২৪ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৪ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

চট্টগ্রামের সিআরবি মোড়ে সিসি ক্যামেরা স্থাপন


স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রামে এই প্রথম একটি স্পটে ৭টি সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে অপরাধ দমনের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। ছাত্রলীগ নামধারী টেন্ডারবাজদের দৌরাত্ম্য কমাতে এ ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে সিএমপির পক্ষ থেকে তথ্য দেয়া হয়েছে। নগরব্যাপী শতাধিক সিসি ক্যামেরা কন্ট্রোল করছে সিএমপি কর্তৃপক্ষ। মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের পক্ষ থেকে মনিটরিংয়ের মাধ্যমে অপরাধীদের শনাক্ত করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব ক্যামেরার অন্তরালে পুলিশের অসাধু সদস্যরা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায় করলেও তাদের বিরুদ্ধে কোন এ্যাকশন নেয়ার নজির নেই উর্ধতন কর্তৃপক্ষের। ফলে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে ভুক্তভোগীদের মাঝে। এদিকে, রেল কর্মকর্তাদের নিরাপত্তায় জিএমসহ উর্ধতন কর্মকর্তাদের দফতরের সামনেও বসেছে ১০টি ক্যামেরা।

সিআরবির সাত রাস্তার মোড় এলাকায় উৎসুক জনতার ভিড়ে কৌতূহল জাগিয়েছে এসব ক্যামেরা। গত এক বছরে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় ছাত্রলীগ নামধারীদের মধ্যে ছিল বিএনপি-জামায়াতের অপতৎপরতা। সংঘর্ষের মাত্রা যতটা তীব্র ছিল না তার চেয়ে বেশি তীব্রতর হয়েছে টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকা ক্যাডারদের উস্কানিতে। ভাড়া করা সন্ত্রাসীদের ছত্রছায়ায় টেন্ডারবাজরা তাদের ফায়দা লুটতে তৎপর থেকে দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনার মধ্য দিয়ে গত বছরের ২৪ জানুয়ারি এক শিশুসহ ২ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছে। গত ১২ অক্টোবর পুলিশের সামনেই বাবর-লিমন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সর্বশেষ গত ১ নবেম্বরও পুলিশের সামনেই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এ দু’গ্রুপ। এ ঘটনায় অস্ত্র ও হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে ৫৪ জনের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও ছাত্রলীগ এবং যুবলীগ নামধারী লিমন ও বাবরকে গ্রেফতার করলেও উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে তারা বেরিয়ে যায়। টেন্ডারবাজদের দৌরাত্ম্যে চট্টগ্রামের রেলওয়ের সদর দফতর হিসেবে খ্যাত সিআরবি ভবনের কর্মকর্তারা তটস্থ থাকতেন। সে টেন্ডারবাজরাই নিজেদের আধিপত্য নিয়ে টেন্ডারের নির্ধারিত দিন ছাড়াও ছোটখাট সংঘর্ষে মেতে থাকত ওই এলাকায়। তবে বড় ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে সিআরবির সাত রাস্তার মোড় এলাকায়। যেখানে অপরাধীদের অভয়ারণ্য হিসেবে খ্যাত।