিকারভাবে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করেছে, অত্যাচার করেছে, হত্যা করেছে, তাদের শাস্তি হতে হবে, বিচার হতে হবে, তবে তাদেরকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে। সেই বিচার আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও স্বচ্ছ হতে হবে।’ হ্যাঁ, তিনি সেই মহিলা যিনি সব রকম প্রটোকল ভঙ্গ করে মুক্তিযুদ্ধকালীন সেই বিভীষিকাময় সময়ে দখলদার বাহিনীর যে সামরিক অফিসার ‘ কথিত স্বাধীনতার ঘোষকের’ সুন্দরী স্ত্রীকে ‘রক্ষা’ করেছিলেন তার মৃত্যুতে শোকবাণী পাঠিয়েছিলেন। বিদেশের কিছু ভাড়াটিয়া প্রতিষ্ঠান যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পর্কে বিচার শুরু হওয়ার পর থেকেই ঠিক একই ধরনের বক্তব্য দিয়ে আসছে। দুই বছর আগে তিনি ওয়াশিংটন টাইমসে যে নিবন্ধ লিখেছিলেন তাতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পর্কে যে অভিমত দিয়েছিলেন তার বর্তমান বক্তব্যেও সেটারই হুবহু প্রতিফলন ঘটেছে।

২০০৭ সালের ৩ ডিসেম্বর উলফাত আজিজ নামের এক সাহসী মুক্তিযোদ্ধা যখন ‘জাতীয়তাবাদী’ দীক্ষায় দীক্ষিত হননি তখন তিনি এক মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ করে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি জানিয়েছিলেন একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য। সেদিন তিনি বলেছিলেন, যারা এ বিচারের বিরোধিতা করবে বা বিচার নিয়ে প্রশ্ন তুলবে তাদের বাংলার মাটি থেকে উৎখাত করা হবে। সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম নামের আর এক খেতাবধারী মুক্তিযোদ্ধাও ওই সভায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চেয়ে জ্বালাময়ী ভাষণ দিয়েছিলেন। সেই একই উলফাত আজিজ ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার দলে যোগদান করে ‘জাতীয়তাবাদী’ চেতনায় দীক্ষিত হয়ে খালেদা জিয়া যে সভায় উপরোক্ত বক্তব্য দিচ্ছিলেন ওই সভায় গর্বভরে সভাপতিত্ব করছিলেন।

১৬ ডিসেম্বর বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ পেয়েও ঢুকতে পারেননি সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম, এটা দুঃখজনক। কিন্তু আজকে খালেদা জিয়ার পাশে বসে যে ইব্রাহীম যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সমালোচনা করে এবং শহীদের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তাদের নেত্রীর অমৃত বাণী শুনলেন সে ইব্রাহীমের কি আদৌ বিজয় দিবসে বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ পাওয়ার নৈতিক অধিকার আছে?

বাকস্বাধীনতা নিঃসন্দেহে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা। এটা জনস্বার্থে জনগণের মাঝে বিভিন্ন এবং বৈচিত্র্যময় মতামত পরিবেশনে উৎসাহ দেয়। কিন্তু সব ধরনের স্বাধীনতার মতো এটা শর্তহীন নয় এবং সেটা উচিতও নয়। বাকস্বাধীনতা একদিকে অন্য কারও প্রতি ঘৃণা প্রকাশের সম্ভাব্য অস্থিতিশীল প্রভাব থেকে মুক্ত হতে হবে এবং অন্যদিকে অন্যের আবেগ বা অনুভূতিকে যেন আঘাত না করে সে ধরনের সামঞ্জস্যপূর্ণ করা আবশ্যক। উপরন্তু কানাডিয়ান বিচারপতি এমএ বাইন্ডারের ভাষায়, ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা অবশ্যই ঐতিহাসিকভাবে প্রতিষ্ঠিত সত্যের কাছে আত্মসমর্পণ করবে’। বাংলাদেশে বাকস্বাধীনতা নেই বলে যারা চিৎকার করেন তারা কি জানেন পৃথিবীর কোন প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক দেশে সে দেশের স্বীকৃত ইতিহাস নিয়ে এ ধরনের বল্গাহীন বক্তব্য দিয়ে রাজনীতি করা যায় কি-না?

গত বছর বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে অফিসিয়াল মৃতের সংখ্যা চ্যালেঞ্জ করে ইতিহাসকে অবমাননার অপরাধে ব্রিটিনে জন্মগ্রহণকারী এক সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যানকে দোষী সাব্যস্ত করে। মাননীয় বিচারক বার্গম্যানের ২০১১ সালের একটি ব্লগ পোস্টে ইচ্ছাকৃতভাবে ইতিহাস বিকৃত করার অভিযোগে অভিযুক্ত করেন। ২০১১ সালের নবেম্বরে দেয়া ঐ পোস্টে তিনি সেখানে মৃতের সংখ্যা অনেক কম বলে মতামত দেন এবং সরকারী সংখ্যার সমর্থনে কোন প্রমাণ নেই বলে উল্লেখ করেন। ট্রাইব্যুনালের প্রিজাইডিং বিচারক ওবায়দুল হাসান ডেভিড বার্গম্যানকে দোষী সাব্যস্ত করে দেয়া তাঁর রায়ে বলেন, ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা সরল বিশ্বাসে এবং জনস্বার্থে প্রয়োগ করা যেতে পারে। ডেভিড বার্গম্যানের তন্ন তন্ন করে খুঁজে এ সংখ্যাকে চ্যালেঞ্জ করার পেছনে সরল বিশ্বাস ছিল না এবং এটা তিনি জনস্বার্থ রক্ষার জন্য করেননি।’ ট্রাইব্যুনাল পুনর্ব্যক্ত করে, ‘মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদের সংখ্যা ঐতিহাসিকভাবে প্রতিষ্ঠিত এবং এটা বাংলাদেশের জনগণের’ আবেগের সাথে জড়িত’। ট্রাইব্যুনাল এছাড়া এই সংখ্যা (ত্রিশ লাখ) ট্রাইব্যুনালের দেয়া আগের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। ‘যে কেউ এই গবেষণা করতে পারেন; কিন্তু তাদেরকে ট্রাইব্যুনালের মর্যাদা আঘাত হতে পারে এমন ধরনের কোন মন্তব্য করার ব্যাপারে সচেতন হতে হবে’, মাননীয় বিচারক যোগ করেন।

তার প্রতিক্রিয়ায় বার্গম্যান আইসিটি অর্ডার তার ‘বাকস্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঠিক যাচাই-বাছাই করতে আগ্রহী তাদের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় বলে আখ্যায়িত করে’ বলেন, তিনি এ আদেশে ‘মর্মাহত’। গত বছর ডিসেম্বর ২০ তারিখে দৈনিক প্রথম আলোতে বার্গম্যানের শাস্তি মত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছে বলে ৫০ জন নাগরিক এক বিবৃতি প্রদান করেন। এ বছরের ১৪ জানুয়ারি আইসিটি-২ আদালত অবমাননার জন্য ডেভিড বার্গম্যানের শাস্তির ওপর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা দাবি করেন। আদালত তার আদেশে ‘ট্রাইব্যুনালের প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা জনগণের সামনে এবং মনে খর্ব করার জন্য এ বিবৃতি দেয়া হয়েছে’ বলে উল্লেখ করেন। আদালতের দৃষ্টিতে আরও মনে হয়েছে, এ বিবৃতিটি ‘ট্রাইব্যুনালের শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা এবং বার্গম্যানের শাস্তি দেয়া আদেশের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্না তোলা হয়েছে’।

ট্রাইব্যুনাল ২৬ জন বিবৃতিদাতা নিঃশর্তভাবে ক্ষমা চাওয়ায় তাদের অভিযোগ হতে অব্যাহতি দেন। অন্য ২২ জনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়, যেহেতু তারা প্রথমবারের মতো আদালত অবমাননা করেছিলেন। তবে, আইসিটি জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে, ১৯৭১ সালে ঘটনাক্রমে যিনি ইতিহাসের সঠিক দিকে অবস্থান নিয়েছিলেন, ডেভিড বার্গম্যানের শাস্তির সমালোচনা করে আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে এক ঘণ্টার জন্য আদালতেই গ্রেফতার করে শাস্তি প্রদান করেন ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। জাফরুল্লাহ চৌধুরী এ সাজার বিরুদ্ধে সুপ্রীমকোর্টে আপীল করেন এবং উচ্চ আদালত এ সাজা বহাল রাখলে উনাকে ট্রাইব্যুনালের এসে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে সাজা থেকে নিষ্কৃতি পেতে হয়।

জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সাজার পর আদালতে তিনি যে চরম অভদ্রতার প্রকাশ ঘটান এবং বিবৃতিতে প্রায় সব স্বাক্ষরদাতাই বার্গম্যানের ব্লগে কিভাবে আমাদের শহীদের সংখ্যা নিয়ে তাচ্ছিল্য করা হয়েছে, তিনি কিভাবে ট্রাইব্যুনালকে উপদেশ দিয়েছেন, তাদের কি করা উচিত, কি করা উচিত নয় (ভাবখানা বাংলাদেশ এখনও ব্রিটিশ কলোনি) বার্গম্যানের সাজার রায় না পড়ে এবং সেটা বিন্দুমাত্র না জেনেই ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতার’ সপক্ষে বিবৃতি দেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে এবং ইউরোপের ১৪টি দেশে ‘হলোকস্ট অস্বীকারের বিরুদ্ধে আইন’-এর মতো ‘গণহত্যা অস্বীকারের বিরুদ্ধে আইন’ প্রণয়নের দাবি ওঠে। ওই আইন অনুযায়ী ১৯৩০ এবং ১৯৪০ সালে নাৎসি জার্মানি ইউরোপে সুপরিকল্পিত জাতিগত সংখ্যালঘুদের গণহত্যাকে অস্বীকার করা আইনের লঙ্ঘন। অনেক দেশে গণহত্যা অস্বীকারকে অপরাধ গণ্য করে বৃহত্তর আইন হয়েছে।

বেলজিয়ামে হলোকস্ট অস্বীকার ১৯৯৫ সালে অবৈধ হয়েছে। আইনে শর্ত দেয়া হয়েছে, ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শাসকদের দ্বারা সংঘটিত গণহত্যা অস্বীকার করা, ছোট করা বা ন্যায্যতা দেয়ার প্রচেষ্টা যে কেউ করলে সে ব্যক্তি জেল দ্বারা দণ্ডিত হবেন’। জুলাই ১৩, ১৯৯০ সালে ফ্রান্সে গ্যাসট এ্যাক্ট অনুযায়ী নাৎসি নেতাদের যার ভিত্তিতে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিভাগে পড়া, যে অপরাধে ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালের মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত করা হয় সে অপরাধের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা আইনের দৃষ্টিতে দণ্ডনীয় অপরাধ। জার্মানিতে ‘প্রকাশ্যে বা জনসভায় জাতীয় সমাজতন্ত্রীদের শাসনাধীনে সংঘটিত অপরাধকে অস্বীকার, লঘুকরণের প্রচেষ্টা বা অনুমোদন দেয়া দণ্ডনীয় অপরাধ’। হাঙ্গেরীর সংসদ হলোকস্ট অস্বীকার বা লঘুকরণের প্রচেষ্টার অপরাধে তিন বছর পর্যন্ত কারাদ-নীয় অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে সরাসরি হলোকস্ট অস্বীকার নিষিদ্ধ না হয়ে থাকলেও গণহত্যা অস্বীকার, লঘুকরণের প্রচেষ্টা বা অনুমোদনের অপরাধে তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান সব সদস্য রাষ্ট্রের ঐচ্ছিকরূপে প্রয়োগ করার অধিকার দেয়া হয়েছে।

কিছু মানুষ বাকস্বাধীনতার নামে, কোন এক বিশেষ উদ্দেশ্যে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের শহীদের সংখ্যা নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছে। তারা এক অসৎ উদ্দেশ্যে আমাদের ত্যাগ এবং উৎসর্গকে লঘুকরণের অপচেষ্টায় লিপ্ত এবং অনেক ক্ষেত্রে সুচতুরভাবে আমাদের জনগণের ওপর সংঘটিত অপরাধকে যৌক্তিকতা দানের প্রয়াসে প্রয়াসী। এটা আইসিটির মর্যাদা এবং যৌক্তিকতা কমিয়ে এর বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ করার এক দুষ্ট অভিপ্রায়ও বটে। বর্তমান সরকার জনসাধারণের এক দীর্ঘ লালিত চাহিদার প্রতিফলন ঘটিয়ে ১৯৭১ সালে আমাদের জনগণের ওপর সংঘটিত গণহত্যার বিচার চালিয়ে যাচ্ছে। একইভাবে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটিয়ে জনগণের ‘আবেগ লালিত’ দাবি ইউরোপীয় দেশগুলোতে প্রণীত ‘হলোকস্ট অস্বীকারের বিরুদ্ধে আইন’-এর আদলে ‘গণহত্যা এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির বিরুদ্ধে আইন’ প্রণয়ন করবে, যাতে করে ভবিষ্যতে আমাদের শহীদের সংখ্যা এবং ত্যাগকে কেউ অস্বীকার বা লঘু করার অপপ্রয়াসে লিপ্ত হবে না। প্রস্তাবিত এই আইন কে কত বড় দলের নেত্রী সেটা বিবেচনায় না নিয়ে ভঙ্গকারীদের ক্ষেত্রে সমভাবে প্রয়োগ করতে হবে। একই সঙ্গে এ আইন মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত কোন মুক্তিযোদ্ধা যদি ভঙ্গ করেন তবে তার সে খেতাব স্থগিত বা বাতিল করার বিধান এ আইনে রাখা যেতে পারে। এ প্রস্তাবিত আইন একই সঙ্গে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে এক বিরাট ঢাল হিসেবে কাজ করবে এবং সেটা শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যত বংশধরগণের জন্য গৌরবময় এবং স্বর্ণোজ্জ্বল ইতিহাসের শান্তি, সত্য ও সততা প্রতিষ্ঠা করবে।

লেখক : কানাডা প্রবাসী অধ্যাপক