২২ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

নির্বাচনী প্রচারে যাওয়ার পথে বিএনপি নেতার গাড়ি বহরে হামলা, ভাংচুর


নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া, ২২ ডিসেম্বর ॥ কলাপাড়ায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি এয়ার ভাইস মার্শাল (অব) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর গাড়ি বহরে হামলা-ভাংচুর করা হয়েছে। মঙ্গলবার দশটার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় ছয়টি গাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে। এতে তার স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার চৌধুরীসহ আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। হামলাকারীরা সাংবাদিকদের বহনকারী গাড়িতেও হামলা-ভাংচুর চালায়। এ সময় ইনডিপেন্ডেন্ট টিভি ও দৈনিক জনকণ্ঠ পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধির ভিডিও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা। আহত করা হয় যমুনা টিভির ক্যামেরা পার্সন সরোজ, সময় টিভির সুজন দাস, বৈশাখী টিভির আব্দুস সালাম আরিফ। এ ঘটনার জন্য বিএনপি নেতৃবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীর সমর্থকদের দায়ী করেছেন। কেন্দ্রের নির্দেশনায় আলতাফ হোসেন চৌধুরী কলাপাড়া ও কুয়াকাটা পৌরসভায় দলীয় মেয়র প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারের জন্য মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে দলীয় কার্যালয়ে কর্মী বৈঠকে অংশ নিতে যাওয়ার প্রাক্কালে রহমতপুর সড়কে হামলার শিকার হন। বিএনপি নেতা এবিএম মোশারফ হোসেন এ ঘটনার জন্য উপজেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে দায়ী করেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপক রায়, কলাপাড়া থানার ওসি আজিজুর রহমানসহ পুলিশ কর্মকর্তারা।

হামলার ঘটনার পর পর কলাপাাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে লিখিত বক্তব্য রাখেন পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মেয়র প্রার্থী বিপুল হাওলাদার। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, ঘটনাটি বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের অংশ। যা আওয়ামী লীগের কাঁধে চাপানোর অপচেষ্টা চলছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যদি হামলায় আমাদের দলের কোন কর্মী সম্পৃক্ত থাকে তবে তাদের দল থেকে বহিষ্কার ও আইনের হাতে সোপর্দ করা হবে। তিনিও হামলায় জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তি দাবি করেন। তিনি সাংবাদিক আহতের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন। তবে পুলিশ এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও রিটার্নিং অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: