২২ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

রামগতিতে জাপা প্রার্থীর পক্ষে এমপির প্রচার


নিজস্ব সংবাদদাতা, লক্ষ্মীপুর, ১৮ ডিসেম্বর ॥ লক্ষ্মীপুরের রামগতি জাপা প্রার্থী আজাদউদ্দিন চৌধুরী আজাদের লাঙ্গন প্রতীকের পক্ষে পৌর নির্বাচনের প্রচারণার সময় এমপি মো. নোমানের ওপর হামলা চালিয়েছে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মেজবাউদ্দিন মেজুর সমর্থিত যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা। এ সময় এমপি নোমানের সফরসঙ্গী জেলা যুব সংহতির আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন এমরান ও সদস্য সচিব মো. নোয়াবকে হামলাকারীরা বেধড়ক প্রহার করে। এক পর্যায়ে তারা এমপি নোমানকেও মারধর এবং গাড়ি ভাংচুরের চেষ্টা চালায়। পরে তিনি দ্রুত রামগতি থানায় এসে আশ্রয় গ্রহণ করেন। শুক্রবার দুপুর প্রায় সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। আহতদের স্থানীয় প্রাইভেট ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে জেলা জাপা (এ) সভাপতি লক্ষ্মীপুর-২ আসনের এমপি মো. নোমান সেল ফোনে জনকণ্ঠকে জানান, তিনি তার প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় যাননি। তিনি গেছেন রামগতির দায়রা বাড়িতে তার আত্মীয়ের সাথে দেখা করার জন্য। ওই সময় আলেকজান্ডার মসজিদের কাছে তার গাড়িটি পৌঁছালে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর লোকজন তার গাড়িটি ঘেরাও করে গতিরোধ করে। নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর কর্মীরা তার ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে দু’জন কর্মীকে বেধড়ক মারধর করে। এমন কি তারা তাকেও মারধর করার চেষ্টা করে। গাড়ি ভাংচুরের চেষ্টা চালায়।

পরে তিনি দ্রুত থানায় এসে আশ্রয় গ্রহণ করেন। তিনি আরও জানান, প্রশাসনকে অবহিত করেই তিনি রামগতিতে এসেছেন। তিনি বলেন, এভাবে হলে দেশ চলতে পারে না। তিনি ব্যাপারটি পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসকসহ উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন বলে জানান। অপরদিকে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের মেয়র পদপ্রার্থী মেজবাউদ্দিন মেজু বলেন, মাননীয় সংসদ সদস্য এখানে এসে পৌর নির্বাচনী আচরণ ভঙ্গ করেছেন। আমার সমর্থকরা তাকে প্রচারণার কাজে নিবৃত্ত করে ফিরিয়ে দিয়েছে। নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মেজু বলেন, তিনিসহ তার সফরসঙ্গীদের ওপর আমার কর্মী সমর্থকদের হামলার ঘটনা সঠিক নয়। অপরদিকে রামগতি উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মেজবাহউদ্দিন হেলাল বলেন, তিনি জাপা মেয়র প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা করে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন করেছেন। যুবলীগের কর্মীরা তাকে প্রচারণায় বাধা দিয়েছে। তার গাড়িটি ব্যাক করে দেয়া হয়েছে। তাদের মারধরের কথা তিনি অস্বীকার করেন। এ ঘটনায় রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বর্তমানে এমপি নোমান থানায় নিরাপদে আছেন। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন। তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।