মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৭ আশ্বিন ১৪২৪, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

তুর্কি অভিযানে ১১০ কুর্দি নিহত

প্রকাশিত : ২১ ডিসেম্বর ২০১৫, ০৫:০৬ পি. এম.

অনলাইন ডেস্ক ॥ তুরস্কের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে কুর্দি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে দেশটির সামরিক বাহিনীর চলমান অভিযানের ষষ্ঠ দিনে ওই অঞ্চলজুড়ে দুপক্ষের মধ্যে সশস্ত্র লড়াই ছড়িয়ে পড়েছে।

রবিবার অভিযানের ষষ্ঠ দিনে অভিযান আরো জোরদার করে তুর্কি সামরিক বাহিনী।

সাতদিন ধরে চলা এ অভিযানের প্রথম ছয়দিনে ১১০ কুর্দি বিদ্রোহী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তুর্কি নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্রগুলো।

সামরিক অভিযানের প্রতিবাদে ইস্তাম্বুল ও দক্ষিণপূর্বের সবচেয়ে বড় শহর দিয়ারবাকিরে প্রতিদিন প্রতিবাদ বিক্ষোভ হচ্ছে। ‍শত শত লোক এসব বিক্ষোভে যোগ দিচ্ছে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রবার বুলেট ব্যবহার করছে।

সামরিক অভিযানের জন্য দক্ষিণপূর্বাঞ্চলের ইরাক ও সিরিয়া সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলোতে গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে সান্ধ্য আইন বলবৎ আছে। এই এলাকার সিজরে ও সিলোপি টাউনেই বিদ্রোহীদের সঙ্গে সামরিক বাহিনীর অধিকাংশ লড়াইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

এছাড়া সীমান্ত প্রদেশ মারদিনের নুসায়বিন এবং দারগেসিত এবং দিয়ারবাকির প্রদেশের ঐতিহাসিক জেলা সুর-এও তীব্র লড়াই হয়েছে।

বিদ্রোহী কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) ভিত্তি প্রধানত গ্রামাঞ্চলে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে শহর ও টাউনগুলোর দিকে মনযোগ দিয়েছে গোষ্ঠীটি। নগরের রাস্তাগুলোতে ট্রেঞ্চ খুড়ে ও ব্যারিকেড দিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীকে ঠেকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে তারা।

নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্রগুলো ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দুপক্ষের লড়াইয়ে সিজরের প্রায় তিনশটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এবং বিভিন্ন ভবনের পাশে মর্টারের অবিস্ফোরিত গোলা পড়ে আছে।

বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় সিলোপির অনেক এলাকা বিদ্যুৎহীন রয়েছে। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, খাবার এবং সুপেয় পানির অভাব দেখা দিয়েছে।

জুলাইয়ে তুর্কি সরকার ও পিকেকে-র মধ্যে দুই বছর ধরে চলা যুদ্ধবিরতি ভেঙে যায়। এরপর থেকে তুরস্কের এই অঞ্চলটিতে তিন দশক ধরে চলা লড়াই আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যায়।

প্রকাশিত : ২১ ডিসেম্বর ২০১৫, ০৫:০৬ পি. এম.

২১/১২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

বিদেশের খবর



শীর্ষ সংবাদ: