২৩ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

এ কেমন শিক্ষিকা-


স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ ডেসটিনিতে ৫০ হাজার টাকা খুইয়ে সেই টাকা আদায়ে এক ছাত্রীর ওপর দায় চাপিয়েছে ডিমলা উপজেলার খগাবড়বাড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মারুফা বেগম লিজা। এমনকি সেই ৫০ হাজার টাকা উত্তোলনে ২০১০ সালে এসএসসি পাস ছাত্রী লতিফা আক্তার কাজলের দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের সনদ, মার্কশীট ও প্রশংসাপত্র পাঁচ বছর আটকে রেখেছে ওই প্রধান শিক্ষিকা। এ ঘটনায় ওই ছাত্রী রবিবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিমের কাছে। ছাত্রীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সে ডিমলা উপজেলার খগাবড়বাড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১০ সালে এসএসসি পাস করে। এসএসসি পাসের বোর্ড সার্টিফিকেট দীর্ঘদিন ধরে আটকে রেখেছেন প্রধান শিক্ষিকা মারুফা বেগম লিজা। ফলে ছাত্রীটির উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের পথ রুদ্ধ হয়ে পড়েছে।

ছাত্রীটি জানায়, তার মা আছিয়া বেগম ডেসটিনি-২০০০-এর সদস্য এবং ৫০ হাজার টাকা শেয়ার কেনে। আছিয়ার মার দেখাদেখি প্রধান শিক্ষিকা লিজাও ডেসটিনি-২০০০-এর সদস্য হয়। তারও ৫০ হাজার টাকা খোয়া যায় ডেসটিনিতে। এখন প্রধান শিক্ষিকা ডেসটিনির ৫০ হাজার টাকার দায় চাপিয়েছে ওই ছাত্রীর মায়ের ওপর। এখন সেই টাকা না দেয়া পর্যন্ত তিনি ছাত্রীর সার্টিফিকেটসহ কোন কিছুই দেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। স্কুলে গেলে প্রধান শিক্ষিকা অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেন। এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষিকা মারুফা বেগম লিজা জানান, ডেসটিনিতে আমার খোয়া ৫০ হাজার টাকা না পাওয়া পর্যন্ত আমি ওই ছাত্রীর সনদপত্রসহ কোন কিছুই দিব না। প্রয়োজন হলে আগুনে পুড়িয়ে ফেলব তার বোর্ড সার্টিফিকেট। ডিমলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আহসান হাবিব জানান, ছাত্রীর উচ্চ শিক্ষার পথ রুদ্ধ করে সার্টিফিকেট আটকানোর কোন ক্ষমতা নেই প্রধান শিক্ষিকার। এ ব্যাপারে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, ছাত্রীর লিখিত অভিযোগপত্র পেয়েছি। সার্টিফিকেট উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে তদন্তের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ দুজন আটক

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রামে ১ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবাসহ একটি ‘বার-ফোর’ জীপগাড়ি জব্দ করেছে পুলিশ। রবিবার রাত ১১টার দিকে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার অন্যান্য আবাসিক এলাকার কুয়াইশ রোড়ে তল্লাশি চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় গাড়িতে থাকা দুই জনকে আটক করে পুলিশ। আটক হওয়া দু’জন হলেন- মোঃ সিরাজ উদ্দিন এবং আরাফাত। এদের মধ্যে সিরাজ উদ্দিন নিজেকে গাড়ির মালিক বলে দাবি করেছেন।