২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

সবদিক থেকে ‘সফল’ বিপিএল আয়েঅজনের দাবি বিসিবির


স্পোর্টস রিপোর্টার॥ গত বছর দেশের অন্যতম সেরা ক্রিকেট আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) টি২০ আয়োজিত হয়নি। ভবিষ্যতই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল নানাবিধ বিতর্কে। সেই বিতর্কে ছিল ফিক্সিং, ক্রিকেটারদের পাওনা না পাওয়ার মতো ভয়ানক বিষয়াদি। তবে নতুন করে সবকিছুতে সংস্কার এনে এবার বিপিএলের তৃতীয় আসর আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আর সবদিক থেকেই সফলতা পেয়েছে এবারের আসর এমনটাই দাবি বিসিবির। সবমিলিয়ে আয় হয়েছে ২৫ কোটি টাকা এবং অধিকাংশ ফ্র্যাঞ্চাইজিই এবার ক্রিকেটারদের পাওনা মিটিয়ে দিয়েছে। রবিবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

আগের দুই আসরে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের পাশাপাশি সবচেয়ে বড় মাথাব্যথার বিষয় ছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক পুরোপুরি না দেয়ার বিষয়টি। আর এটা আন্তর্জাতিকভাবে বিশ্ব মিডিয়ায় চরম বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল। মাত্র দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি শতভাগ পাওনা পরিশোধ করে এবার তৃতীয় আসরে টিকে ছিল। বাকি চারটি দলই এবার নতুন। সবকিছু নিয়ে এবার বেশ সতর্ক ছিল বিসিবি। এ বিষয়ে পাপন বলেন,‘বিপিএল প্রথম ও দ্বিতীয় আসরে বেশ কিছু সমস্যা ছিল। এর মধ্যে পেমেন্ট এবং ফ্র্যাইঞ্জাদের কাছ থেকে বোর্ডের যে পরিমান টাকা পাওয়ার কথা ছিল সেটা নিয়ে একটি সমস্যা ছিল। দ্বিতীয় আসরে ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে একটা সমস্যা ছিল। তৃতীয় আসর করার সময় আমরা অনেক সচেতন ছিলাম। আমরা চেয়েছি এবারের বিপিএলে পুরনো সমস্যাগুলো পুনরাবৃত্তি যেন না হয়। সেদিক থেকে আমি বলব, এই বিপিএলে আগের যে সমস্যাগুলো ছিল ওই ধরনের কোন অভিযোগ এখনও আমরা পাইনি। এবারের বিপিএলটা আগের দুই আসরের চেয়ে অনেক বেশি সুশৃঙ্খলভাবে পূর্ণ করতে পেরেছি। এবার দলগুলো তাদের খেলোয়াড়দের শতভাগ পেমেন্ট দিয়েছে। ৬৫ জন বিদেশি খেলোয়াড়, ৬জন কোচ-ফিজিও টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছেন। তারা প্রত্যেকেই এই টুর্নামেন্টের ভূয়সী প্রংশসা করেছে। ওরা বলেছে, বাংলাদেশে খেলতে আমরা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। সামনে খেলতেও আমরা আগ্রহী। এটা আমাদের জন্য একটি প্লাস পয়েন্ট।’

ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর পাওনা পরিশোধ করার বিষয়ে তিনি বলেন,‘কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও চিটাগং ভাইকিংস শতভাগ পেমেন্ট দিয়েছে। রংপুর রাইডার্স বিদেশি ক্রিকেটাদের শতভাগ টাকা দিয়েছে, ৭৫ ভাগ স্থানীয় খেলোয়াড়দের। এছাড়া বরিশাল বুলস ৭৫ ভাগ, ঢাকা ডায়নামাইটস ৭৫, সিলেট সুপারস্টারস ৭৫ ভাগ দিয়েছে।’ আগের আসরে অংশ নেয়া কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে এখনও বিসিবির পাওনা আছে। তবে এবার লাভ করেছে বিসিবি। সে বিষয়ে পাপন বলেন,‘আগের তিন ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছে আমাদের কিছু পাওনা আছে। আমরা সেটা এখনও পাইনি। আমরা তাদের বিপক্ষে আইনি পদক্ষেপ নেব। আমরা মামলা করব। ৭০ কোটি টাকা বাকি ছিল। ৫০ কোটি টাকা আমরা উঠিয়ে নিয়েছি। এখনও পড়ে আছে ২০ কোটি টাকা। এবারের বিপিএলে সব খরচ বাদ দিয়ে আমাদের কাছে আছে ২৫ কোটি টাকা।’ পাপন জানিয়েছেন পরবর্তী বিপিএলে ভেন্যু সংখ্যা বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করা হবে। এছাড়া ফ্র্যাঞ্চাইজিও বাড়ানোর কথা ভাবছে বিসিবি।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: