২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ঢাকার বাইরে উৎসবমুখর বিজয় দিবস উদযাপন


জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়েছে বিজয় দিবস। দিবসের প্রথম প্রহরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। এরপর পতাকা উত্তোলন, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, আলোচনা সভা, বিজয় র‌্যালি, কুচকাওয়াচ, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। খবর স্টাফ রিপোর্টার ও নিজস্ব সংবাদদাতাদের।

চট্টগ্রাম

বিজয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় দিবসের প্রথম প্রহরে। মঙ্গলবার রাত ১২টা ০১ মিনিটে নন্দনকানন ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে বেজে উঠে ঘণ্টা। এরপর পুলিশের একটি চৌকস দল সশস্ত্র অভিভাদনের মধ্য দিয়ে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। প্রথমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। এছাড়া মেয়রের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারাও শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একে একে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, নগর বিএনপি সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ সালাম, চউক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আবদুল্লাহ, সিএমপি কমিশনার আবদুল জলিল ম-ল, অতিরিক্ত কমিশনার একেএম শহীদুর রহমান ও দেবদাশ ভট্টাচার্য, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ, চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার একেএম হাফিজ আকতার এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি, জাসদ, বাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, সাম্যবাদী দল, গণফোরাম, ন্যাপ, আওয়ামী যুবলীগ, ছাত্রলীগ, যুব ইউনিযন, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র মৈত্রী, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, প্রজন্ম ’৭১, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি, বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ, গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, খেলাঘর, আনসার ভিডিপি, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, বন বিভাগ, বাংলাদেশ রেলওয়ে, ওয়াসা, টিএ্যান্ডটি, পিডিবি, বিআইডব্লিউটিসিসহ বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে শহীদ মিনারে প্রদান করা হয় পুষ্পমাল্য।

ফুলে ফুলে ছেয়ে যায় শহীদ বেদি। সেখান থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটি অসাম্প্রদায়িক সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার শপথ বাক্য উচ্চারিত হয়। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দও শহীদ মিনার এবং প্রেসক্লাবের সামনে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এদিকে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের ব্যানারে সকাল দশটায় বের করা হয় বিজয় র‌্যালি।

সিলেট

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ঢল নামে জনতার। তাদের কণ্ঠে উচ্চারিত হয় যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচার সম্পন্নের দাবি। পুষ্পার্ঘ্য হাতে সারিবদ্ধভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ। দিনভর নগরীতে ছিল উৎসবের আমেজ।

রংপুর

রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা করেন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু। এরপর সেখানে একে একে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, প্রেসক্লাব, জেলা আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জাসদ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বরিশাল

রাত ১২টা ১ মিনিটে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সংলগ্ন শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এ সময় শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভাগীয় কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসন, সিটি কর্পোরেশন মেয়র, পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়ন। বুধবার সকালে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

যশোর

রাত ১২টা ১ মিনিটে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে বিজয় দিবসের কার্যক্রম শুরু করে জেলা প্রশাসন। সকালে শহরের মনিহার বাসস্ট্যান্ড এলাকার বিজয় স্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার, যশোরের জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীর, পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, সাধারণ সম্পাদক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার বিজয় স্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।

সাতক্ষীরা

বিজয় দিবসে নলতা আহছানিয়া মিশন রেসিডেনসিয়াল কলেজ মাঠে লাখো কণ্ঠে পরিবেশন করা হয় জাতীয় সঙ্গীত। নলতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আনিসুজ্জামান খোকনের সভাপতিত্বে সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি। এদিকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসটির শুভ সূচনা হয়।

রাজশাহী

যুদ্ধাপরাধীদের দ্রুতবিচার সম্পন্ন কলঙ্ক দূর করার দাবি, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার শপথ ও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে বুধবার সূর্যোদয়ের পর থেকে রাজশাহীর সর্বত্র পালিত হলো মহান বিজয় দিবস। দিবসের প্রথম প্রহরে (রাত ১২টা ১ মিনিট) রাজশাহী পুলিশ লাইনে ২১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন এবার ব্যাপক কর্মসূচী পালন করে। বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরেই বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাজশাহী নগরীর শহীদ মিনারগুলোতে মানুষের ঢল নামে।

ময়মনসিংহ

বুধবার প্রথম প্রহরে শহরের পাটগুদাম মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের স্মৃতির প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে দিবসের শুভ সূচনা করেন ধর্মমন্ত্রী ও ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। এরপর ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার জিএম সালেহ উদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকী, পুলিশ সুপার মঈনুল হক, পৌরসভার মেয়র ইকরামুল হক টিটু, জেলা পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন ফুল দিয়ে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

টাঙ্গাইল

সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে বিজয় দিবসের কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মাহবুব হোসেন ও পুলিশ সুপার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর। পরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবসহ সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনতা শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

কিশোরগঞ্জ

সকালে গুরুদয়াল সরকারী কলেজ চত্বরে শহীদের স্মরণে স্থাপিত স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা করা হয়। পরে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্টেডিয়ামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রী ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানসমূহের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে সালাম গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক জিএসএম জাফরউল্লাহ ও পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন খান।

লক্ষ্মীপুর

রাত ১২টা এক মিনিট বাজার সঙ্গে সঙ্গে জেলা শহরের বিজয় চত্বরে শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য একেএম শাহজাহান কামাল, জেলা প্রশাসক মোঃ জিল্লুর রহমান চৌধুরী। এরপর পর্যায়ক্রমে শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

পাবনা

জেলা প্রশাসন, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, পাবনা প্রেসক্লাব, পাবনা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ক্রাইম রিপোর্টার্স ফাউন্ডেশন, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ গণশিল্পী সংস্থা, উদীচী শিল্পী সংস্থা, থিয়েটার ৭৭, ড্রামা সার্কেলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ দুর্জয় পাবনায় শহীদ স্মরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।

ঝিনাইদহ

বুধবার ভোরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে জেলা প্রশাসক মাহবুব আলম তালুকদার, পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শ্রেণী-পেশার মানুষ পুষ্পমাল্য অর্পণ করে। এরপর বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে শুরু হয় ২য় পর্ব।

বগুড়া

মধ্যরাতে জিলা স্কুল মাঠে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে বিজয় উদযাপনের সূচনার পর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলক ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষ পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সকল সরকারী-বেসরকারী অফিস বাসভবন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণে শ্রদ্ধা জানায়। সকালে শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে শিশু কিশোর সমাবেশ কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে হয়।

গোপালগঞ্জ

রাত ১২টা ১ মিনিটে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিবেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসক খলিলুর রহমান ও পুলিশ সুপার এস এম এমরান হোসেন। প্রত্যুষে শেখ কামাল স্টেডিয়ামে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে প্রকম্পিত হয় গোপালগঞ্জ শহর।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

একত্রিশবার তপধ্বনি আর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিনটির শুভ সূচনা হয়। পরে স্টেডিয়াম মাঠে জেলা প্রশাসক আনুষ্ঠানিক পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সরকারী-বেসরকারী ৪০টি প্রতিষ্ঠানের ডিসপ্লে, কুচকাওয়াজ ও অভিবাদন গ্রহণ করা হয়।

বাগেরহাট

শহীদ বেদিতে জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচী শুরু হয়। পরে পুলিশ সুপার, জেলা পরিষদ, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, সিপিবি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বাগেরহাট প্রেসক্লাব, জেলা আইনজীবী সমিতি, পিসি কলেজ, সিভিল সার্জন, এলজিইডি, সুন্দরবন পূর্ব বিভাগ, সচেতন নাগরিক কমিটি, বিএমএ, চেম্বারসহ বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী দফতর, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ব্যক্তি শহীদ বেদিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

ভোলা

যথাযোগ্য মর্যদায় ভোলায় ৪৫তম মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে বুধবার সকালে ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ প্রদর্শন ও শিশুদের ডিসপ্লে প্রদর্শন করা হয়। এসময় কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহন করেন জেলা প্রশাসক মোঃ সেলিম রেজা।

চুয়াডাঙ্গা

বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় স্টেডিয়াম মাঠে এক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিশু কিশোররা মনোমুগ্ধকর ডিসপ্লে প্রদর্শন করে। জেলা প্রশাসক সায়মা ইউনুস ও পুলিশ সুপার রশীদুল হাসান কুচকাওয়াজ পরিদর্শন এবং সালাম গ্রহণ করেন।

সুনামগঞ্জ

সকাল ৬টায় প্রভাতফেরি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বিভিন্ন স্কুল ও স্কাউট দল সুনামগঞ্জ স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজে অংশ নেয়। কুচকাওয়াজ প্রদর্শনী শেষে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শরীচর্চা প্রদর্শিত হয়। পরে শরীচর্চা ও কুচকাওয়াজ প্রদর্শনীতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ

প্রথম প্রহরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নগরীর চাষাঢ়ায় বিজয় স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে সর্বস্তরের জনগণ। রাত বারোটা এক মিনিটে ২১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে বিজয় উৎসব উদযাপন শুরু হয়। প্রথমে জেলা প্রশাসক আনিছুর রহমান মিঞা বিজয় স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

খুলনা

গল্লামারী শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ, র‌্যালি, আলোচনাসভাসহ নানা অনুষ্ঠান আয়োজনের মধ্য দিয়ে বুধবার খুলনায় মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। ভোর সাড়ে ৬টা থেকে গল্লামারী শহীদ স্মৃতিসৌধে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন, পুলিশ, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, খুলনা সিটি কর্পোরেশন, কেডিএ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রেসক্লাব, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন, খুলনা ওয়ার্কিং জার্নালিস্ট ইউনিটি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, সিপিবি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, ১৯৭১ ঃ গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর, বিএমএ, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, খুলনা ওয়াসা, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদ, বাংলাদেশ বেতার, শিল্পকলা একাডেমিসহ অন্যান্য রাজনৈতকি দল, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

ঠাকুরগাঁও

বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেয় পুলিশ, আনসারসহ বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থী, স্কাউট ও রোভাররা। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা প্রশাসক মূকেশ চন্দ্র বিশ্বাস। এ সময় পাশে ছিলেন পুলিশ সুপার ফারহাত আহমেদ। এরপর মুক্তিযোদ্ধাদের ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানান সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন। পরে শিক্ষার্থীরা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন ডিসপ্লে প্রদর্শন করে।

মুন্সীগঞ্জ

বুধবার প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের শুভ সূচনার পরক্ষণেই শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলকে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে সর্বস্তরের মানুষ। কুচকাওয়াজ, মনোজ্ঞ ডিসপ্লে, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, চিত্র প্রদর্শনী, প্রীতি ক্রীড়াসহ চলছে নানা আয়োজন। এসব অনুষ্ঠানে অংশ নেন বঙ্গবন্ধুর সহচর মহিউদ্দিন, সাবেক হুইপ অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি এমপি, সুকুমার রঞ্জন ঘোষ এমপি, জেলা প্রশাসক সাইফুল হাসান বাদল, পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ সাজ্জাদ, সিভিল সার্জন ডাঃ শহিদুল ইসলাম, সরকারী হরগঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ সিরাজুল ইসলাম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আনিস-উজ-জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ লুৎফর রহমান, অধ্যাপক সুখেন চন্দ্র ব্যানার্জী, প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ, রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের অধ্যক্ষ মেজর রেজাউল করিম এবং মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি মীর নাসিরউদ্দিন উজ্জ্বলসহ বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তিবর্গ। এছাড়া ৬৭ যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

কক্সবাজার

১৫ ডিসেম্বরের ঘডির কাঁটা পার হতে না হতেই লাখো শহীদের ত্যাগের বিনিময়ে এ বিজয়কে স্মরণ করতে শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতি সংগঠনের লোকজন। জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন প্রতিনিধিরাও শহীদ মিনারে উপস্থিত হন।

ফরিদপুর

৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। ভোরে সরকারী ও বেসরকারী ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকালে শহীদ স্মৃতিফলকে জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সিপিবি, মহিলা পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

সিরাজগঞ্জ

প্রথম প্রহরে বাজার স্টেশন মুক্তির সোপানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিবসটির শুভ সূচনা করা হয়। ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপি, সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য সেলিনা বেগম স্বপ্না, সাবেক মন্ত্রী, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল লতিফ বিশ্বাস, জেলা প্রশাসক বিল্লাল হোসেন, পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহমদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গাজী শফিকুল ইসলাম শফি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়াসহ পর্যায়ক্রমে প্রেসক্লাব, আইনজীবী সমিতি, শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের মানুষ ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

নীলফামারী

বুধবার রাত ১২টা ১ মিনিটে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্যমে দিবসটির শুভ সূচনায় শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে স্বাধীনতা স্মৃতি অম্লানে পু®পমাল্য অর্পণ করা হয়।

কুড়িগ্রাম

রাত ১২টা ১ মিনিটে ৩১বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার বিজয় স্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। জেলা প্রশাসক খান মোঃ নুরুল আমিন, পুলিশ সুপার তোবারক উল্লাহ্, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইউনিট, জেলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গ সংগঠনগুলো স্বাধীনতার বিজয় স্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে।

নেত্রকোনা

মধ্যরাতে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা হয়। সূর্যোদয়ের পরপর জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, সিপিবি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, উদীচী, শিল্পকলা একাডেমিসহ বিভিন্ন সংগঠন স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।

দিনাজপুর

চেহেলগাজীর মুক্তিযোদ্ধা সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, সকল ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোতে আলোকসজ্জা, দিনভর বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বুধবার রাত ১২টা ১ মিনিটে জেলা প্রশাসন কার্যালয় চত্ব¡রে স্থাপিত শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি।

চাঁদপুর

প্রথম প্রহরে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিভাস্কর্য অঙ্গীকার পাদদেশে জেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠন শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

নওগাঁ

রাত ১২টা ১ মিনিটে ৩১ বার তোপধ্বনির পর শহরের মুক্তির মোড় শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পু®পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা করা হয়। এছাড়া শহরের বাইপাসে আব্দুল জলিল চত্বরে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আব্দুল মালেক এমপি, সাধারণ সম্পাদক সাধন চন্দ্র মুজুমদার এমপি, নিজাম উদ্দিন জলিলসহ আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

গাইবান্ধা

সকালে স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সেখানে জেলার সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কুচকাওয়াজ ও শারীরিক কসরত প্রদর্শন করে। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ডিসপ্লে প্রদর্শনে ওইসব সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেয়।

রাঙ্গামাটি

১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন মহিলা সংসদ সদস্য জেএফ আরোয়ার চিনু। এরপর জেলা প্রশাসক সামসুল আরেফিন, পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুর হাসান, জেলা আওয়ামী লীগ সাভাপতি দিপঙ্কর তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মুছা মাতব্বর, বিএনপি সাভাপতি মোঃ শাহালম ও সাধারণ সম্পাদক দিপেন তালুকদার ও মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর রাঙ্গামাটি শহরের কর্ণফুলী লেকের তীরে ৭ বীরশ্রেষ্ঠের স্মৃতিস্তম্ভে এবং বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আবদুর রউফের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে।

নরসিংদী

প্রত্যুষে তোপধ্বনির মাধ্যমে বিজয় দিবসের সূচনা করা হয়। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সরকারী, বেসরকারী ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং মোসলেহ উদ্দীন ভুঁইয়া স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক আবুহেনা মোরশেদ জামান আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং প্যারেড ও কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন।

ঈশ্বরদী

বিজয় দিবস উপলক্ষে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে পাকশী বিভাগে ব্যতিক্রমী কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়। ঈশ^রদীসহ বিভিন্ন লোকো সেডে অবস্থিত সকল লোকোমটিভ (ইঞ্জিন) হতে একযোগে হুইসেল এবং পাকশী কন্ট্রোল অফিস হতে এক মিনিট সাইরেন বাজানোর মাধ্যমে বিজয় দিবসের সূচনা করা হয়। সকালে পাকশী বিভাগীয় ও পশ্চিমাঞ্চল সদর দফতরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

জয়পুরহাট

স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কুচকাওয়াজ, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের উদ্যোগে খেলাধুলাসহ বিভিন্ন কর্মসূচী। দুপুরে জয়পুরহাট পৌর কমিউনিটি মিলনায়তনে পৌরসভার উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। এছাড়া ভৈরব, মির্জাপুর, কচুয়া, নবীনগর, সীতাকু- ভালুকা, বাকৃবি, ইবি, মোহনগঞ্জ ও গফরগাঁওয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস পালন করা হয়েছে।