২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৬ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

৩০ বছর পর চট্টগ্রাম কলেজে অবস্থান নিচ্ছে ছাত্রলীগ


স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ তিন দশক পর চট্টগ্রাম কলেজে আবারও অবস্থান নিতে যাচ্ছে ছাত্রলীগ। ১৬ ডিসেম্বর সংঘর্ষের পর শিবির কলেজ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ায় ক্যাম্পাসে অবস্থান নিতে যাচ্ছে তারা। ইতোমধ্যে ছাত্রলীগ কলেজের বিভিন্ন মোড়ে সংগঠনের ব্যানার ঝুলিয়েছে। কলেজের মূল ফটক থেকে শুরু করে বিভিন্ন ভবনের দেয়ালে ছাত্রলীগের নামও শোভা পাচ্ছে। এদিকে শুধু কলেজ ক্যাম্পাসে ব্যানার ও চিকা মারা হচ্ছে তা নয়, নিয়মিত কলেজে মিছিল সমাবেশও করছে ছাত্রলীগ। শনিবার ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে সমাবেশ করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার বেলা ১১টার দিকে ছাত্রলীগের শতাধিক নেতাকর্মী ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। তারা মূল ফটক দিয়ে ঢুকে মিছিল নিয়ে মূল ভবন পার হয়ে কলেজ অডিটোরিয়াম এবং মসজিদের সামনে দিয়ে হোস্টেল পর্যন্ত গিয়ে পুনরায় মিছিল নিয়ে মূল ভবনের সামনে শহীদ মিনারের পাদদেশে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্যদিয়ে মিছিল শেষ করে। কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল করিম জানান, আমরা কলেজে অবস্থান নিয়েছি। কলেজের বিভিন্ন মোড়ে ব্যানার লাগিয়েছি। বিভিন্ন ভবনের দেয়ালে আমাদের কর্মীরা চিকা মেরেছে। খুব শীঘ্রই আমরা কলেজে সাংস্কৃতিক কর্মকা- শুরু করব। উল্লেখ্য, বুধবার দুপুরে ছাত্রলীগ কর্মীরা কলেজের শহীদ মিনারে ফুল দিতে গেলে শিবিরকর্মীরা তাদের উপর হামলা চালায়। শিবিরের হামলা প্রতিহত করতে ছাত্রলীগও পাল্টা অবস্থান নিলে উভয়পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েক দফায় ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

সেবাই ব্রত

ছোটবেলা থেকেই তাঁর পরোপকারে আগ্রহ। সুযোগ পেলেই কোন না কোন জনসেবামূলক কাজ করেন। নাম সাইফুল। তিনি একজন পুলিশ কর্মকর্তা। ছবিতে মাইকিং করে পথচারীদের ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করতে অনুরোধ করছেন সাইফুল। তাঁর এই কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি। সাইফুল বলেন, ‘যতদিন বেঁচে আছি মানুষের সেবা করে যেতে চাই।’ শুক্রবার রাজধানীর ব্যস্ততম একটি সড়ক থেকে ছবিটি তোলা। -জনকণ্ঠ

জামালপুরের বাঁশিওয়ালা

৪০ বছর বয়সী মোশাররফ। বাড়ি জামালপুরে। থাকেন ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনে। তবে ওই এলাকায় তার পরিচিতি এখন জামালপুরের বাঁশিওয়ালা হিসেবে। কয়েকজন লোক জড়ো হলে তাদের মনোরঞ্জনের জন্য বাঁশিতে করুণ সুর তোলেন। এ সময় অনেকেই খুশি হয়ে তাকে টাকা দেয়। এভাবে দিনে শ’পাঁচেক টাকা আয় করেন। এতে ভালই কাটছে তার দিন। শনিবার ছবিটি তুলেছেন জনকণ্ঠের নিজস্ব আলোকচিত্রী।