১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

বালুঘাট নিয়ে সোনারগাঁওয়ে সংঘর্ষ ॥ নিহত এক


সংবাদদাতা, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ, ২১ ডিসেম্বর ॥ মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছে এসময় আরো ৫জন আহত হয়েছে । নিহতের নাম মোঃ জামাল হোসেন(৩৮)। হামলাকারীরা তিন যুবককে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। সোমবার দুপুরে শম্ভুপুর ইউনিয়নের চর হোগলা গ্রামে বালুঘাট এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, মেঘনা নদীর বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বের জের ধরে আওয়ামী লীগ নেতা ইমাম হোসেন ও স্থানীয় ইউপি সদস্য নাসির মেম্বার বাহিনীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। নাসির মেম্বারের বোন জামাই ইমাম হোসেন। রবিবার দুপুরে চর হোগলার বালুঘাট এলাকায় নাসির মেম্বার বাহিনী দেশী অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে ইমাম হোসেন বাহিনীর লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে আহত হয় জামাল হোসেন। জামালকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। হামলার সময় নাসির মেম্বার বাহিনীর লোকজন ওই এলাকা থেকে তিন যুবককে অপহরণ করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপহৃতরা হলো চর হোগলা এলাকার রাজ্জব মিয়ার ছেলে সুমন, আব্দুর সাত্তারের ছেলে আওলাদ ও চর কিশোরগঞ্জ এলাকার হারুনের ছেলে জাহাঙ্গীর।

নাটোরে আহত ২০

নিজস্ব সংবাদদাতা নাটোর থেকে জানান, বড়াইগ্রাম উপজেলার মাঝগাঁও ইউনিয়নের গুরুমশৈল বিলে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সোমবার সকালে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। পুলিশ জানায়, উপজেলার গুরুমশৈল বিলে প্রায় ৬ বিঘা জমি নিয়ে মাঝগাঁও গ্রামের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম ও আব্দুল বারেকের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার সকালে সিরাজুল ইসলাম ও তার লোকজন জমিতে গেলে আব্দুল বারেক লোকজনসহ তাদের বাধা দেয়। এ সময় বাকবিত-ার এক পর্যায়ে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়।

পাকুন্দিয়ায় হামলা আহত তিন

নিজস্ব সংবাদদাতা কিশোরগঞ্জ থেকে জানান, পাকুন্দিয়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের স্ট্যাম্প ভেন্ডার রমজান আলীর পৌর সদরের তারাকান্দির বসতবাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী হামলা করে। হামলায় আহত রমজান আলী, স্ত্রী পান্না বেগম ও মেয়ে এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্রী ফারজানা আক্তারকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।