মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
১৬ আগস্ট ২০১৭, ১ ভাদ্র ১৪২৪, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

পরস্পরকে ঘায়েল করলেন ৯ রিপাবলিকান প্রতিযোগী

প্রকাশিত : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৫
  • রিপাবলিকান দলীয় বর্ষশেষ বিতর্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মঙ্গলবার বিতর্কে অংশ নিয়েছেন। এতে মুসলিমদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে জেব বুশসহ অন্যান্য রিপাবলিকান নেতাদের তোপের মুখে পড়েন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এছাড়া সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি থেকে কোন প্রার্থী যুক্তরাষ্ট্র বেশি নিরাপদ করতে পারবেন সে বিষয়টিও বিতর্কে উঠে আসে। খবর নিউইয়র্ক টাইমস অনলাইনের।

রিপাবলিকান দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মঙ্গলবার রাতে নয় জন প্রার্থী বছরের শেষ দলীয় বিতর্কে অংশ নেন। বিতর্কে জঙ্গী গ্রুপ আইএস নিয়েও কথা হয়। আইএসকে পরাজিত করতে বিতর্কে অংশগ্রহণকারীরা যার যার পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এ ছাড়া অভিবাসন, আইএস দমনে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ব্যর্থতার কথাও বিতর্কে উঠে আসে। টিভি চ্যানেল সিএনএন রিপাবলিকান দলের বিতর্কটি লাস ভেগাস থেকে সরাসরি সম্প্রচার করে।

উত্তপ্ত বাক্যবাণ ও যুক্তি তর্কে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা একে অপরকে ধরাশায়ী করার চেষ্টা করেন। ট্রাম্পের মুসলিমদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সর্ব সাম্প্রতিক আহ্বান নিয়ে জোর বিতর্ক হয়। এ নিয়ে ট্রাম্প ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের ভাই জেব বুশের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। ট্রাম্প মুসলিমদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপের তার আগের কথা ফের ব্যক্ত করেন। জেব বলেন, এটি সমস্যা সমাধানের কোন উপায় হতে পারে না। তিনি ট্রাম্পের এ পরিকল্পনাকে অলীক এবং ‘পাগলামি’ বলে অভিহিত করেন। এ নিয়ে অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকবারই জেব ও ট্রাম্প তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে ট্রাম্প বলেন, বিতর্কের শুরু থেকেই জেব তাকে টার্গেট করে বক্তব্য রাখছেন। জবাবে জেব বলেন, ‘এতেই কাবু হয়ে গেলে তো চলবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হতে হলে আরও কঠিন কথা মোকাবিলা করার সাহস থাকতে হবে।

টেলিফোনে আড়িপাতা বিষয়ে প্রস্তাবিত আইন নিয়ে বিতর্কে জড়ান সিনেটর মার্কো রুবিও এবং টেড ক্রাজ বিতর্কে জড়ান। আইনে নাগরিকদের ওপর নজরদারির জন্য সরকারী সংস্থাগুলোর ওপর নানা পূর্বশর্ত আরোপের কথা বলা হয়েছে। ওবামা প্রশাসনের তৈরি করা ওই আইনের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন ক্রাজ। বিপক্ষে ভোট দিয়েছিলেন রুবিও। রুবিও অভিযোগ করেন, যে মুহূর্তে গোপন তথ্য সরকারের বেশি করে জানা প্রয়োজন সে সময় সিনেটর ক্রাজ ওবামার ওই ব্যর্থ আইনের পক্ষে ভোট দেন। জবাবে ক্রুজ বলেন, এ আইনের ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের হাতে জননিরাপত্তার স্বার্থে অধিকতর সুবিধা দেয়া হয়েছে।

বিতর্কে একে অন্যের বিরুদ্ধে কাদা ছোঁড়াছুঁড়িই হয়েছে বেশি। জাতীয় ইস্যুগুলো প্রাধান্য পায়নি। তবে তারা সবাই ওবামার ব্যর্থতার সমালোচনা করেছেন। আইএস দমনে এবং সিরিয়া পরিস্থিতি সামাল দিতে কঠিন সব পরিকল্পনার কথা তারা তুলে ধরেন। মার্কিন নিত্য দিনের সমস্যার বদলে তারা দেশের নিরাপত্তা এবং জঙ্গীবাদ দমনে কে কি করবেন সেগুলোই তুলে ধরেন।

প্রকাশিত : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৫

১৭/১২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: