২৩ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

তালিকাভুক্তির এক বছরে বরাদ্দ মূল্যের নিচে তিন কোম্পানির দর


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ তালিকাভুক্তির এক বছরের মধ্যে বরাদ্দ মূল্যের নিচে নেমে গেছে বস্ত্র খাতের তিন কোম্পানির শেয়ারের দর। গত ১৪ ডিসেম্বর পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হয় বস্ত্র খাতের রিজেন্ট টেক্সটাইলের। প্রতিটি শেয়ার ২৫ টাকা করে উত্তোলন করা কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন দ্বিতীয় দিনেই বরাদ্দ মূল্যের নিচে নেমে যায়। ৫ দিনের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারের দর নেমে যায় ২০ দশমিক ৯০ টাকায়। আইপিওতে যে সব বিনিয়োগকারী এ কোম্পানির শেয়ার বরাদ্দ পেয়েছেন তারা বড় ধরনের লোকসানে পড়েছেন।

পুঁজিবাজারে সর্বশেষ তালিকাভুক্ত বস্ত্রখাতের এ কোম্পানিটি শুধু নয়, ২০১৫ সালে তালিকাভুক্ত হওয়া বস্ত্রখাতের আরও দুটি কোম্পানির শেয়ারের মূল্যও বরাদ্দ মূল্যের নিচে নেমে এসেছে।

২০ ডিসেম্বর লেনদেন শেষে ২৬ টাকা বরাদ্দ মূল্যের তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারের দর ১৬.৪ টাকায়, ২০ টাকা বরাদ্দ মূল্যের সিমটেক্সের শেয়ারের দর ১৮.৮০ টাকায় নেমে এসেছে।

সিএ্যান্ডএ টেক্সটাইলের দর নেমে এসেছে অভিহিত মূল্যের কাছাকাছি। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে তালিকাভুক্ত হওয়া এ কোম্পানির বাজার দর দাঁড়িয়েছে ১০.৫ টাকায়। ২০১৫ সালে তালিকাভুক্ত হওয়া বস্ত্র খাতের ৬টি কোম্পানির মধ্যে শুধুমাত্র শাশা ডেনিমস এবং জাহিন স্পিনিংয়ের শেয়ারের বাজার দর বরাদ্দ মূল্যের ওপরে রয়েছে। ৩৫ টাকা বরাদ্দ মূল্যের শাশা ডেনিমসের শেয়ারের দর ৪১.৫ টাকায় এবং ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের জাহিন স্পিনিংয়ের শেয়ার দর ২০.৭০ টাকায় অবস্থান করছে। অথচ একই বছরে তালিকাভুক্ত অন্য খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের বাজার দর বরাদ্দ মূল্যের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি বেড়েছে।

গত রবিবারের বাজার দর অনুযায়ী দেখা যায়, ৩০ টাকা বরাদ্দ মূল্যের ইফাদ অটোসের দর ৯৩ টাকায়, ৩৫ টাকার বিএসআরএম লিমিটেডের দর ১২১ টাকায়, ২০ টাকার কেডিএস এক্সেসরিজের দর ৮৩.৮০ টাকায়, ১০ টাকার অলিম্পিক এক্সেসরিজের দর ৩২.৫০ টাকায়, ৩৬ টাকার আমান ফিডের দর ৪৩.৭০ টাকায় ও ১০ টাকার ন্যাশনাল ফিডের বাজার দর অবস্থান করছে ১৭ টাকায়।

শুধু বাজার দরে বস্ত্রখাতের কোম্পানিগুলো পিছিয়ে রয়েছে এমনটি নয়। মুনাফা, বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ এবং প্রিমিয়ামের দিক থেকেও পিছিয়ে রয়েছে বস্ত্রখাতের কোম্পানিগুলো। তবে এসব বিষয়ে পিছিয়ে থাকলেও ২০১৫ সালে তালিকাভুক্তির দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে এ খাতটি। ২০১৫ সালে মোট ১২টি কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৬টিই হচ্ছে বস্ত্রখাতের কোম্পানি। অর্থাৎ তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৫০ শতাংশই হচ্ছে বস্ত্রখাতের।