১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

গাইবান্ধার ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট


গাইবান্ধার ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাইবান্ধা ॥ একদিকে জনবল ওষুধপত্র ও পথ্য সংকট, অপরদিকে স্থানাভাব ও চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্রাকটিসের ঝোক ইত্যাদি কারণে গাইবান্ধার ১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা মুখ থুবড়ে পড়েছে। শুধু তাই নয় চিকিৎসকদের একটি বড় অংশের নির্ধারিত সময়ে হাসপাতালে না আসা এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই কর্মস্থল থেকে চলে যাওয়ার কারনে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সীমাহীন দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়। ইসিজি, এক্স-রে এবং আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন চালু থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরে ছুটছে হয় স্টাফদের অসহাযোগিতার কারণে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ২০১৫ সালের ৫ এপ্রিল হাসপাতালটি ১০০ শয্যা থেকে ২০০ শয্যায় উন্নীতকরণে প্রশাসনিক অনুমোদন মিললেও এখানে ৫০ শয্যার বরাদ্দৃকত জনবলও এখন নেই। অথচ এখানে প্রতিদিন গড়ে ১৬০ জন রোগী ভর্তি থাকছে এবং আউটডোরে সহস্রাধিক রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে।

১০০ শয্যার হাসপাতাল হিসেবে যেখানে মেডিক্যাল অফিসার থাকার কথা মোট ২০ জন, সেখানে আছে ৭ জন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদ রয়েছে ২২টি সেখানে চিকিৎসক রয়েছে মাত্র ৬ জন। গাইনী, চক্ষু, নাক-কান-গলা, চর্ম-যৌন, রেডিওলজিষ্ট, প্যাথলজিষ্ট, আয়ুর্বেদ চিকিৎসক পদে কোনো চিকিৎসক নেই। নার্স এবং অন্যান্য স্টাফের অবস্থাও একইরূপ। সেখানেও রয়েছে প্রচুর সংকট। এছাড়া হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্বাবধায়কের পদটি দীর্ঘদিন থেকে শূন্য রয়েছে। এখানে এনালগ এক্সরে থাকলেও কোন ডিজিটাল এক্সরে মেশিন নেই। একারণে ডাক্তারদের পরামর্শে বাইরে থেকে ডিজিটাল এক্সরে করে আনতে হয়েছে বলে সাইদুর রহমান নামে সদর উপজেলার বালাআটা গ্রামের এক রোগী অভিযোগ করেছেন।

এ হাসপাতালের ৪০ কেভির একটি জেনারেটর রয়েছে। ২০০৩ সালে এটি হাসপাতাল ক্যাম্পাসের স্থাপনে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এর ভবন, সংযোগ তারসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় করে মোট ১৫ লাখ টাকা। কিন্তু শুরু থেকেই একটি অব্যবহৃত অবস্থা পড়ে রয়েছে। কারণ তেলের কোনো বরাদ্দ নেই এবং জেনারেটরের চালকও নিয়োগ দেয়া হয়নি।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: